Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

পুলিশ হেফাজতের ৭২ ঘণ্টা পেরোতেই বড় সিদ্ধান্ত, সাসপেন্ড ফিরহাদের ‘ঘনিষ্ঠ’ কালীচরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০১ জুলাই ২০২৬
পুলিশ হেফাজতের ৭২ ঘণ্টা পেরোতেই বড় সিদ্ধান্ত, সাসপেন্ড ফিরহাদের ‘ঘনিষ্ঠ’ কালীচরণ
ছবি--প্রতীকী

তারাতলা কাণ্ডে তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে নতুন নতুন মোড়। এবার কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের প্রাক্তন ওএসডি কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাময়িকভাবে সাসপেন্ড করল কলকাতা পুরসভা। বর্তমানে তিনি পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, ৭২ ঘণ্টার বেশি পুলিশ হেফাজতে থাকায় তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তবে আইনি প্রক্রিয়ায় নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে পারলে ভবিষ্যতে ফের কাজে যোগ দেওয়ার সুযোগ থাকবে।


তারাতলা বিপর্যয়ের তদন্তে কালীচরণের নাম প্রথম প্রকাশ্যে আনেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিধানসভায় নথি তুলে ধরে তিনি অভিযোগ করেছিলেন, “ক্যামাক স্ট্রিটের নির্দেশেই কালীকে পুরসভায় আনা হয়েছিল। কলকাতার এমন কোনও বিল্ডিং নেই, যার বিষয়ে কালী জানত না।” এরপরই তদন্তে গতি আসে এবং কালীচরণকে গ্রেপ্তার করে বিশেষ তদন্তকারী দল SIT। গ্রেপ্তারির পর কালীচরণকে নিয়ে তাঁর হাওড়ার বাড়িতেও তল্লাশি চালান তদন্তকারীরা। 


তাঁদের অনুমান ছিল, সেখানে বিল্ডিং প্ল্যান বা অনুমোদন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ নথি মিলতে পারে। পাশাপাশি একাধিক দফায় জিজ্ঞাসাবাদে প্ল্যান অনুমোদনের প্রক্রিয়া, নজরদারি ব্যবস্থা, আর্থিক লেনদেন এবং অন্য কারা এই চক্রে জড়িত থাকতে পারেন তা জানতে চাওয়া হলেও তদন্তকারীদের দাবি, কালীচরণ কোনও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেননি।


ডাঃ বিধানচন্দ্র রায়ের আদর্শ আজও বাংলার পথপ্রদর্শক: বিধানসভার স্পিকার রথীন বসু


উল্লেখ্য, প্রশাসনিক মহলে কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে দীর্ঘদিন ধরেই অত্যন্ত প্রভাবশালী আধিকারিক হিসেবে দেখা হতো। ২০০৩ সালে ওয়েস্ট বেঙ্গল সিভিল সার্ভিস (WBCS) পরীক্ষায় রাজ্যে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন তিনি। পরে ওয়েস্ট বেঙ্গল পুলিশ সার্ভিস পরীক্ষায় প্রথম হলেও শেষ পর্যন্ত পুলিশে যোগ না দিয়ে ভূমি রাজস্ব দপ্তরে ফিরে যান।


 ২০১০ সালে কলকাতা পুরসভায় যোগ দেওয়ার পর ফিরহাদ হাকিমের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে দ্রুত গুরুত্ব বাড়তে থাকে তাঁর। পরে ফিরহাদ মেয়র হলে তাঁকে ওএসডি করা হয়। পুরসভার একাংশের দাবি, গুরুত্বপূর্ণ ফাইল থেকে বিল্ডিং সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত—সব ক্ষেত্রেই কালীচরণের প্রভাব ছিল প্রবল। এমন অভিযোগও রয়েছে, তাঁর অনুমতি ছাড়া ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে দেখা করাও সহজ ছিল না।

বিষয় : PoliticalUpdate westbengaltmc Firhad Hakim KMC taratalaincident

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬


পুলিশ হেফাজতের ৭২ ঘণ্টা পেরোতেই বড় সিদ্ধান্ত, সাসপেন্ড ফিরহাদের ‘ঘনিষ্ঠ’ কালীচরণ

প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬

featured Image
তারাতলা কাণ্ডে তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে নতুন নতুন মোড়। এবার কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের প্রাক্তন ওএসডি কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাময়িকভাবে সাসপেন্ড করল কলকাতা পুরসভা। বর্তমানে তিনি পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, ৭২ ঘণ্টার বেশি পুলিশ হেফাজতে থাকায় তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তবে আইনি প্রক্রিয়ায় নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে পারলে ভবিষ্যতে ফের কাজে যোগ দেওয়ার সুযোগ থাকবে।তারাতলা বিপর্যয়ের তদন্তে কালীচরণের নাম প্রথম প্রকাশ্যে আনেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিধানসভায় নথি তুলে ধরে তিনি অভিযোগ করেছিলেন, “ক্যামাক স্ট্রিটের নির্দেশেই কালীকে পুরসভায় আনা হয়েছিল। কলকাতার এমন কোনও বিল্ডিং নেই, যার বিষয়ে কালী জানত না।” এরপরই তদন্তে গতি আসে এবং কালীচরণকে গ্রেপ্তার করে বিশেষ তদন্তকারী দল SIT। গ্রেপ্তারির পর কালীচরণকে নিয়ে তাঁর হাওড়ার বাড়িতেও তল্লাশি চালান তদন্তকারীরা। তাঁদের অনুমান ছিল, সেখানে বিল্ডিং প্ল্যান বা অনুমোদন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ নথি মিলতে পারে। পাশাপাশি একাধিক দফায় জিজ্ঞাসাবাদে প্ল্যান অনুমোদনের প্রক্রিয়া, নজরদারি ব্যবস্থা, আর্থিক লেনদেন এবং অন্য কারা এই চক্রে জড়িত থাকতে পারেন তা জানতে চাওয়া হলেও তদন্তকারীদের দাবি, কালীচরণ কোনও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেননি।ডাঃ বিধানচন্দ্র রায়ের আদর্শ আজও বাংলার পথপ্রদর্শক: বিধানসভার স্পিকার রথীন বসুউল্লেখ্য, প্রশাসনিক মহলে কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে দীর্ঘদিন ধরেই অত্যন্ত প্রভাবশালী আধিকারিক হিসেবে দেখা হতো। ২০০৩ সালে ওয়েস্ট বেঙ্গল সিভিল সার্ভিস (WBCS) পরীক্ষায় রাজ্যে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন তিনি। পরে ওয়েস্ট বেঙ্গল পুলিশ সার্ভিস পরীক্ষায় প্রথম হলেও শেষ পর্যন্ত পুলিশে যোগ না দিয়ে ভূমি রাজস্ব দপ্তরে ফিরে যান। ২০১০ সালে কলকাতা পুরসভায় যোগ দেওয়ার পর ফিরহাদ হাকিমের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে দ্রুত গুরুত্ব বাড়তে থাকে তাঁর। পরে ফিরহাদ মেয়র হলে তাঁকে ওএসডি করা হয়। পুরসভার একাংশের দাবি, গুরুত্বপূর্ণ ফাইল থেকে বিল্ডিং সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত—সব ক্ষেত্রেই কালীচরণের প্রভাব ছিল প্রবল। এমন অভিযোগও রয়েছে, তাঁর অনুমতি ছাড়া ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে দেখা করাও সহজ ছিল না।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার