Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

হাসিনাকে কি তুলে দেওয়া হবে ঢাকার হাতে? ফাঁসির পরোয়ানার মাঝেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ভারতের আদালত, তুঙ্গে দ্বিপাক্ষিক তরজা!

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৬ আগস্ট ২০২৬
হাসিনাকে কি তুলে দেওয়া হবে ঢাকার হাতে? ফাঁসির পরোয়ানার মাঝেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ভারতের আদালত, তুঙ্গে দ্বিপাক্ষিক তরজা!
ফাইল চিত্র

নয়াদিল্লি: বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ঘিরে ভারত ও বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের জল ক্রমশ ঘোরালো হচ্ছে। নয়াদিল্লির আশ্রয়ে থাকা হাসিনার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে ফাঁসির সাজা ও মৃত্যু পরোয়ানা জারি করা হলেও, ডিসেম্বরের বিজয়ের মাসেই স্বদেশে ফেরার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন তিনি। এই আবহে তাঁকে ঢাকার হাতে প্রত্যর্পণ করার জন্য তারেক রহমান সরকারের তরফে ভারতের কাছে আবেদন জানানো হয়েছিল। তবে এই স্পর্শকাতর বিষয়ে কোনো কূটনৈতিক বা রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে নয়, চূড়ান্ত সিলমোহর দেবে ভারতের আদালত। ইতিমধ্যেই এই প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া ও আইনি দিকগুলো নিয়ে দুই দেশের শীর্ষস্তরে দফায় দফায় আলোচনা শুরু হয়েছে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকেই ভারতে অবস্থান করছেন শেখ হাসিনা। সম্প্রতি দিল্লি থেকে এক ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে অত্যন্ত দৃঢ়কণ্ঠে তিনি জানিয়েছেন, ফাঁসির আদেশ মাথায় নিয়েই আগামী ডিসেম্বরে তিনি বাংলাদেশে ফিরবেন। তাঁর এই বক্তব্যের পর থেকেই আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে শোরগোল শুরু হয়েছে। এর মাঝেই আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরে আসার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে তাঁর দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়টি নতুন করে তোলা হবে কি না, তা নিয়ে জোর জল্পনা চলছে।

সরকারি সূত্রের খবর, প্রত্যর্পণের বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে ভারতের আইনি কাঠামোর ওপর নির্ভর করছে। এক পদস্থ সরকারি আধিকারিকের বক্তব্য অনুযায়ী, এটি স্রেফ কোনো রাজনৈতিক বোঝাপড়ার বিষয় নয়। ভারতীয় আদালত খতিয়ে দেখবে, হাসিনার বিরুদ্ধে ওপার বাংলায় ওঠা অভিযোগগুলির ভিত্তি কতটা পোক্ত এবং সেগুলি ভারতীয় আইনি বিধির আওতায় আদৌ প্রত্যর্পণযোগ্য কি না। সমস্ত নথি ও অভিযোগের সত্যতা যাচাই করার পরেই প্রত্যর্পণ সংক্রান্ত চূড়ান্ত নির্দেশ দেবে দেশের আদালত। গোটা পরিস্থিতির ওপর এখন কড়া নজর রাখছে আন্তর্জাতিক ও কূটনৈতিক মহল।


হিডেন স্টোরিজ নিউজ

বিষয় : BreakingNews internationalrelations HiddenStoriesNews sheikhhasina IndiaBangladesh Extradition DelhiDiplomacy

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬


হাসিনাকে কি তুলে দেওয়া হবে ঢাকার হাতে? ফাঁসির পরোয়ানার মাঝেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ভারতের আদালত, তুঙ্গে দ্বিপাক্ষিক তরজা!

প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬

featured Image
নয়াদিল্লি: বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ঘিরে ভারত ও বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের জল ক্রমশ ঘোরালো হচ্ছে। নয়াদিল্লির আশ্রয়ে থাকা হাসিনার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে ফাঁসির সাজা ও মৃত্যু পরোয়ানা জারি করা হলেও, ডিসেম্বরের বিজয়ের মাসেই স্বদেশে ফেরার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন তিনি। এই আবহে তাঁকে ঢাকার হাতে প্রত্যর্পণ করার জন্য তারেক রহমান সরকারের তরফে ভারতের কাছে আবেদন জানানো হয়েছিল। তবে এই স্পর্শকাতর বিষয়ে কোনো কূটনৈতিক বা রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে নয়, চূড়ান্ত সিলমোহর দেবে ভারতের আদালত। ইতিমধ্যেই এই প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া ও আইনি দিকগুলো নিয়ে দুই দেশের শীর্ষস্তরে দফায় দফায় আলোচনা শুরু হয়েছে।২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকেই ভারতে অবস্থান করছেন শেখ হাসিনা। সম্প্রতি দিল্লি থেকে এক ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে অত্যন্ত দৃঢ়কণ্ঠে তিনি জানিয়েছেন, ফাঁসির আদেশ মাথায় নিয়েই আগামী ডিসেম্বরে তিনি বাংলাদেশে ফিরবেন। তাঁর এই বক্তব্যের পর থেকেই আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে শোরগোল শুরু হয়েছে। এর মাঝেই আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরে আসার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে তাঁর দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়টি নতুন করে তোলা হবে কি না, তা নিয়ে জোর জল্পনা চলছে।সরকারি সূত্রের খবর, প্রত্যর্পণের বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে ভারতের আইনি কাঠামোর ওপর নির্ভর করছে। এক পদস্থ সরকারি আধিকারিকের বক্তব্য অনুযায়ী, এটি স্রেফ কোনো রাজনৈতিক বোঝাপড়ার বিষয় নয়। ভারতীয় আদালত খতিয়ে দেখবে, হাসিনার বিরুদ্ধে ওপার বাংলায় ওঠা অভিযোগগুলির ভিত্তি কতটা পোক্ত এবং সেগুলি ভারতীয় আইনি বিধির আওতায় আদৌ প্রত্যর্পণযোগ্য কি না। সমস্ত নথি ও অভিযোগের সত্যতা যাচাই করার পরেই প্রত্যর্পণ সংক্রান্ত চূড়ান্ত নির্দেশ দেবে দেশের আদালত। গোটা পরিস্থিতির ওপর এখন কড়া নজর রাখছে আন্তর্জাতিক ও কূটনৈতিক মহল।হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত