Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

১০ দিনে খুলছে ১৮ জুটমিল! অর্জুন সিংয়ের মহা-উদ্যোগে কাজে ফিরছেন হাজার হাজার শ্রমিক

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০১ জুলাই ২০২৬
১০ দিনে খুলছে ১৮ জুটমিল! অর্জুন সিংয়ের মহা-উদ্যোগে কাজে ফিরছেন হাজার হাজার শ্রমিক
ছবি সংগৃহীত

কলকাতা: ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চল থেকে শুরু করে হাওড়ার জুটমিল পাড়া—দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা চটকলগুলির ভবিষ্যৎ নিয়ে অবশেষে কাটল বড়সড় জট। রাজ্যের বন্ধ জুটমিলগুলিকে দ্রুত উৎপাদনে ফেরাতে এবং হাজার হাজার শ্রমিকের মুখে হাসি ফোটাতে এবার কোমর বেঁধে ময়দানে নেমেছেন রাজ্যের নতুন শ্রমমন্ত্রী অর্জুন সিং। আগামী ১০ জুলাইয়ের মধ্যে রাজ্যের অন্তত ১৮টি বন্ধ জুটমিল পুনরায় চালু করার এক বিশাল লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছেন তিনি। এই লক্ষ্য পূরণে একের পর এক ম্যারাথন ত্রিপাক্ষিক বৈঠক শুরু করেছে শ্রম দপ্তর। ইতিমধ্যেই মন্ত্রী অর্জুন সিং এবং শ্রম দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী ভাস্কর ভট্টাচার্যের উপস্থিতিতে হওয়া বৈঠকে একাধিক মিল খোলার বিষয়ে ঐকমত্য তৈরি হয়েছে, যা রাজ্যের শিল্প মহলে এক বড়সড় ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।


শ্রম দপ্তরের লাগাতার আলোচনার সুফল মিলতে শুরু করেছে চলতি সপ্তাহের শুরু থেকেই। বরানগর জুটমিল, জগদ্দল জুট ইন্ডাস্ট্রিজ এবং এমকো জুটমিল চালুর বিষয়ে মালিকপক্ষ ও শ্রমিক সংগঠনগুলির মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়ে গিয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবারই এই মিলগুলির কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে নোটিস জারি করতে চলেছে। এরপর মাত্র কয়েক দিনের রক্ষণাবেক্ষণের কাজ শেষ করেই চটকলগুলিতে পুরোদমে উৎপাদন শুরু হবে, যার ফলে একধাক্কায় প্রায় সাড়ে ৭ হাজার শ্রমিক আবার তাঁদের পুরনো রুজি-রুটিতে ফিরে পাওয়ার সুযোগ পাবেন। এর পাশাপাশি ১ জুলাই থেকেই চালু হয়ে যাচ্ছে কাঁকিনাড়া জুটমিল এবং আগামী ৩ জুলাই থেকে খুলবে নৈহাটি জুটমিল। জগদ্দলের অ্যালায়েন্স জুটমিলটি ইতিমধ্যেই খুলে যাওয়ায় ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক পরিবারগুলিতে এখন খুশির হাওয়া।


ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের পাশাপাশি হাওড়ার দাশনগরের বন্ধ থাকা ভারত জুটমিল নিয়েও তৎপরতা দেখিয়েছেন শ্রমমন্ত্রী। সেখানে শ্রমিকদের বকেয়া বেতন, গ্র্যাচুইটি ও পিএফ-এর মতো আইনি প্রাপ্য খতিয়ে দেখতে অবিলম্বে পরিদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে শ্রমমন্ত্রী অর্জুন সিং স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, আগামী ১০ তারিখের মধ্যে ১৮টি জুটমিল খোলার লক্ষ্য নিয়ে জুট কমিশনার, পিএফ, ইএসআই এবং ফ্যাক্টরি ইন্সপেক্টরদের সঙ্গে বড় বৈঠক ডাকা হচ্ছে। তবে এর পাশাপাশি সব পক্ষকে কড়া বার্তাও দিয়েছেন তিনি। তাঁর মতে, ইউনিয়ন, ম্যানেজমেন্ট এবং শ্রমিক—সব পক্ষকে ভারসাম্য রেখে চলতে হবে। শ্রমিকদের যেমন দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে হবে, তেমনই মালিকপক্ষও শুধু কাজ করিয়ে নিজেদের দায়িত্ব এড়াতে পারবে না।

বিষয় : arjunsingh bengalindustry bengaljutemill labourwelfare

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬


১০ দিনে খুলছে ১৮ জুটমিল! অর্জুন সিংয়ের মহা-উদ্যোগে কাজে ফিরছেন হাজার হাজার শ্রমিক

প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬

featured Image
কলকাতা: ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চল থেকে শুরু করে হাওড়ার জুটমিল পাড়া—দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা চটকলগুলির ভবিষ্যৎ নিয়ে অবশেষে কাটল বড়সড় জট। রাজ্যের বন্ধ জুটমিলগুলিকে দ্রুত উৎপাদনে ফেরাতে এবং হাজার হাজার শ্রমিকের মুখে হাসি ফোটাতে এবার কোমর বেঁধে ময়দানে নেমেছেন রাজ্যের নতুন শ্রমমন্ত্রী অর্জুন সিং। আগামী ১০ জুলাইয়ের মধ্যে রাজ্যের অন্তত ১৮টি বন্ধ জুটমিল পুনরায় চালু করার এক বিশাল লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছেন তিনি। এই লক্ষ্য পূরণে একের পর এক ম্যারাথন ত্রিপাক্ষিক বৈঠক শুরু করেছে শ্রম দপ্তর। ইতিমধ্যেই মন্ত্রী অর্জুন সিং এবং শ্রম দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী ভাস্কর ভট্টাচার্যের উপস্থিতিতে হওয়া বৈঠকে একাধিক মিল খোলার বিষয়ে ঐকমত্য তৈরি হয়েছে, যা রাজ্যের শিল্প মহলে এক বড়সড় ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।শ্রম দপ্তরের লাগাতার আলোচনার সুফল মিলতে শুরু করেছে চলতি সপ্তাহের শুরু থেকেই। বরানগর জুটমিল, জগদ্দল জুট ইন্ডাস্ট্রিজ এবং এমকো জুটমিল চালুর বিষয়ে মালিকপক্ষ ও শ্রমিক সংগঠনগুলির মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়ে গিয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবারই এই মিলগুলির কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে নোটিস জারি করতে চলেছে। এরপর মাত্র কয়েক দিনের রক্ষণাবেক্ষণের কাজ শেষ করেই চটকলগুলিতে পুরোদমে উৎপাদন শুরু হবে, যার ফলে একধাক্কায় প্রায় সাড়ে ৭ হাজার শ্রমিক আবার তাঁদের পুরনো রুজি-রুটিতে ফিরে পাওয়ার সুযোগ পাবেন। এর পাশাপাশি ১ জুলাই থেকেই চালু হয়ে যাচ্ছে কাঁকিনাড়া জুটমিল এবং আগামী ৩ জুলাই থেকে খুলবে নৈহাটি জুটমিল। জগদ্দলের অ্যালায়েন্স জুটমিলটি ইতিমধ্যেই খুলে যাওয়ায় ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক পরিবারগুলিতে এখন খুশির হাওয়া।ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের পাশাপাশি হাওড়ার দাশনগরের বন্ধ থাকা ভারত জুটমিল নিয়েও তৎপরতা দেখিয়েছেন শ্রমমন্ত্রী। সেখানে শ্রমিকদের বকেয়া বেতন, গ্র্যাচুইটি ও পিএফ-এর মতো আইনি প্রাপ্য খতিয়ে দেখতে অবিলম্বে পরিদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে শ্রমমন্ত্রী অর্জুন সিং স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, আগামী ১০ তারিখের মধ্যে ১৮টি জুটমিল খোলার লক্ষ্য নিয়ে জুট কমিশনার, পিএফ, ইএসআই এবং ফ্যাক্টরি ইন্সপেক্টরদের সঙ্গে বড় বৈঠক ডাকা হচ্ছে। তবে এর পাশাপাশি সব পক্ষকে কড়া বার্তাও দিয়েছেন তিনি। তাঁর মতে, ইউনিয়ন, ম্যানেজমেন্ট এবং শ্রমিক—সব পক্ষকে ভারসাম্য রেখে চলতে হবে। শ্রমিকদের যেমন দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে হবে, তেমনই মালিকপক্ষও শুধু কাজ করিয়ে নিজেদের দায়িত্ব এড়াতে পারবে না।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার