অষ্টমীর সকাল মানেই শাড়ি তো পরতেই হবে। শাড়ি পরে অঞ্জলি দেওয়া, বন্ধু বা পরিবারের সঙ্গে প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা, পুজোর এই দিনটির সঙ্গে বাঙালির নস্ট্যালজিয়া যেন আলাদা করে জড়িয়ে আছে। তবে শাড়ির সাজে শুধু পছন্দের শাড়ি আর গয়না থাকলেই হল না। কীভাবে শাড়ি পরছেন, কুঁচি কতটা চওড়া, আঁচল কীভাবে রাখছেন এই ছোটখাটো বিষয়গুলিই বদলে দিতে পারে পুরো লুক।[TECHTARANGA-POST:12751]শাড়ি বাছাইতেই প্রথম বাজিমাতঅষ্টমীর সাজে খুব ভারী শাড়ি বেছে নেওয়ার আগে একটু ভেবে দেখুন। যদি সারাদিন প্যান্ডেলে ঘোরার পরিকল্পনা থাকে, তাহলে হালকা কাপড়ের শাড়ি অনেক বেশি আরামদায়ক। জর্জেট, শিফন বা ক্রেপের মতো ফ্লুইড ফ্যাব্রিক শরীরের সঙ্গে সুন্দরভাবে বসে যায় এবং সহজে সামলানোও যায়। কুঁচি চওড়া করলেই কিন্তু সমস্যাশাড়ির কুঁচি ঠিকঠাক করা গোটা লুকের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ। খুব চওড়া বা অসমান কুঁচি করলে কোমরের কাছে কাপড় বেশি জমে যেতে পারে। তাই কুঁচিগুলি সমান মাপের এবং সরু রাখলে অনেক বেশি পরিপাটি দেখাবে।আঁচলেই বদলে যেতে পারে লুকশাড়ির আঁচল কীভাবে রাখছেন, সেটাও নজরে রাখুন। খুব বেশি ছড়িয়ে আঁচল নেওয়ার বদলে সরু করে প্লিট করে কাঁধে নিতে পারেন। এতে গোটা সাজে একটা পরিচ্ছন্ন ফিনিশ আসে। কাঁধের কাছে ভালোভাবে পিন করে রাখুন। না হলে পুজোর ভিড়ে আঁচল সামলাতেই ব্যস্ত হয়ে পড়বেন।[TECHTARANGA-POST:12724]ব্লাউজের ফিট যেন একেবারে ঠিক হয়শাড়ির সঙ্গে ব্লাউজের ফিট ঠিক না হলে পুরো সাজটাই ঘেঁটে যায়। তাই নিজের শরীরের গড়নের সঙ্গে মানানসই নেকলাইন বেছে নেওয়ার পাশাপাশি হাতার ফিটের দিকেও নজর দিন। পুজোর সাজে অতিরিক্ত কাজের বদলে ছিমছাম এবং ভালোভাবে ফিট করা ব্লাউজই অনেক সময় বেশি সুন্দর দেখায়।ব্লাউজের রং নিয়ে অতিরিক্ত পরীক্ষা নয়শাড়ি আর ব্লাউজের রং একে অপরের থেকে একেবারে বিপরীত হলেই যে সাজ বেশি সুন্দর হবে, এমনটা নয়। বরং দু’টি রঙের মধ্যে সামঞ্জস্য থাকা বেশি জরুরি। তাই শাড়ির রং ও নকশার সঙ্গে মানানসই শেড বেছে নিন।