Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

চাকরিপিছু ৬ লক্ষ! ২৮৪ ‘অযোগ্য’ নিয়োগের টাকা কি সুজিতের অ্যাকাউন্টে? আদালতে বিস্ফোরক দাবি ইডির

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১২ আগস্ট ২০২৬
চাকরিপিছু ৬ লক্ষ! ২৮৪ ‘অযোগ্য’ নিয়োগের টাকা কি সুজিতের অ্যাকাউন্টে? আদালতে বিস্ফোরক দাবি ইডির
ছবি--প্রতীকী

পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুর জামিনের বিরোধিতা করে কলকাতা হাই কোর্টে একাধিক চাঞ্চল্যকর দাবি করল ইডি। বুধবার বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা জানায়, কামারহাটি, বরাহনগর, টিটাগড়-সহ বিভিন্ন পুরসভায় মোট ২৮৪ জন অযোগ্যকে বেআইনিভাবে চাকরি দেওয়া হয়েছে। চাকরিপিছু প্রায় ৬ লক্ষ টাকা করে লেনদেন হত বলেও দাবি ইডির।


ইডির অভিযোগ, সুজিত বসুর সুপারিশেই বহু চাকরি দেওয়া হয়েছিল। অয়ন শীলের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দক্ষিণ দমদম পুরসভায় ১৫২ জন চাকরিপ্রার্থীর নাম সুজিতের সুপারিশ বলে আদালতে জানানো হয়। নিতাই দত্তের মাধ্যমেও চাকরির সুপারিশ করা হত বলে দাবি তদন্তকারীদের। এদিন ইডি আরও জানায়, ওএমআর কারচুপি করে অযোগ্যদের চাকরি দেওয়া হয়েছে। যোগ্য প্রার্থীরা সঠিক উত্তর দিলেও তাঁদের নম্বর ধরা হয়নি। চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান এবং চেয়ারম্যান-ইন-কাউন্সিলের সুপারিশের ভিত্তিতেও নিয়োগ হয়েছে বলে অভিযোগ।


কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, সুজিতের একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেই প্রায় ৮ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা রয়েছে। পরিবারের অন্য সদস্যদের অ্যাকাউন্টেও কোটি কোটি টাকার হদিস মিলেছে। এই বিপুল অর্থের উৎস চাকরি বিক্রির টাকা কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে প্রভাবশালী হিসেবে সুজিত জামিন পেলে তদন্ত প্রভাবিত হতে পারে বলেও আদালতে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে ইডি।

বিষয় : BengalPolitics CalcuttaHighCourt sujitbose MunicipalityRecruitmentScam

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬


চাকরিপিছু ৬ লক্ষ! ২৮৪ ‘অযোগ্য’ নিয়োগের টাকা কি সুজিতের অ্যাকাউন্টে? আদালতে বিস্ফোরক দাবি ইডির

প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬

featured Image
পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুর জামিনের বিরোধিতা করে কলকাতা হাই কোর্টে একাধিক চাঞ্চল্যকর দাবি করল ইডি। বুধবার বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা জানায়, কামারহাটি, বরাহনগর, টিটাগড়-সহ বিভিন্ন পুরসভায় মোট ২৮৪ জন অযোগ্যকে বেআইনিভাবে চাকরি দেওয়া হয়েছে। চাকরিপিছু প্রায় ৬ লক্ষ টাকা করে লেনদেন হত বলেও দাবি ইডির।ইডির অভিযোগ, সুজিত বসুর সুপারিশেই বহু চাকরি দেওয়া হয়েছিল। অয়ন শীলের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দক্ষিণ দমদম পুরসভায় ১৫২ জন চাকরিপ্রার্থীর নাম সুজিতের সুপারিশ বলে আদালতে জানানো হয়। নিতাই দত্তের মাধ্যমেও চাকরির সুপারিশ করা হত বলে দাবি তদন্তকারীদের। এদিন ইডি আরও জানায়, ওএমআর কারচুপি করে অযোগ্যদের চাকরি দেওয়া হয়েছে। যোগ্য প্রার্থীরা সঠিক উত্তর দিলেও তাঁদের নম্বর ধরা হয়নি। চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান এবং চেয়ারম্যান-ইন-কাউন্সিলের সুপারিশের ভিত্তিতেও নিয়োগ হয়েছে বলে অভিযোগ।কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, সুজিতের একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেই প্রায় ৮ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা রয়েছে। পরিবারের অন্য সদস্যদের অ্যাকাউন্টেও কোটি কোটি টাকার হদিস মিলেছে। এই বিপুল অর্থের উৎস চাকরি বিক্রির টাকা কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে প্রভাবশালী হিসেবে সুজিত জামিন পেলে তদন্ত প্রভাবিত হতে পারে বলেও আদালতে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে ইডি।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত