•
Home পশ্চিমবঙ্গ পৌষমেলা নিয়ে অবশেষে বিরাট সিদ্ধান্ত! পূর্বপল্লীর মাঠেই বসছে ঐতিহ্যবাহী মেলা, কিন্তু বিশ্বভারতীর কড়া শর্তে চাঞ্চল্য
পশ্চিমবঙ্গ

পৌষমেলা নিয়ে অবশেষে বিরাট সিদ্ধান্ত! পূর্বপল্লীর মাঠেই বসছে ঐতিহ্যবাহী মেলা, কিন্তু বিশ্বভারতীর কড়া শর্তে চাঞ্চল্য

Share
হিডেন স্টোরিজ নিউজ
পৌষমেলা। ফাইল ছবি
Share

বোলপুর: শান্তিনিকেতনপ্রেমী এবং পর্যটকদের জন্য এক অত্যন্ত স্বস্তির ও আনন্দের খবর! গত বছরের ধারা বজায় রেখে এবারও শান্তিনিকেতনের ঐতিহ্যবাহী পৌষমেলা অনুষ্ঠিত হতে চলেছে পূর্বপল্লীর ঐতিহাসিক মাঠেই। উৎসব চলবে পুরো ছ’দিন ধরে। বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ এবং বীরভূম জেলা প্রশাসনের মধ্যে দীর্ঘ ও গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়েছে। তবে এবার মেলা আয়োজনের ক্ষেত্রে পরিবেশ রক্ষা ও মাঠের পরিচ্ছন্নতার ওপর সবথেকে বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে। মূল শর্ত অনুযায়ী, মেলা শেষ হওয়ার ঠিক ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পূর্বপল্লীর মাঠকে তার আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে হবে।

বুধবার সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বিশ্বভারতী ও জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের মধ্যে মেলা সংক্রান্ত চূড়ান্ত বৈঠকটি সম্পন্ন হয়। এতে বিশ্বভারতীর উপাচার্য প্রবীরকুমার ঘোষ, কর্মসচিব বিকাশ মুখোপাধ্যায়, বীরভূমের জেলাশাসক ধবল জৈন, বোলপুরের মহকুমাশাসক ব্রততী দত্ত এবং এসডিপিও অর্পিত আর পারাখ সহ শান্তিনিকেতন ট্রাস্টের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। জেলা পুলিশ সুপার ভিদিত রাজ ভুন্দেশ অনলাইনে এই বৈঠকে যোগ দেন। মেলা সফলভাবে পরিচালনা করতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সমস্ত রকমের প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত সহযোগিতার পূর্ণ আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন : উৎসবের মরশুমে রাজ্যের লটারি!

বৈঠক শেষে বিশ্বভারতীর উপাচার্য প্রবীরকুমার ঘোষ জানান, আগামী ১৫ নভেম্বর থেকে মেলার স্টল বুকিং শুরু হতে চলেছে। গতবারের মতোই এবারও সম্পূর্ণ অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমেই ইচ্ছুক ব্যবসায়ীরা স্টল বুক করতে পারবেন। গ্রামীণ হস্তশিল্পী ও ক্ষুদ্র কারিগরদের স্বার্থ রক্ষায় তাঁদের মেলায় বিশেষ অগ্রাধিকার প্রদান করা হবে। দূরদূরান্ত থেকে আসা দেশ-বিদেশের পর্যটকদের সুবিধার্থে এবং মেলা সংক্রান্ত যাবতীয় আপডেট পৌঁছে দিতে একটি নতুন ওয়েবসাইট চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মেলার নিরাপত্তা এবং মাঠের পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি নিশ্চিত করতে প্রস্তুত থাকবে বোলপুর পুরসভা।

পরিবেশ আদালত ও পরিবেশবিদদের নির্দেশিকাকে মান্যতা দিয়ে ঐতিহ্য রক্ষার পাশাপাশি প্রকৃতিকে দূষণমুক্ত রাখাই বিশ্বভারতী ও জেলা প্রশাসনের মূল চ্যালেঞ্জ। সেই কারণেই মেলা সাঙ্গ হওয়ার সাথে সাথেই সমস্ত পরিকাঠামো দ্রুত সরিয়ে মাঠ পূর্বাবস্থায় ফেরানোর কঠোর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। মেলা ঘিরেই এখন থেকেই বোলপুর ও শান্তিনিকেতন জুড়ে উৎসবের আবহ তৈরি হতে শুরু করেছে।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *