কলকাতা: দুর্গাপুজো শেষ হয়েছে। কিন্তু রাজ্যে উৎসবের আবহ এখনও কাটেনি। আর কয়েকদিন পরই কালীপুজো। উৎসবের আনন্দে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে বিষয়ে আগাম সতর্কতা নিচ্ছে রাজ্য সরকার। বুধবার নবান্নে ক্যাবিনেট বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
চোরবাগানের মতো ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না হয়, মন্ত্রীদের কাঁধে জেলাভিত্তিক কালীপুজোর দায়িত্ব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রতিটি জেলার দায়িত্বে থাকবেন একজন করে মন্ত্রী। নবান্ন সূত্রে খবর, বড় জেলার ক্ষেত্রে দু’জন মন্ত্রীকেও দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। শুধু কালীপুজো নয়, জগদ্ধাত্রী পুজো এবং ছটপুজোর আয়োজনের ক্ষেত্রেও মন্ত্রীদের নির্দিষ্ট দায়িত্ব দেওয়া হবে।
শিল্পক্ষেত্রেও নতুন পদক্ষেপের পথে রাজ্য। মন্ত্রিসভার বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের নতুন শিল্পনীতি অনুমোদিত হয়েছে। নবান্ন সূত্রে খবর, আগামী ৫ নভেম্বর নতুন শিল্পনীতি ঘোষণা করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এই নীতির অন্যতম লক্ষ্য, রাজ্যে বড় শিল্প সংস্থাকে আকৃষ্ট করা এবং নতুন বিনিয়োগের পথ প্রশস্ত করা। সেই উদ্দেশ্যে সিঙ্গল উইন্ডো ব্যবস্থাকে কার্যকর করা এবং জমি সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানে একাধিক পদক্ষেপের ঘোষণা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।
এ দিনের বৈঠকে চোরবাগানের দুর্ঘটনায় নিহতদের প্রতিও শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করা হয়। অন্যদিকে, ‘কৃষক বন্ধু’ প্রকল্পের নাম বদলে রাখা হয়েছে ‘মুখ্যমন্ত্রী কিষাণ সম্মাননিধি’। আগামী ৫ নভেম্বর পুরশুড়া থেকে প্রায় ৪৮ লক্ষ কৃষককে ২ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী ও কৃষিমন্ত্রী। বাকি মন্ত্রীরা ভার্চুয়ালি যোগদান করবেন।
এ ছাড়াও, যেসব দফতর ইতিমধ্যেই বাজেট বরাদ্দের ৩৫ শতাংশ খরচ করেছে, তাদের পরবর্তী অর্থ বরাদ্দের বিষয়টি বিবেচনার জন্য অর্থ দফতরকে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, আগামী ১১ থেকে ১৮ নভেম্বর রাজ্যে পালিত হবে জনজাতি গৌরব দিবস।
Leave a comment