একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে শহিদ পরিবারগুলিকে নিয়ে বড় ঘোষণা করলেন বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের প্রতীক, নাম ও তহবিল নিজেদের হাতে এলে প্রতি মাসে শহিদ পরিবারগুলিকে ১০ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্য করা হবে বলে জানালেন তিনি।
এছাড়াও, একুশে জুলাইয়ের শহিদ স্মরণ নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূলকে নিশানা করেন ঋতব্রত। তাঁর দাবি, শহিদদের স্মরণের মঞ্চ কোনও প্রদর্শনের জায়গা নয়। কোনও রিয়্যালিটি শো বা ক্যাটওয়াকের মঞ্চে পরিণত করা উচিত নয় একুশে জুলাইকে। এবার থেকে শহিদ পরিবারগুলিকে প্রাপ্য মর্যাদা দেওয়া হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর এদিন কার্যত ভিন্ন চেহারা দেখা গেল একুশে জুলাইয়ের। কলকাতার মাত্র আড়াই কিলোমিটার এলাকার মধ্যে তিনটি পৃথক মঞ্চ থেকে শহিদ স্মরণের আয়োজন করা হয়। আদালতের নির্দেশ মেনে ক্যাথিড্রাল রোডে সভা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল। অন্যদিকে মেয়ো রোডে গান্ধি মূর্তির পাদদেশে সভা করে ঋতব্রতদের শিবির। পাশাপাশি শহিদ মিনারেও সভা করে কংগ্রেস।
বর্তমানে দলের নাম, প্রতীক ও তহবিলের অধিকার নিয়ে কালীঘাট তৃণমূল এবং ঋতব্রত শিবিরের মধ্যে আইনি ও রাজনৈতিক লড়াই চলছে। ঋতব্রতদের দাবি, তাঁরাই প্রকৃত তৃণমূল। এই নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থও হয়েছে ওই শিবির। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও একুশের মঞ্চ থেকে দাবি করেন, তিনিই দলের প্রতিষ্ঠাতা এবং আসল তৃণমূল তাঁরাই। এই পরিস্থিতির মধ্যেই শহিদ পরিবারগুলিকে আর্থিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিলেন ঋতব্রত। তাঁর অভিযোগ, এতদিন শহিদদের সঙ্গে ‘অবিচার’ হয়েছে। যদিও এই দাবির পালটা দিয়েছে মমতাপন্থী তৃণমূল। নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দীর্ঘদিন ধরে শহিদ পরিবারগুলির পাশে রয়েছেন। তাঁদের সাহায্য করা থেকে শুরু করে চাকরির ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬

আপনার মতামত লিখুন