কলকাতা: সাতসকালে শহরের রাস্তায় আচমকা প্রাতঃপরিদর্শনে বেরিয়ে চরম অ্যাকশন মোডে দেখা গেল পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালকে। কলেজস্ট্রিট থেকে ধর্মতলা ও পার্কস্ট্রিট চত্বরে হানা দিয়ে ফুটপাথ জবরদখল করে গড়ে ওঠা দোকানের বহর দেখে ক্ষোভে ফেটে পড়েন তিনি। সরাসরি ব্যবসায়ীদের ধমক দিয়ে মন্ত্রী স্পষ্ট বার্তা দেন, পথচারীদের যাতায়াতের জায়গা সম্পূর্ণ আটকে ব্যবসা করা বরদাস্ত করা হবে না। একইসঙ্গে উপস্থিত পুলিশকর্তাদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়ার চরম নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
"দার্জিলিং গেলেই টের পাবেন! মমতাকে তীব্র কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের"
দায়িত্ব সামলানোর পর থেকেই শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখে পরিকাঠামো ও নিকাশি ব্যবস্থা খতিয়ে দেখা মন্ত্রীর অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। বুধবার সকালেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। পার্কস্ট্রিট ও ধর্মতলা সংলগ্ন ফুটপাথের একাধিক খাবারের দোকানে ঢুকে অগ্নিমিত্রা পাল দেখতে পান, একই ফুটপাথে পথ আটকে একাধিক সারিতে দোকান বসানো হয়েছে। এতে সাধারণ পথচলতি মানুষের যাতায়াতে চরম ভোগান্তি হচ্ছে দেখে চরম উষ্মা প্রকাশ করেন তিনি। তিনি ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে প্রশ্ন তোলেন, যদি এভাবে ফুটপাথ পুরোটাই দখল করে নেওয়া হয়, তবে পথচারীরা হাঁটবেন কোথায়?
পরিস্থিতি পর্যালোচনা করার পর ঘটনাস্থলেই উপস্থিত পুলিশ আধিকারিকদের কড়া নির্দেশ দেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী। তিনি জানিয়ে দেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সমস্ত অতিরিক্ত পশরা গুটিয়ে ব্যবসায়ীদের একই সারিতে নিয়ে আসতে হবে। যাতে অন্তত পথচারীদের হাঁটার মতো পর্যাপ্ত জায়গা থাকে। তবে ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদের কোনো পরিকল্পনা নেই জানিয়ে তিনি বলেন, পুজোর আগে হকারদের সরাতে বারণ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী, তাই কাউকে তোলা হবে না; কিন্তু নিয়ম মেনে পথচারীদের জায়গা ছেড়ে দিয়েই দোকান চালাতে হবে। মন্ত্রীর এই কড়া পদক্ষেপে আপাতত জোর আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে তিলোত্তমার হকার বলয়ে।

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬

আপনার মতামত লিখুন