Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

পাক-লিঙ্ক থেকে হাওয়ালা চক্র! ধৃত প্রদীপ্তর সিমে মিলল পাকিস্তানের ‘যোগসূত্র’

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২২ আগস্ট ২০২৬
পাক-লিঙ্ক থেকে হাওয়ালা চক্র! ধৃত প্রদীপ্তর সিমে মিলল পাকিস্তানের ‘যোগসূত্র’
প্রতীকী ছবি

শিলিগুড়ি: পাক গুপ্তচর সন্দেহে দিল্লি থেকে এসটিএফের জালে ধৃত শিলিগুড়ির বাসিন্দা প্রদীপ্তকুমার সরকার। এবার তাঁকে ঘিরে তদন্তে উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। তদন্তকারীদের দাবি, হাওয়ালা চক্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন প্রদীপ্ত। বাংলাদেশে থাকা পাক গুপ্তচরদের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে,  এমন ব্যক্তিদের কাছে হাওয়ালার মাধ্যমে টাকা পৌঁছে দিতেন তিনি বলে অভিযোগ। 


সূত্রের খবর, এই কাজে একটি বিশেষ মোবাইল সিম ব্যবহার করতেন প্রদীপ্ত। সেই সিমটি পাকিস্তান থেকে পরিচালিত হচ্ছিল। ইতিমধ্যেই উদ্ধার হওয়া সিমটি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছে এসটিএফ। সিমটির মাধ্যমে কার সঙ্গে যোগাযোগ করা হত তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীদের আরও দাবি, নেপালকে করিডোর করে উত্তরবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশ পর্যন্ত হাওয়ালার নেটওয়ার্ক বিস্তৃত ছিল। বাংলাদেশে থাকা কয়েক জন সহযোগীর মাধ্যমে এই কারবার চলত। মাঝেমধ্যে হাওয়ালার টাকার হিসাব সংক্রান্ত কাজে প্রদীপ্তকে বাংলাদেশে যেতে হত বলেও তদন্তে উঠে এসেছে।


এদিকে জালনোট ও সিম কার্ড পাচারের অভিযোগে ইসলামপুর থেকে গ্রেপ্তার ফজলে রাব্বি সিদ্দিককেও জিজ্ঞাসাবাদ করছে এসটিএফ। শুক্রবার দিনহাটা মহকুমা আদালতে তাঁকে তোলা হলে সাত দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়। প্রাথমিক তদন্তে রাব্বির সঙ্গে জালনোট কারবারের যোগ থাকার সন্দেহ করছে এসটিএফ। তাঁর সঙ্গে প্রদীপ্তর কোনও যোগাযোগ ছিল কি না, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।  

বিষয় : Bengal STF Siliguri Coochbehar

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬


পাক-লিঙ্ক থেকে হাওয়ালা চক্র! ধৃত প্রদীপ্তর সিমে মিলল পাকিস্তানের ‘যোগসূত্র’

প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৬

featured Image
শিলিগুড়ি: পাক গুপ্তচর সন্দেহে দিল্লি থেকে এসটিএফের জালে ধৃত শিলিগুড়ির বাসিন্দা প্রদীপ্তকুমার সরকার। এবার তাঁকে ঘিরে তদন্তে উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। তদন্তকারীদের দাবি, হাওয়ালা চক্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন প্রদীপ্ত। বাংলাদেশে থাকা পাক গুপ্তচরদের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে,  এমন ব্যক্তিদের কাছে হাওয়ালার মাধ্যমে টাকা পৌঁছে দিতেন তিনি বলে অভিযোগ। সূত্রের খবর, এই কাজে একটি বিশেষ মোবাইল সিম ব্যবহার করতেন প্রদীপ্ত। সেই সিমটি পাকিস্তান থেকে পরিচালিত হচ্ছিল। ইতিমধ্যেই উদ্ধার হওয়া সিমটি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছে এসটিএফ। সিমটির মাধ্যমে কার সঙ্গে যোগাযোগ করা হত তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীদের আরও দাবি, নেপালকে করিডোর করে উত্তরবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশ পর্যন্ত হাওয়ালার নেটওয়ার্ক বিস্তৃত ছিল। বাংলাদেশে থাকা কয়েক জন সহযোগীর মাধ্যমে এই কারবার চলত। মাঝেমধ্যে হাওয়ালার টাকার হিসাব সংক্রান্ত কাজে প্রদীপ্তকে বাংলাদেশে যেতে হত বলেও তদন্তে উঠে এসেছে।এদিকে জালনোট ও সিম কার্ড পাচারের অভিযোগে ইসলামপুর থেকে গ্রেপ্তার ফজলে রাব্বি সিদ্দিককেও জিজ্ঞাসাবাদ করছে এসটিএফ। শুক্রবার দিনহাটা মহকুমা আদালতে তাঁকে তোলা হলে সাত দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়। প্রাথমিক তদন্তে রাব্বির সঙ্গে জালনোট কারবারের যোগ থাকার সন্দেহ করছে এসটিএফ। তাঁর সঙ্গে প্রদীপ্তর কোনও যোগাযোগ ছিল কি না, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।  

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত