কাকিনাড়া: চরম মানসিক অবসাদ ও লাগাতার হেনস্থার জেরে স্ত্রী ও কন্যাকে সঙ্গে নিয়ে গোদাবরী নদীতে ঝাঁপ দিলেন এক ইঞ্জিনিয়ার। অন্ধ্রপ্রদেশের রাজামাহেন্দ্রী রেলসেতু থেকে সপরিবার এই মর্মান্তিক আত্মহত্যার ঘটনায় ইঞ্জিনিয়ার থিলাপুরী নুকারাজু, তাঁর স্ত্রী মীনা এবং মেয়ে সৌজন্যর মৃত্যু হয়েছে। যদিও সৌভাগ্যবশত তাঁর দশ বছরের নাতিকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করেন স্থানীয় মৎস্যজীবীরা। মৃত্যুর আগে ফেলে যাওয়া সুইসাইড নোটে এই চরম পরিণতির জন্য রাইফেল শুটিং কোচ শেখ সাদিক খানকে সরাসরি দায়ী করে গিয়েছেন মৃত ইঞ্জিনিয়ার, যার জেরে দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে।
তদন্তে নেমে কাকিনাড়া জেলা পুলিশ জানতে পারে, গত দু’বছরেরও বেশি সময় ধরে ওই কোচের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ পরিচয় ছিল নুকারাজুর। কিন্তু বেশ কিছুদিন ধরে বিভিন্ন কারণে ইঞ্জিনিয়ারকে তীব্র মানসিক চাপ ও হেনস্থা করছিলেন সাদিক। ঘটনার পর থেকেই এলাকা ছেড়ে গা ঢাকা দিয়েছিলেন অভিযুক্ত কোচ। অবশেষে পুলিশ তাঁর ডিজিটাল লেনদেনের সূত্র ধরে এবং ফোন বন্ধ থাকার পরও আধুনিক নজরদারির মাধ্যমে উত্তরপ্রদেশের মেরঠ থেকে তাঁকে পাকড়াও করে। কাকিনাড়ার পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, পাঁচটি রাজ্যে তল্লাশি চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ট্রানজিট রিমান্ডে অন্ধ্রপ্রদেশে এনে তাঁকে জেরা করে এই ভয়াবহ ঘটনার মূল কারণ জানার চেষ্টা চলছে।
হিডেন স্টোরিজ নিউজ

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬

আপনার মতামত লিখুন