Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

বিরোধী দলনেতার কুর্সিতে কে? বিরোধী দলনেতা মামলায় হাই কোর্টের রায়ে নতুন মোড়

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৮ আগস্ট ২০২৬
বিরোধী দলনেতার কুর্সিতে কে? বিরোধী দলনেতা মামলায় হাই কোর্টের রায়ে নতুন মোড়
ছবি সংগৃহীত

কলকাতাঃ বিরোধী দলনেতার পদ নিয়ে চলা মামলায় বড় ধাক্কা খেল কালীঘাট তৃণমূল। মঙ্গলবার হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ স্পিকারের সিদ্ধান্তে আপাতত হস্তক্ষেপ করল না। ফলে আগামী দু’মাস বিরোধী দলনেতার পদে বহাল থাকছেন ‘আসল তৃণমূল’-এর ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।

বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বেছে নিয়েছিলেন বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু। সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়কের সমর্থনের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বলে জানানো হয়। এর বিরোধিতা করে কালীঘাট তৃণমূলের তরফে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার দাবি জানিয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন শোভনদেব। মঙ্গলবার বিচারপতি শম্পা সরকার ও অজয়কুমার গুপ্তার ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটি ওঠে। শুনানিতে আদালত জানায়, এই মুহূর্তে স্পিকারের সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে না। মামলাটি ফের সিঙ্গল বেঞ্চে পাঠানো হয়েছে। আগামী দু’মাসের মধ্যে সিঙ্গল বেঞ্চকে মূল মামলার নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ।


বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই বিরোধী দলনেতার পদ নিয়ে কালীঘাট তৃণমূল এবং ‘আসল তৃণমূল’-এর মধ্যে টানাপোড়েন শুরু হয়। স্পিকার ঋতব্রতর পক্ষেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর বিষয়টি আদালতে গড়ায়। তবে মঙ্গলবার ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট করে দিয়েছে, এই মুহূর্তে তারা স্পিকারের সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করবে না। ফলে অন্তত আগামী দু’মাসের জন্য বিরোধী দলনেতার কুর্সিতে থাকছেন ঋতব্রতই। তবে সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ের পর পরিস্থিতি বদলাতে পারে।

বিষয় : Ritabrata Banerjee Sovandeb Chattopadhyay

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬


বিরোধী দলনেতার কুর্সিতে কে? বিরোধী দলনেতা মামলায় হাই কোর্টের রায়ে নতুন মোড়

প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬

featured Image
কলকাতাঃ বিরোধী দলনেতার পদ নিয়ে চলা মামলায় বড় ধাক্কা খেল কালীঘাট তৃণমূল। মঙ্গলবার হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ স্পিকারের সিদ্ধান্তে আপাতত হস্তক্ষেপ করল না। ফলে আগামী দু’মাস বিরোধী দলনেতার পদে বহাল থাকছেন ‘আসল তৃণমূল’-এর ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বেছে নিয়েছিলেন বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু। সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়কের সমর্থনের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বলে জানানো হয়। এর বিরোধিতা করে কালীঘাট তৃণমূলের তরফে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার দাবি জানিয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন শোভনদেব। মঙ্গলবার বিচারপতি শম্পা সরকার ও অজয়কুমার গুপ্তার ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটি ওঠে। শুনানিতে আদালত জানায়, এই মুহূর্তে স্পিকারের সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে না। মামলাটি ফের সিঙ্গল বেঞ্চে পাঠানো হয়েছে। আগামী দু’মাসের মধ্যে সিঙ্গল বেঞ্চকে মূল মামলার নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ।বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই বিরোধী দলনেতার পদ নিয়ে কালীঘাট তৃণমূল এবং ‘আসল তৃণমূল’-এর মধ্যে টানাপোড়েন শুরু হয়। স্পিকার ঋতব্রতর পক্ষেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর বিষয়টি আদালতে গড়ায়। তবে মঙ্গলবার ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট করে দিয়েছে, এই মুহূর্তে তারা স্পিকারের সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করবে না। ফলে অন্তত আগামী দু’মাসের জন্য বিরোধী দলনেতার কুর্সিতে থাকছেন ঋতব্রতই। তবে সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ের পর পরিস্থিতি বদলাতে পারে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত