Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

বারুইপুর কাণ্ডে ধৃত আনন্দকে নিয়ে জোর জল্পনা! বিজেপির কুৎসার জবাবে কড়া চ্যালেঞ্জ সিপিএমের

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৮ জুলাই ২০২৬
বারুইপুর কাণ্ডে ধৃত আনন্দকে নিয়ে জোর জল্পনা! বিজেপির কুৎসার জবাবে কড়া চ্যালেঞ্জ সিপিএমের
ছবি সংগৃহীত

কলকাতা: বারুইপুরের নাবালিকা ধর্ষণ ও খুন কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের এনকাউন্টারের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার শুরু হলো এক নতুন রাজনৈতিক তরজা। ঘটনার তদন্তে ধৃত অন্যতম অভিযুক্ত আনন্দ সর্দারকে নিয়ে আচমকাই সামাজিক মাধ্যমে রটে যায় যে, সে নাকি আদতে সিপিএমের সক্রিয় কর্মী এবং এবারের বিধানসভা নির্বাচনে স্থানীয় বুথে পোলিং এজেন্টের দায়িত্বও সামলেছে। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র জল্পনা ও বিতর্কের ঝড় ওঠে। তবে এই বিতর্কিত দাবিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসত্য বলে উড়িয়ে দিয়ে এবার সরাসরি ময়দানে নামল আলিমুদ্দিন স্ট্রিট। দলের অফিশিয়াল পেজ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ধৃত আনন্দ সর্দারের সঙ্গে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী)-র কোনওকালেই কোনও দূরতম সম্পর্ক বা যোগাযোগ ছিল না।


সামাজিক মাধ্যমে বিবৃতি জারি করে সিপিএম নেতৃত্ব সাফ জানিয়েছে, আনন্দ সর্দার কোনওভাবেই সিপিএমের সঙ্গে যুক্ত নন এবং তিনি কোনওদিন দলের পোলিং এজেন্টও ছিলেন না। বামেদের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে এটি একটি অত্যন্ত সুপরিকল্পিত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কুৎসা এবং এর বিরুদ্ধে দলের কর্মী-সমর্থকদের সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে আলিমুদ্দিন। স্থানীয় সিপিএম নেতৃত্বের দাবি, রাজনৈতিক ফায়দা তুলতেই শাসকদল বিজেপির আইটি সেল থেকে এই ধরনের ভুয়ো খবর বাজারে ছড়ানো হচ্ছে, যার সঙ্গে বাস্তবের কোনও মিল নেই। কোনও অপরাধীর পাশে যে দল দাঁড়ায় না, তা পুনর্ব্যক্ত করে এই জঘন্য কুৎসার তীব্র নিন্দা করেছে বাম শিবির।


এই বিতর্কের মাঝেই সমাজমাধ্যমে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন এবারের পানিহাটি বিধানসভা কেন্দ্রের বাম প্রার্থী তথা তরুণ সিপিএম নেতা কলতান দাশগুপ্ত। তিনি গাণিতিক খতিয়ান তুলে ধরে জানান, ১৪০ বারুইপুর পশ্চিম কেন্দ্রের ২৪৭ নম্বর বুথের বাসিন্দা হলো ধৃত আনন্দ সর্দার। ওই নির্দিষ্ট বুথে এবারের নির্বাচনে সিপিএম মাত্র ২ শতাংশ ভোট পেয়েছে, যার সংখ্যাটা হলো মাত্র ২০টি। কলতানের প্রশ্ন, যেখানে বামেরা মাত্র ২০টি ভোট পেয়েছে, সেখানে সিপিএমের এজেন্টকে আদতেও বসতে দেওয়া হয়েছিল কি না, তা সাধারণ মানুষই বোঝেন। এর পরেই প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করে তিনি চ্যালেঞ্জ জানান, আনন্দ সর্দার যদি সত্যিই এজেন্ট হয়ে থাকে, তবে নির্বাচন কমিশনের 'ফর্ম ১৭' (Form 17) সামনে এনে তা প্রমাণ করে দেখানো হোক। নির্বাচন কমিশনের ঘরে এজেন্টের সমস্ত আসল নথিপত্র গচ্ছিত রয়েছে এবং তা খতিয়ে দেখলেই এই কুৎসার সব সত্যি সামনে চলে আসবে বলে দাবি করেছেন বাম নেতারা।

বিষয় : WestBengalPolitics BaruipurCase CPIMBENGAL KALATANDASGUPTA

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬


বারুইপুর কাণ্ডে ধৃত আনন্দকে নিয়ে জোর জল্পনা! বিজেপির কুৎসার জবাবে কড়া চ্যালেঞ্জ সিপিএমের

প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুলাই ২০২৬

featured Image
কলকাতা: বারুইপুরের নাবালিকা ধর্ষণ ও খুন কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের এনকাউন্টারের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার শুরু হলো এক নতুন রাজনৈতিক তরজা। ঘটনার তদন্তে ধৃত অন্যতম অভিযুক্ত আনন্দ সর্দারকে নিয়ে আচমকাই সামাজিক মাধ্যমে রটে যায় যে, সে নাকি আদতে সিপিএমের সক্রিয় কর্মী এবং এবারের বিধানসভা নির্বাচনে স্থানীয় বুথে পোলিং এজেন্টের দায়িত্বও সামলেছে। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র জল্পনা ও বিতর্কের ঝড় ওঠে। তবে এই বিতর্কিত দাবিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসত্য বলে উড়িয়ে দিয়ে এবার সরাসরি ময়দানে নামল আলিমুদ্দিন স্ট্রিট। দলের অফিশিয়াল পেজ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ধৃত আনন্দ সর্দারের সঙ্গে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী)-র কোনওকালেই কোনও দূরতম সম্পর্ক বা যোগাযোগ ছিল না।সামাজিক মাধ্যমে বিবৃতি জারি করে সিপিএম নেতৃত্ব সাফ জানিয়েছে, আনন্দ সর্দার কোনওভাবেই সিপিএমের সঙ্গে যুক্ত নন এবং তিনি কোনওদিন দলের পোলিং এজেন্টও ছিলেন না। বামেদের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে এটি একটি অত্যন্ত সুপরিকল্পিত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কুৎসা এবং এর বিরুদ্ধে দলের কর্মী-সমর্থকদের সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে আলিমুদ্দিন। স্থানীয় সিপিএম নেতৃত্বের দাবি, রাজনৈতিক ফায়দা তুলতেই শাসকদল বিজেপির আইটি সেল থেকে এই ধরনের ভুয়ো খবর বাজারে ছড়ানো হচ্ছে, যার সঙ্গে বাস্তবের কোনও মিল নেই। কোনও অপরাধীর পাশে যে দল দাঁড়ায় না, তা পুনর্ব্যক্ত করে এই জঘন্য কুৎসার তীব্র নিন্দা করেছে বাম শিবির।এই বিতর্কের মাঝেই সমাজমাধ্যমে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন এবারের পানিহাটি বিধানসভা কেন্দ্রের বাম প্রার্থী তথা তরুণ সিপিএম নেতা কলতান দাশগুপ্ত। তিনি গাণিতিক খতিয়ান তুলে ধরে জানান, ১৪০ বারুইপুর পশ্চিম কেন্দ্রের ২৪৭ নম্বর বুথের বাসিন্দা হলো ধৃত আনন্দ সর্দার। ওই নির্দিষ্ট বুথে এবারের নির্বাচনে সিপিএম মাত্র ২ শতাংশ ভোট পেয়েছে, যার সংখ্যাটা হলো মাত্র ২০টি। কলতানের প্রশ্ন, যেখানে বামেরা মাত্র ২০টি ভোট পেয়েছে, সেখানে সিপিএমের এজেন্টকে আদতেও বসতে দেওয়া হয়েছিল কি না, তা সাধারণ মানুষই বোঝেন। এর পরেই প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করে তিনি চ্যালেঞ্জ জানান, আনন্দ সর্দার যদি সত্যিই এজেন্ট হয়ে থাকে, তবে নির্বাচন কমিশনের 'ফর্ম ১৭' (Form 17) সামনে এনে তা প্রমাণ করে দেখানো হোক। নির্বাচন কমিশনের ঘরে এজেন্টের সমস্ত আসল নথিপত্র গচ্ছিত রয়েছে এবং তা খতিয়ে দেখলেই এই কুৎসার সব সত্যি সামনে চলে আসবে বলে দাবি করেছেন বাম নেতারা।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার