•
Home Top-News Abhishek Banerjee: তৃণমূলের পার্টি অফিসে ১ কোটিরও বেশি নগদ! নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র? মুখ খুলে চরম হুঁশিয়ারি অভিষেকের
Top-Newsকলকাতাপশ্চিমবঙ্গ

Abhishek Banerjee: তৃণমূলের পার্টি অফিসে ১ কোটিরও বেশি নগদ! নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র? মুখ খুলে চরম হুঁশিয়ারি অভিষেকের

Share
অভিষক বন্দ্যোপাধ্যায়,সাংসদ, ডায়মন্ড হারবার। ফাইল চিত্র
Share

কলকাতা: ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত একটি শাসক দলের পার্টি অফিস থেকে ১ কোটি ২ লক্ষ ৭৯ হাজার টাকা উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। খোদ ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অভিষেক মজুমদার সাংবাদিক বৈঠক করে এই বিপুল পরিমাণ নগদ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে এই ঘটনা জানাজানি হতেই চুপ থাকেননি স্থানীয় সাংসদ তথা তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সোচ্চার হয়ে তিনি সাফ জানিয়েছেন, সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবে এবং চক্রান্ত করে এই বিপুল টাকা সেখানে এনে রাখা হয়েছে।

নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে একটি বার্তা দিয়ে অভিষেক উল্লেখ করেন যে, প্রায় ছ’মাস আগে বিজেপির দুষ্কৃতীদের হামলায় ওই সম্পত্তিটি মারাত্মকভাবে ভাঙচুর হয়েছিল। পরবর্তীতে পুলিশি তদন্তের খাতিরে সেটিকে অপরাধস্থল বা ‘ক্রাইম সিন’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। তাঁর দাবি, সেই নির্দিষ্ট জায়গায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভুয়ো ও জাল প্রমাণ সাজিয়ে রাখা হয়েছে, যাতে ন্যায়বিচারের পথ রোধ করা যায়। একই সাথে পুলিশি তদন্তকে প্রভাবিত করা এবং আইন-প্রশাসনকে নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করার এক নির্লজ্জ চেষ্টা চলছে বলেও তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

যাঁরা এই ষড়যন্ত্রের রূপরেখা তৈরি করেছেন এবং নির্দেশে কাজ করেছেন, তাঁদের উদ্দেশ্যে তীব্র হুঁশিয়ারি দিয়ে সাংসদ জানান, ক্ষমতার অপব্যবহার কিংবা প্রমাণ বিকৃতির প্রতিটি কাজের জন্য সংশ্লিষ্টদের ব্যক্তিগতভাবে চরম জবাবদিহি করতে হবে। রাজনৈতিক মদত বা সরকারি পদের দাপট দেখিয়ে কেউ আইনের হাত থেকে রেহাই পাবেন না বলেও সতর্ক করে দেন তিনি।

আরও পড়ুন: ডায়মন্ড হারবার থেকে এবার সোজা এসপ্ল্যানেড মেট্রো? গঙ্গার দু’পারে ৪ লেনের হাইওয়ে নিয়ে পুরদফতরের মেগা প্ল্যান! https://hiddenstories.news/2026/11/04/metro-to-run-from-diamond-harbour-to-esplanade-urban-development-department-plans-four-lane-mega-highway/

ঘটনার সূত্রপাত বুধবার, যখন সরিষা এলাকার ওই পার্টি অফিসে হানা দিয়ে পুলিশ এই বিশাল অর্থের সন্ধান পায়। পুলিশ সূত্রে দাবি করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেই এই তল্লাশি ও টাকা বাজেয়াপ্তের অভিযান চালানো হয়। অফিসটি মগরাহাট পশ্চিমের বিধায়ক শামিম আহমেদের নিয়ন্ত্রণাধীন বলেই পরিচিত।

অন্যদিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক পারদ চড়েছে বহুগুণ। নাম না করে তোপ দেগেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, এই উদ্ধার হওয়া বিপুল অর্থ তো সামান্য নমুনা মাত্র, যা ভুলবশত রেখে যাওয়া হতে পারে। প্রকৃত অর্থে বেনামে প্রচুর জমি কেনাবেচা এবং কোটি কোটি টাকার লেনদেন চলেছে বলে দাবি বিরোধী শিবিরের।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *