Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

এবার এনডিএ শিবিরে বসার তোড়জোড়? অভিষেককে সরিয়ে সুদীপকে দলনেতা করার মেগা প্ল্যান বিদ্রোহীদের!

এবার এনডিএ শিবিরে বসার তোড়জোড়? অভিষেককে সরিয়ে সুদীপকে দলনেতা করার মেগা প্ল্যান বিদ্রোহীদের!
ছবি--প্রতীকী

কলকাতা: তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে এবার চূড়ান্ত বিস্ফোরণ! সোমবারই লোকসভায় জন্ম নিতে চলেছে এক ‘নতুন তৃণমূল’। আর সেই মেগা অ্যাকশনের আগে রবিবাসরীয় সকালে নতুন করে বোমা ফাটালেন তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ শিবিরের অন্যতম প্রধান মুখ তথা সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার।


 দিল্লি রওনা হওয়ার আগে বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে তিনি সাফ দাবি করেছেন, বিদ্রোহী শিবিরে সাংসদ সংখ্যা এখন আর ২০ নয়, তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২ জন! অর্থাৎ শেষ মুহূর্তে আরও দুই হেভিওয়েট সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছেড়ে যোগ দিতে চলেছেন এই বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠীতে। ওই দুই রহস্যময় সাংসদ কারা, তা নিয়ে এই মুহূর্তে চরম সাসপেন্স তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। ইতিমধ্যেই একে একে মালা রায়, দেব, সায়নী ঘোষের মতো তারকা ও বর্ষীয়ান সাংসদেরা দিল্লির উদ্দেশ্যে উড়ে গিয়েছেন। বিমানবন্দরে তাঁরা সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ না খুললেও, তাঁদের দিল্লি যাত্রাই স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে সোমবার দেশের রাজধানীতে বড় কিছু ঘটতে চলেছে।

বাংলায় বর্ষার ডাবল গেম!


সূত্রের খবর, সোমবারই লোকসভার স্পিকারের সঙ্গে দেখা করতে পারেন এই বিক্ষুব্ধ সাংসদেরা। সেখানে গিয়ে তাঁরা নিজেদের আলাদা ব্লক হিসেবে ঘোষণা করার দাবি জানাতে পারেন। আবার অন্য একটি বড় সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়রা নিজেদেরই ‘আসল তৃণমূল’ বলে দাবি করতে পারেন লোকসভায়। সেক্ষেত্রে লোকসভার বর্তমান দলনেতা পদ থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরিয়ে, সম্প্রতি এই শিবিরে যোগ দেওয়া প্রবীণ নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম দলনেতা হিসেবে প্রস্তাব করা হতে পারে। পাশাপাশি, মুখ্য সচেতক পদে আগের মতোই কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে বহাল রাখার আর্জি জানানো হবে। শুধু তাই নয়, লোকসভায় তাঁদের বসার আসন বিরোধী আসন থেকে সরিয়ে সরাসরি এনডিএ (NDA) সাংসদদের ব্লকে করার জন্য স্পিকারের কাছে জোরালো সওয়াল করতে পারেন এই বিদ্রোহীরা।


সোমবারের এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপের আগে, আজ রবিবার রাতেই দিল্লির সরকারি বাসভবনে বিক্ষুব্ধ সাংসদদের নিয়ে এক হাইপ্রোফাইল নৈশভোজের আয়োজন করেছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। এই ডিনার ডিপ্লোম্যাসির আড়ালেই বসবে এক ঘরোয়া বৈঠক, যেখানে সোমবারের চূড়ান্ত রণকৌশল স্থির করে নেওয়া হবে। 


উল্লেখ্য, প্রথমে প্রকাশ্যে আসা বিক্ষুব্ধদের চিঠিতে ১৯ জনের সই ছিল। যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত কাকলি ছাড়াও ছিলেন দেব, সায়নী ঘোষ, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, জুন মালিয়া, শতাব্দী রায়, মালা রায়, আবু তাহের খান, খলিলুর রহমান, কালীপদ সোরেন, পার্থ ভৌমিক, মিতালি বাগ, অরূপ চক্রবর্তী, জগদীশ বর্মা বসুনিয়া, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, শর্মিলা সরকার, অসিত মাল এবং ইউসুফ পাঠান। শনিবার সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় যোগ দেওয়ায় সংখ্যাটা ২০ হলেও, আজ কাকলির দাবিতে তা ২২ ছুঁয়েছে। অন্যদিকে, এই মুহূর্তে মমতা-অভিষেক শিবিরে পড়ে রয়েছেন মাত্র আটজন সাংসদ—কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌগত রায়, মহুয়া মৈত্র, প্রতিমা মণ্ডল, কীর্তি আজাদ, শত্রুঘ্ন সিনহা, সাজদা আহমেদ এবং খোদ অভিষেক। ফলে দিল্লির এই ডামাডোলে ঘাসফুল শিবিরের রাশ কার হাতে থাকবে, তা নিয়ে টানটান উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

বিষয় : POLITICAL CHAOS ABHISEKHBANERJEE kakolighoshdastidar tmcrebellion

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


এবার এনডিএ শিবিরে বসার তোড়জোড়? অভিষেককে সরিয়ে সুদীপকে দলনেতা করার মেগা প্ল্যান বিদ্রোহীদের!

প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬

featured Image
কলকাতা: তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে এবার চূড়ান্ত বিস্ফোরণ! সোমবারই লোকসভায় জন্ম নিতে চলেছে এক ‘নতুন তৃণমূল’। আর সেই মেগা অ্যাকশনের আগে রবিবাসরীয় সকালে নতুন করে বোমা ফাটালেন তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ শিবিরের অন্যতম প্রধান মুখ তথা সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। দিল্লি রওনা হওয়ার আগে বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে তিনি সাফ দাবি করেছেন, বিদ্রোহী শিবিরে সাংসদ সংখ্যা এখন আর ২০ নয়, তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২ জন! অর্থাৎ শেষ মুহূর্তে আরও দুই হেভিওয়েট সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছেড়ে যোগ দিতে চলেছেন এই বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠীতে। ওই দুই রহস্যময় সাংসদ কারা, তা নিয়ে এই মুহূর্তে চরম সাসপেন্স তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। ইতিমধ্যেই একে একে মালা রায়, দেব, সায়নী ঘোষের মতো তারকা ও বর্ষীয়ান সাংসদেরা দিল্লির উদ্দেশ্যে উড়ে গিয়েছেন। বিমানবন্দরে তাঁরা সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ না খুললেও, তাঁদের দিল্লি যাত্রাই স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে সোমবার দেশের রাজধানীতে বড় কিছু ঘটতে চলেছে।বাংলায় বর্ষার ডাবল গেম! সূত্রের খবর, সোমবারই লোকসভার স্পিকারের সঙ্গে দেখা করতে পারেন এই বিক্ষুব্ধ সাংসদেরা। সেখানে গিয়ে তাঁরা নিজেদের আলাদা ব্লক হিসেবে ঘোষণা করার দাবি জানাতে পারেন। আবার অন্য একটি বড় সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়রা নিজেদেরই ‘আসল তৃণমূল’ বলে দাবি করতে পারেন লোকসভায়। সেক্ষেত্রে লোকসভার বর্তমান দলনেতা পদ থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরিয়ে, সম্প্রতি এই শিবিরে যোগ দেওয়া প্রবীণ নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম দলনেতা হিসেবে প্রস্তাব করা হতে পারে। পাশাপাশি, মুখ্য সচেতক পদে আগের মতোই কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে বহাল রাখার আর্জি জানানো হবে। শুধু তাই নয়, লোকসভায় তাঁদের বসার আসন বিরোধী আসন থেকে সরিয়ে সরাসরি এনডিএ (NDA) সাংসদদের ব্লকে করার জন্য স্পিকারের কাছে জোরালো সওয়াল করতে পারেন এই বিদ্রোহীরা।সোমবারের এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপের আগে, আজ রবিবার রাতেই দিল্লির সরকারি বাসভবনে বিক্ষুব্ধ সাংসদদের নিয়ে এক হাইপ্রোফাইল নৈশভোজের আয়োজন করেছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। এই ডিনার ডিপ্লোম্যাসির আড়ালেই বসবে এক ঘরোয়া বৈঠক, যেখানে সোমবারের চূড়ান্ত রণকৌশল স্থির করে নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, প্রথমে প্রকাশ্যে আসা বিক্ষুব্ধদের চিঠিতে ১৯ জনের সই ছিল। যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত কাকলি ছাড়াও ছিলেন দেব, সায়নী ঘোষ, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, জুন মালিয়া, শতাব্দী রায়, মালা রায়, আবু তাহের খান, খলিলুর রহমান, কালীপদ সোরেন, পার্থ ভৌমিক, মিতালি বাগ, অরূপ চক্রবর্তী, জগদীশ বর্মা বসুনিয়া, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, শর্মিলা সরকার, অসিত মাল এবং ইউসুফ পাঠান। শনিবার সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় যোগ দেওয়ায় সংখ্যাটা ২০ হলেও, আজ কাকলির দাবিতে তা ২২ ছুঁয়েছে। অন্যদিকে, এই মুহূর্তে মমতা-অভিষেক শিবিরে পড়ে রয়েছেন মাত্র আটজন সাংসদ—কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌগত রায়, মহুয়া মৈত্র, প্রতিমা মণ্ডল, কীর্তি আজাদ, শত্রুঘ্ন সিনহা, সাজদা আহমেদ এবং খোদ অভিষেক। ফলে দিল্লির এই ডামাডোলে ঘাসফুল শিবিরের রাশ কার হাতে থাকবে, তা নিয়ে টানটান উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার