Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Canning: ক্যানিংয়ে ঘর থেকে উদ্ধার দশম শ্রেণির নাবালিকার দেহ, নেপথ্যে কী?

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Canning: ক্যানিংয়ে ঘর থেকে উদ্ধার দশম শ্রেণির নাবালিকার দেহ, নেপথ্যে কী?
প্রতীকী ছবি।

প্রেমের সম্পর্কের জেরে বিয়ের জন্য চাপ, আর পরেই মর্মান্তিক মৃত্যু। দশম শ্রেণির এক নাবালিকার মৃত্যুতে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ক্যানিংয়ের তালদি পঞ্চায়েত এলাকায়। পরিবারের অভিযোগ, প্রেমিকের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর মেয়ের বিয়ের বয়স না হওয়ায় বিয়েতে রাজি হয়নি পরিবার। এর পরেও ছেলেটি বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকে।


সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ছাত্রীর নাম আসমীরা খাতুন। বয়স ১৬ বছর। তিনি স্থানীয় একটি স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন। পরিবারের দাবি, দু’বছর আগে জীবনতলার মৌখালি গ্রামের বাসিন্দা সায়ন জমাদারের সঙ্গে আসমীরার পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে তাঁদের সম্পর্ক গড়ায় প্রেমে। একসময় দু’জনে বাড়ি থেকেও চলে গিয়েছিল। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে ফিরিয়ে নিয়ে আসেন। এর পরেও পরিবারের অভিযোগ, সায়ন বারবার আসমীরাকে বিয়ের কথা বলতে থাকেন। কিন্তু মেয়ের বয়স ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেওয়া সম্ভব নয় বলে পরিবারের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়। 

পরিবারের অভিযোগ, এরপরেও বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকেন ওই তরুণ। বুধবার সকালে আসমীরার সঙ্গে তাঁর ফোনে কথাও হয়। সেই কথোপকথনের পরই নিজের ঘরে চলে যায় ওই ছাত্রী। পরে প্রতিবেশীরা তাকে দেখতে পেয়ে উদ্ধার করেন। দ্রুত ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

বিষয় : Canning Death Mystery

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬


Canning: ক্যানিংয়ে ঘর থেকে উদ্ধার দশম শ্রেণির নাবালিকার দেহ, নেপথ্যে কী?

প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
প্রেমের সম্পর্কের জেরে বিয়ের জন্য চাপ, আর পরেই মর্মান্তিক মৃত্যু। দশম শ্রেণির এক নাবালিকার মৃত্যুতে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ক্যানিংয়ের তালদি পঞ্চায়েত এলাকায়। পরিবারের অভিযোগ, প্রেমিকের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর মেয়ের বিয়ের বয়স না হওয়ায় বিয়েতে রাজি হয়নি পরিবার। এর পরেও ছেলেটি বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকে।সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ছাত্রীর নাম আসমীরা খাতুন। বয়স ১৬ বছর। তিনি স্থানীয় একটি স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন। পরিবারের দাবি, দু’বছর আগে জীবনতলার মৌখালি গ্রামের বাসিন্দা সায়ন জমাদারের সঙ্গে আসমীরার পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে তাঁদের সম্পর্ক গড়ায় প্রেমে। একসময় দু’জনে বাড়ি থেকেও চলে গিয়েছিল। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে ফিরিয়ে নিয়ে আসেন। এর পরেও পরিবারের অভিযোগ, সায়ন বারবার আসমীরাকে বিয়ের কথা বলতে থাকেন। কিন্তু মেয়ের বয়স ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেওয়া সম্ভব নয় বলে পরিবারের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়। পরিবারের অভিযোগ, এরপরেও বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকেন ওই তরুণ। বুধবার সকালে আসমীরার সঙ্গে তাঁর ফোনে কথাও হয়। সেই কথোপকথনের পরই নিজের ঘরে চলে যায় ওই ছাত্রী। পরে প্রতিবেশীরা তাকে দেখতে পেয়ে উদ্ধার করেন। দ্রুত ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত