Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

পুজোর ছুটিতে পাহাড়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়ার মুখে! পুজোর মুখে মাথায় হাত ট্যুর অপারেটরদের, বাতিল হচ্ছে বুকিং

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৭ আগস্ট ২০২৬
পুজোর ছুটিতে পাহাড়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়ার মুখে! পুজোর মুখে মাথায় হাত ট্যুর অপারেটরদের, বাতিল হচ্ছে বুকিং
হড়পা বানে বিপর্যস্ত নেপাল। ছবি সংগৃহীত।

শিলিগুড়ি: পুজোর মুখে নেপালের ভয়ানক হড়পা বানের সরাসরি প্রভাব এবার আছড়ে পড়ল উত্তরবঙ্গের পর্যটন শিল্পে। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া পাহাড়ি দেশে ঠিক কতজন পর্যটক আটকে রয়েছেন এবং তাঁদের মধ্যে কতজন বাঙালি, তা নিয়ে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার প্রহর গুনছে গোটা বাংলা। তবে এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের জেরে নেপালের পর্যটন-নির্ভর অর্থনীতির পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের পর্যটনেও যে বড়সড় ধস নামতে চলেছে, তা নিয়ে চরম আশঙ্কায় দিন গুনছেন ব্যবসায়ীরা। উৎসবের মরশুমে সবেমাত্র পুজোর বুকিং শুরু হয়েছিল, কিন্তু প্রকৃতির এই নারকীয় রূপ দেখে এখন বুকিং বাতিলের হিড়িক পড়ার উপক্রম হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের ট্যুরিজম সংগঠনের কর্তা বাচ্চু চৌধুরী স্পষ্ট জানিয়েছেন, নেপালের এই বিপর্যয় বাংলার পর্যটন মহলের কাছেও এক বিরাট আঘাত। বহু বিপর্যয় ও ভূমিকম্প সামলে ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াচ্ছিল নেপালের পর্যটন শিল্প। বাঙালির পুজো ভ্রমণের অন্যতম পছন্দের ঠিকানা ছিল এই প্রতিবেশী দেশ। কিন্তু বিমানভাড়া আকাশছোঁয়া থাকায় মূলত সড়কপথের ওপর নির্ভর করা পর্যটকদের মানসিকতাই এই ভয়াবহ বন্যায় ভেঙে পড়েছে। এর জেরে নেপালমুখী পর্যটকদের বড় অংশ যেমন যাত্রা বাতিল করছেন, তেমনই উত্তরবঙ্গে আসার পরিকল্পনাও কাটছাঁট করতে পারেন বহু পর্যটক।

পরিস্থিতি এতটাই জটিল যে নেপাল টুরিজম বোর্ডের ডিজি রামচন্দ্র তেওয়ারি জানিয়েছেন, বিপর্যয়কবলিত এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন এবং মোবাইল টাওয়ার ভেঙে পড়ায় সঠিক তথ্য সংগ্রহে চরম সমস্যা হচ্ছে। বহু ভারতীয় নিখোঁজ হলেও তাঁদের মধ্যে কলকাতার বাসিন্দা কতজন, তা নিশ্চিত করা এখনও সম্ভব হয়নি; তবে বিশেষ হেল্পলাইন খোলা হয়েছে। অন্যদিকে কলকাতায় অবস্থিত নেপালের কনসাল জেনারেল ঝক্করপ্রসাদ আচারিয়ার দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, হড়পা বানে নুয়াকোট ও ধাদিং জেলা কার্যত ধুয়েমুছে সাফ হয়ে গিয়েছে। বাঙালিদের অত্যন্ত জনপ্রিয় ট্রেকিং রুট গোঁসাইকুণ্ড এবং কৈলাস-মানস সরোবরের যাত্রাপথ ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পাহাড়প্রেমী ও পুণ্যার্থীদের সফর পুরোপুরি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। সব মিলিয়ে পুজোর আগে পাহাড়ের বুকে এই মহা বিপর্যয় গোটা অঞ্চলের পর্যটন বাণিজ্যে বড়সড় আর্থিক মন্দার কালো মেঘ ডেকে এনেছে।


হিডেন স্টোরিজ নিউজ

বিষয় : HiddenStoriesNews bengaltourism siligurinews NorthBengalTourism NepalFloodImpact PujaTravelCrisis TourOperatorsCrisis Gosainkunda KailashMansarovarRoute

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬


পুজোর ছুটিতে পাহাড়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়ার মুখে! পুজোর মুখে মাথায় হাত ট্যুর অপারেটরদের, বাতিল হচ্ছে বুকিং

প্রকাশের তারিখ : ২৭ আগস্ট ২০২৬

featured Image
শিলিগুড়ি: পুজোর মুখে নেপালের ভয়ানক হড়পা বানের সরাসরি প্রভাব এবার আছড়ে পড়ল উত্তরবঙ্গের পর্যটন শিল্পে। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া পাহাড়ি দেশে ঠিক কতজন পর্যটক আটকে রয়েছেন এবং তাঁদের মধ্যে কতজন বাঙালি, তা নিয়ে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার প্রহর গুনছে গোটা বাংলা। তবে এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের জেরে নেপালের পর্যটন-নির্ভর অর্থনীতির পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের পর্যটনেও যে বড়সড় ধস নামতে চলেছে, তা নিয়ে চরম আশঙ্কায় দিন গুনছেন ব্যবসায়ীরা। উৎসবের মরশুমে সবেমাত্র পুজোর বুকিং শুরু হয়েছিল, কিন্তু প্রকৃতির এই নারকীয় রূপ দেখে এখন বুকিং বাতিলের হিড়িক পড়ার উপক্রম হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের ট্যুরিজম সংগঠনের কর্তা বাচ্চু চৌধুরী স্পষ্ট জানিয়েছেন, নেপালের এই বিপর্যয় বাংলার পর্যটন মহলের কাছেও এক বিরাট আঘাত। বহু বিপর্যয় ও ভূমিকম্প সামলে ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াচ্ছিল নেপালের পর্যটন শিল্প। বাঙালির পুজো ভ্রমণের অন্যতম পছন্দের ঠিকানা ছিল এই প্রতিবেশী দেশ। কিন্তু বিমানভাড়া আকাশছোঁয়া থাকায় মূলত সড়কপথের ওপর নির্ভর করা পর্যটকদের মানসিকতাই এই ভয়াবহ বন্যায় ভেঙে পড়েছে। এর জেরে নেপালমুখী পর্যটকদের বড় অংশ যেমন যাত্রা বাতিল করছেন, তেমনই উত্তরবঙ্গে আসার পরিকল্পনাও কাটছাঁট করতে পারেন বহু পর্যটক।পরিস্থিতি এতটাই জটিল যে নেপাল টুরিজম বোর্ডের ডিজি রামচন্দ্র তেওয়ারি জানিয়েছেন, বিপর্যয়কবলিত এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন এবং মোবাইল টাওয়ার ভেঙে পড়ায় সঠিক তথ্য সংগ্রহে চরম সমস্যা হচ্ছে। বহু ভারতীয় নিখোঁজ হলেও তাঁদের মধ্যে কলকাতার বাসিন্দা কতজন, তা নিশ্চিত করা এখনও সম্ভব হয়নি; তবে বিশেষ হেল্পলাইন খোলা হয়েছে। অন্যদিকে কলকাতায় অবস্থিত নেপালের কনসাল জেনারেল ঝক্করপ্রসাদ আচারিয়ার দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, হড়পা বানে নুয়াকোট ও ধাদিং জেলা কার্যত ধুয়েমুছে সাফ হয়ে গিয়েছে। বাঙালিদের অত্যন্ত জনপ্রিয় ট্রেকিং রুট গোঁসাইকুণ্ড এবং কৈলাস-মানস সরোবরের যাত্রাপথ ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পাহাড়প্রেমী ও পুণ্যার্থীদের সফর পুরোপুরি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। সব মিলিয়ে পুজোর আগে পাহাড়ের বুকে এই মহা বিপর্যয় গোটা অঞ্চলের পর্যটন বাণিজ্যে বড়সড় আর্থিক মন্দার কালো মেঘ ডেকে এনেছে।হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত