Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

ফের বিজেপির সদর দফতরে ধুন্ধুমার, বলাগড়ের প্রার্থীকে নিয়ে বিদ্রোহ চরমে!

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৪ মার্চ ২০২৬
ফের বিজেপির সদর দফতরে ধুন্ধুমার, বলাগড়ের প্রার্থীকে নিয়ে বিদ্রোহ চরমে!
ছবি: সংগৃহীত

কলকাতা: বঙ্গ বিজেপিতে আদি-নব্য সংঘাত ফের প্রকাশ্যে। মঙ্গলবার সল্টলেকে বিজেপির রাজ্য সদর দফতরের সামনে বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন দলেরই একদল পুরনো কর্মী। উপলক্ষ্য ছিল, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীনের রাজ্য সফর। আর লক্ষ্য ছিল, বলাগড় ও বাদুড়িয়ার প্রার্থী বদলের দাবি। বিশেষ করে বলাগড়ের প্রার্থী সুমনা সরকারকে নিয়ে ক্ষোভের আগুন এতটাই যে - দলের কর্মীরাই তাঁকে ‘তৃণমূলের দালাল’ বলে দাগিয়ে দিয়েছেন!


বলাগড় বিধানসভা কেন্দ্রে সুমনা সরকারকে প্রার্থী করা মানতে পারছেন না স্থানীয় বিজেপি কর্মীরা। তাঁদের অভিযোগ, সুমনা সরকার যখন তৃণমূলে ছিলেন, তখন বিজেপির সাধারণ কর্মীদের উপর অকথ্য অত্যাচার চালিয়েছেন। বিক্ষোভকারী এক কর্মীর বিস্ফোরক দাবি, “পঞ্চায়েত নির্বাচনে যখন আমরা নমিনেশন ফাইল করতে গিয়েছিলাম, ওঁর গুন্ডাবাহিনী আমাদের পিচ রাস্তায় ফেলে মেরেছে। কাঠচেরাই কল থেকে ব্যাটন বের করে আমাদের মেরে তাড়িয়ে দিয়েছে। আজ সেই অত্যাচারীকেই দল টিকিট দিল?”


আন্দোলনকারীদের দাবি, এই বিষয়ে তাঁরা জেলা সভাপতির দ্বারস্থ হয়েছিলেন। কিন্তু, জেলা সভাপতি তাঁদের জানিয়েছেন, প্রার্থী নির্বাচনে তাঁর কোনও হাত নেই। ক্ষুব্ধ কর্মীদের দাবি অনুযায়ী, জেলা সভাপতি অসহায়ভাবে বলেছেন, “আমার কথায় কাজ হয়নি, উপরতলা থেকে সব হয়েছে। প্রয়োজনে আমি রিজাইন (ইস্তফা) দিয়ে দেব।” দলের অন্দরে এই সমন্বয়হীনতা এখন রাজ্য নেতৃত্বের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।


বিক্ষোভকারীদের প্রশ্ন করা হয়েছিল, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও তো তৃণমূল থেকে এসেছেন, তবে সুমনা সরকারকে নিয়ে আপত্তি কেন? উত্তরে এক মহিলা কর্মী সাফ জানান, “শুভেন্দুদা মানুষের ভালোবাসায় জনপ্রিয় নেতা হয়ে উঠেছেন। তিনি কারও মাথায় বন্দুক ঠেকাননি। কিন্তু, সুমনা সরকার কেমন মানুষ, তা বলাগড়ে গিয়ে সাধারণ মানুষকে জিজ্ঞাসা করলেই বোঝা যাবে।” বিক্ষুব্ধদের স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, সুমনা সরকার হারুন বা জিতুন, তিনি ফের তৃণমূলেই ফিরে যাবেন।


বলাগড় ও বাদুড়িয়ার প্রার্থী বদল না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা সদর দফতরের সামনে থেকে নড়বেন না বলেও জানিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। তাঁদের হাতে ছিল ‘সুমনা সরকারকে মানছি না, মানব না’ লেখা প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুন। বিক্ষুব্ধদের দাবি, তৃণমূল থেকে আসা কাউকে নয়, বরং দলের কোনও পুরনো নিষ্ঠাবান কর্মী কিংবা বুথ সভাপতিকেই প্রার্থী করতে হবে। বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে এই প্রার্থী-বিক্ষোভ বিজেপির ভাবমূর্তি ও নির্বাচনী লড়াইয়ে বড়সড় ধাক্কা দিতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

বিষয় : POLITICAL CHAOS WESTBENGALBJP #MamataBanerjee #WestBengalPolitics #CVAnandaBose #GovernorOfBengal #Dharna #TMC #CentralGovernment #RajBhavan #BreakingNews #KolkataUpdate SALTLAKENEWS BALAGARH

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


ফের বিজেপির সদর দফতরে ধুন্ধুমার, বলাগড়ের প্রার্থীকে নিয়ে বিদ্রোহ চরমে!

প্রকাশের তারিখ : ২৪ মার্চ ২০২৬

featured Image
কলকাতা: বঙ্গ বিজেপিতে আদি-নব্য সংঘাত ফের প্রকাশ্যে। মঙ্গলবার সল্টলেকে বিজেপির রাজ্য সদর দফতরের সামনে বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন দলেরই একদল পুরনো কর্মী। উপলক্ষ্য ছিল, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীনের রাজ্য সফর। আর লক্ষ্য ছিল, বলাগড় ও বাদুড়িয়ার প্রার্থী বদলের দাবি। বিশেষ করে বলাগড়ের প্রার্থী সুমনা সরকারকে নিয়ে ক্ষোভের আগুন এতটাই যে - দলের কর্মীরাই তাঁকে ‘তৃণমূলের দালাল’ বলে দাগিয়ে দিয়েছেন!বলাগড় বিধানসভা কেন্দ্রে সুমনা সরকারকে প্রার্থী করা মানতে পারছেন না স্থানীয় বিজেপি কর্মীরা। তাঁদের অভিযোগ, সুমনা সরকার যখন তৃণমূলে ছিলেন, তখন বিজেপির সাধারণ কর্মীদের উপর অকথ্য অত্যাচার চালিয়েছেন। বিক্ষোভকারী এক কর্মীর বিস্ফোরক দাবি, “পঞ্চায়েত নির্বাচনে যখন আমরা নমিনেশন ফাইল করতে গিয়েছিলাম, ওঁর গুন্ডাবাহিনী আমাদের পিচ রাস্তায় ফেলে মেরেছে। কাঠচেরাই কল থেকে ব্যাটন বের করে আমাদের মেরে তাড়িয়ে দিয়েছে। আজ সেই অত্যাচারীকেই দল টিকিট দিল?”আন্দোলনকারীদের দাবি, এই বিষয়ে তাঁরা জেলা সভাপতির দ্বারস্থ হয়েছিলেন। কিন্তু, জেলা সভাপতি তাঁদের জানিয়েছেন, প্রার্থী নির্বাচনে তাঁর কোনও হাত নেই। ক্ষুব্ধ কর্মীদের দাবি অনুযায়ী, জেলা সভাপতি অসহায়ভাবে বলেছেন, “আমার কথায় কাজ হয়নি, উপরতলা থেকে সব হয়েছে। প্রয়োজনে আমি রিজাইন (ইস্তফা) দিয়ে দেব।” দলের অন্দরে এই সমন্বয়হীনতা এখন রাজ্য নেতৃত্বের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।বিক্ষোভকারীদের প্রশ্ন করা হয়েছিল, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও তো তৃণমূল থেকে এসেছেন, তবে সুমনা সরকারকে নিয়ে আপত্তি কেন? উত্তরে এক মহিলা কর্মী সাফ জানান, “শুভেন্দুদা মানুষের ভালোবাসায় জনপ্রিয় নেতা হয়ে উঠেছেন। তিনি কারও মাথায় বন্দুক ঠেকাননি। কিন্তু, সুমনা সরকার কেমন মানুষ, তা বলাগড়ে গিয়ে সাধারণ মানুষকে জিজ্ঞাসা করলেই বোঝা যাবে।” বিক্ষুব্ধদের স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, সুমনা সরকার হারুন বা জিতুন, তিনি ফের তৃণমূলেই ফিরে যাবেন।বলাগড় ও বাদুড়িয়ার প্রার্থী বদল না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা সদর দফতরের সামনে থেকে নড়বেন না বলেও জানিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। তাঁদের হাতে ছিল ‘সুমনা সরকারকে মানছি না, মানব না’ লেখা প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুন। বিক্ষুব্ধদের দাবি, তৃণমূল থেকে আসা কাউকে নয়, বরং দলের কোনও পুরনো নিষ্ঠাবান কর্মী কিংবা বুথ সভাপতিকেই প্রার্থী করতে হবে। বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে এই প্রার্থী-বিক্ষোভ বিজেপির ভাবমূর্তি ও নির্বাচনী লড়াইয়ে বড়সড় ধাক্কা দিতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার