Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

ইছামতীর পাড়ে ধুন্ধুমার! আদালতের নির্দেশে বিলাসবহুল হোটেলে চলল বুলডোজার, বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘিরে ফেলল টাকি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০১ জুলাই ২০২৬
ইছামতীর পাড়ে ধুন্ধুমার! আদালতের নির্দেশে বিলাসবহুল হোটেলে চলল বুলডোজার, বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘিরে ফেলল টাকি
ছবি--প্রতীকী

টাকি: সরকারি জমি দখল করে রমরমিয়ে হোটেল ব্যবসা চালানোর দিন এবার শেষ। কলকাতা হাই কোর্টের কড়া নির্দেশে বুধবার সকাল থেকেই উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের পর্যটন কেন্দ্র টাকিতে চলল প্রশাসনের বুলডোজার। ইছামতী নদীর তীরে সেচ দফতরের জায়গা জবরদখল করে গড়ে ওঠা দুটি নামী বেআইনি হোটেল হুড়মুড়িয়ে ভেঙে ফেলার কাজ শুরু হলো আজ থেকে।


 এই উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো বড়সড় আইন-শৃঙ্খলার অবনতি বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, তার জন্য সকাল থেকেই গোটা এলাকা মুড়ে ফেলা হয়েছিল বিশাল পুলিশ বাহিনীতে। ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে টাকি পুরসভার কর্মী ও প্রশাসনিক আধিকারিকেরা উপস্থিত থেকে এই মেগা উচ্ছেদ প্রক্রিয়া শুরু করেন।


টাকির ইছামতী নদীর পাড়ে বেআইনিভাবে সরকারি জমিতে এই হোটেল দুটি গড়ে তোলার বিরুদ্ধে কলকাতা হাই কোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল। সেই মামলার শুনানিতেই হাই কোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট নির্দেশ দেয় যে, আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে পুর কর্তৃপক্ষকে এই সমস্ত অবৈধ নির্মাণ ভেঙে ফেলতে হবে। শুধু তাই নয়, আগামী ১৬ জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানিতে আদালতের এই কড়া নির্দেশ কতটা কার্যকর করা হলো, তার অ্যাকশন টেকেন রিপোর্টও জমা দিতে হবে। আদালতের সেই ডেডলাইন মেনে বুধবার সকাল ১০টা থেকেই বুলডোজার নিয়ে ‘টাকি সিটি গেস্ট হাউস’ এবং ‘দিশা গেস্ট হাউজ’ ধাপে ধাপে গুঁড়িয়ে দেওয়ার কাজ শুরু করে প্রশাসন।


পেলে-ক্লোজের রেকর্ড ধুলিসাৎ! মেসিকে কীভাবে টেক্কা দিচ্ছেন এমবাপে?


প্রশাসনের তরফ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, সরকারি জমি দখল করে বা নদী সংলগ্ন পরিবেশবিধি লঙ্ঘন করে কোনো ধরনের বেআইনি স্থায়ী নির্মাণ বরদাস্ত করা হবে না। এই উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও শোরগোল পড়ে গিয়েছে। বিষয়টিকে স্বাগত জানিয়ে বসিরহাট দক্ষিণের বিজেপি নেতা শৌর্য্য বন্দ্যোপাধ্যায় তীব্র কটাক্ষ করে বলেন, “টাকি পুরসভা এতদিন ধরে দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছিল। 


মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে এখন বাংলাজুড়ে সুশাসন চলছে। হাইকোর্টের এই যুগান্তকারী নির্দেশে অবৈধ নির্মাণগুলি ভাঙা হয়েছে, যা আসলে বিগত তৃণমূলের অপশাসনের জলজ্যান্ত উদাহরণ ছিল।” এখন দেখার, আদালতের এই কড়া অবস্থানের পর মহকুমার অন্যান্য জবরদখল হওয়া সরকারি জমি উদ্ধারে প্রশাসন কতটা সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।

বিষয় : CalcuttaHighCourt BENGALADMINISTRATION illegalconstruction ICHAMATRIVER

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬


ইছামতীর পাড়ে ধুন্ধুমার! আদালতের নির্দেশে বিলাসবহুল হোটেলে চলল বুলডোজার, বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘিরে ফেলল টাকি

প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬

featured Image
টাকি: সরকারি জমি দখল করে রমরমিয়ে হোটেল ব্যবসা চালানোর দিন এবার শেষ। কলকাতা হাই কোর্টের কড়া নির্দেশে বুধবার সকাল থেকেই উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের পর্যটন কেন্দ্র টাকিতে চলল প্রশাসনের বুলডোজার। ইছামতী নদীর তীরে সেচ দফতরের জায়গা জবরদখল করে গড়ে ওঠা দুটি নামী বেআইনি হোটেল হুড়মুড়িয়ে ভেঙে ফেলার কাজ শুরু হলো আজ থেকে। এই উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো বড়সড় আইন-শৃঙ্খলার অবনতি বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, তার জন্য সকাল থেকেই গোটা এলাকা মুড়ে ফেলা হয়েছিল বিশাল পুলিশ বাহিনীতে। ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে টাকি পুরসভার কর্মী ও প্রশাসনিক আধিকারিকেরা উপস্থিত থেকে এই মেগা উচ্ছেদ প্রক্রিয়া শুরু করেন।টাকির ইছামতী নদীর পাড়ে বেআইনিভাবে সরকারি জমিতে এই হোটেল দুটি গড়ে তোলার বিরুদ্ধে কলকাতা হাই কোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল। সেই মামলার শুনানিতেই হাই কোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট নির্দেশ দেয় যে, আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে পুর কর্তৃপক্ষকে এই সমস্ত অবৈধ নির্মাণ ভেঙে ফেলতে হবে। শুধু তাই নয়, আগামী ১৬ জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানিতে আদালতের এই কড়া নির্দেশ কতটা কার্যকর করা হলো, তার অ্যাকশন টেকেন রিপোর্টও জমা দিতে হবে। আদালতের সেই ডেডলাইন মেনে বুধবার সকাল ১০টা থেকেই বুলডোজার নিয়ে ‘টাকি সিটি গেস্ট হাউস’ এবং ‘দিশা গেস্ট হাউজ’ ধাপে ধাপে গুঁড়িয়ে দেওয়ার কাজ শুরু করে প্রশাসন।পেলে-ক্লোজের রেকর্ড ধুলিসাৎ! মেসিকে কীভাবে টেক্কা দিচ্ছেন এমবাপে?প্রশাসনের তরফ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, সরকারি জমি দখল করে বা নদী সংলগ্ন পরিবেশবিধি লঙ্ঘন করে কোনো ধরনের বেআইনি স্থায়ী নির্মাণ বরদাস্ত করা হবে না। এই উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও শোরগোল পড়ে গিয়েছে। বিষয়টিকে স্বাগত জানিয়ে বসিরহাট দক্ষিণের বিজেপি নেতা শৌর্য্য বন্দ্যোপাধ্যায় তীব্র কটাক্ষ করে বলেন, “টাকি পুরসভা এতদিন ধরে দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে এখন বাংলাজুড়ে সুশাসন চলছে। হাইকোর্টের এই যুগান্তকারী নির্দেশে অবৈধ নির্মাণগুলি ভাঙা হয়েছে, যা আসলে বিগত তৃণমূলের অপশাসনের জলজ্যান্ত উদাহরণ ছিল।” এখন দেখার, আদালতের এই কড়া অবস্থানের পর মহকুমার অন্যান্য জবরদখল হওয়া সরকারি জমি উদ্ধারে প্রশাসন কতটা সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার