Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

অডিও রেকর্ডিংয়ের সূত্র ধরে ম্যারাথন জেরা, নজরে অভিষেকের সংস্থার লেনদেন

অডিও রেকর্ডিংয়ের সূত্র ধরে ম্যারাথন জেরা, নজরে অভিষেকের সংস্থার লেনদেন
ছবি সংগৃহীত

প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে এবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যুক্ত ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’ সংস্থার আর্থিক লেনদেনের নথি তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। পাশাপাশি সংস্থার সম্পত্তি সংক্রান্ত তথ্যও চাওয়া হয়েছে বলে তদন্তকারী সূত্রে খবর।

সোমবার প্রায় ১১ ঘণ্টা ধরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করেন ইডি আধিকারিকরা। সূত্রের দাবি, তদন্ত চলাকালীন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের ক্ষেত্রে স্পষ্ট উত্তর পাওয়া যায়নি। এমনকী তদন্তে তিনি সম্পূর্ণ সহযোগিতা করেননি বলেও অভিযোগ উঠেছে। যদিও এই বিষয়ে এখনও ইডির তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।



তদন্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হয়ে উঠেছে একটি ১৫ মিনিটের অডিও রেকর্ডিং। ইডির চার্জশিটেও যার উল্লেখ রয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, ২০১৭ সালে বেহালায় ‘কালীঘাটের কাকু’ নামে পরিচিত সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের বাড়িতে একটি বৈঠক হয়েছিল। সেখানে নিয়োগ সংক্রান্ত আর্থিক লেনদেন এবং টাকা ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনা হয়েছিল বলে অভিযোগ।

সূত্রের খবর, ওই কথোপকথনে একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে। নিয়োগের বিনিময়ে বিপুল অঙ্কের অর্থ লেনদেন, সেই অর্থ সংগ্রহ ও বণ্টন নিয়ে বিভিন্ন দাবি রয়েছে তদন্তকারী সংস্থার কাছে। সেই অডিওর সত্যতা যাচাই এবং তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন তথ্য মিলিয়ে দেখতেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দীর্ঘক্ষণ জেরা করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।



উল্লেখ্য, এই মামলায় ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার হয়েছেন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র, শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কুন্তল ঘোষ। তদন্তকারীদের হাতে থাকা অডিও রেকর্ডিংয়ের ফরেনসিক পরীক্ষাও করা হয়েছে বলে সূত্রের দাবি। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, “সকাল ১১টার আগে এসেছি। ১১ ঘণ্টা আমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। এই ঘটনায় আমাকে শেষবার ডাকা হয়েছিল ২০২৩ সালে। আমি তখনও এসেছিলাম। সব মিলিয়ে ১০-১২ বার আমি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সামনে উপস্থিত হয়েছি। আমার সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্য করেছি।”  

বিষয় : ED TMC BengalPolitics AbhishekBanerjee

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬


অডিও রেকর্ডিংয়ের সূত্র ধরে ম্যারাথন জেরা, নজরে অভিষেকের সংস্থার লেনদেন

প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬

featured Image
প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে এবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যুক্ত ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’ সংস্থার আর্থিক লেনদেনের নথি তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। পাশাপাশি সংস্থার সম্পত্তি সংক্রান্ত তথ্যও চাওয়া হয়েছে বলে তদন্তকারী সূত্রে খবর।সোমবার প্রায় ১১ ঘণ্টা ধরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করেন ইডি আধিকারিকরা। সূত্রের দাবি, তদন্ত চলাকালীন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের ক্ষেত্রে স্পষ্ট উত্তর পাওয়া যায়নি। এমনকী তদন্তে তিনি সম্পূর্ণ সহযোগিতা করেননি বলেও অভিযোগ উঠেছে। যদিও এই বিষয়ে এখনও ইডির তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।তদন্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হয়ে উঠেছে একটি ১৫ মিনিটের অডিও রেকর্ডিং। ইডির চার্জশিটেও যার উল্লেখ রয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, ২০১৭ সালে বেহালায় ‘কালীঘাটের কাকু’ নামে পরিচিত সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের বাড়িতে একটি বৈঠক হয়েছিল। সেখানে নিয়োগ সংক্রান্ত আর্থিক লেনদেন এবং টাকা ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনা হয়েছিল বলে অভিযোগ।সূত্রের খবর, ওই কথোপকথনে একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে। নিয়োগের বিনিময়ে বিপুল অঙ্কের অর্থ লেনদেন, সেই অর্থ সংগ্রহ ও বণ্টন নিয়ে বিভিন্ন দাবি রয়েছে তদন্তকারী সংস্থার কাছে। সেই অডিওর সত্যতা যাচাই এবং তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন তথ্য মিলিয়ে দেখতেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দীর্ঘক্ষণ জেরা করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।উল্লেখ্য, এই মামলায় ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার হয়েছেন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র, শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কুন্তল ঘোষ। তদন্তকারীদের হাতে থাকা অডিও রেকর্ডিংয়ের ফরেনসিক পরীক্ষাও করা হয়েছে বলে সূত্রের দাবি। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, “সকাল ১১টার আগে এসেছি। ১১ ঘণ্টা আমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। এই ঘটনায় আমাকে শেষবার ডাকা হয়েছিল ২০২৩ সালে। আমি তখনও এসেছিলাম। সব মিলিয়ে ১০-১২ বার আমি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সামনে উপস্থিত হয়েছি। আমার সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্য করেছি।”  

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার