Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Sourav Ganguly Biopic: ‘দাদা’র বায়োপিকের এআই পোস্টার কাণ্ডে শোরগোল! আড়াই মাস পর ভুল স্বীকার রাজকুমারের

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৯ অক্টোবর ২০২৬
Sourav Ganguly Biopic: ‘দাদা’র বায়োপিকের এআই পোস্টার কাণ্ডে শোরগোল! আড়াই মাস পর ভুল স্বীকার রাজকুমারের
‘দাদা’র পোস্টার বিতর্কে অবশেষে ভুল স্বীকার রাজকুমারের। ফাইল ছবি

মুম্বই: ভারতীয় ক্রিকেটের অন্যতম আইকন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বহুল প্রতীক্ষিত বায়োপিকের কাজ শুরু হতেই তা ঘিরে তৈরি হয়েছিল তুমুল উদ্দীপনা। তবে গত জুলাই মাসে ‘দাদা’র জন্মদিনে প্রকাশ পাওয়া ছবির ফার্স্ট লুক পোস্টারকে কেন্দ্র করে তৈরি হয় চরম বিতর্কের ঝড়। লর্ডসের ব্যালকনিতে রাজকুমার রাওয়ের জার্সি ওড়ানোর ছবি দেখে নেটপাড়ায় শুরু হয়েছিল তীব্র সমালোচনা। অনেকেই দাবি করেছিলেন, সৌরভের আসল ছবিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি দিয়ে কেবল রাজকুমারের মুখ ‘সুপারইম্পোজ’ করে দেওয়া হয়েছে। অবশেষে আড়াই মাস নীরব থাকার পর সেই বিতর্কিত পোস্টার কাণ্ডে নিজের ভুল স্বীকার করে মুখ খুললেন অভিনেতা রাজকুমার রাও।

গত জুলাই মাসে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বায়োপিকের পোস্টার প্রকাশ্যে আসতেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন অনুরাগীরা। 'চ্যাটজিপিটি বা সাধারণ ফ্যান পেজও এর চেয়ে ভালো পোস্টার বানায়'—এমন নানাবিধ কটাক্ষে ভেসে গিয়েছিল নেট মাধ্যম। এই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে এক সাক্ষাৎকারে রাজকুমার জানান, “যাঁরা পোস্টারটি তৈরি করেছিলেন, তাঁরা এই ভুল থেকে একটা বড় শিক্ষা পেয়েছেন। হুটহাট তাড়াহুড়ো করে কাজ নামানো যে একদম ঠিক নয়, তা টিম বুঝতে পেরেছে। এত তাড়াহুড়ো করার কোনো প্রয়োজন ছিল না। সবচেয়ে বড় কথা, নির্মাতারা বুঝতে পেরেছেন যে 'দাদা'র ভক্তরা এই বায়োপিক নিয়ে ঠিক কতটা আবেগপ্রবণ।”


পোস্টারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বাড়াবাড়ির কথা পরোক্ষে স্বীকার করে প্রযুক্তি নিয়ে নিজের স্পষ্ট মতামত ব্যক্ত করেছেন অভিনেতা। রাজকুমারের কথায়, “প্রযুক্তির ভালো এবং মন্দ—দুটোই রয়েছে। এআই-এর অগ্রগতিকে হয়তো সম্পূর্ণ আটকানো যাবে না, তবে প্রযুক্তিকে শুধু সহকারী হিসেবে ব্যবহার করা উচিত। এআইয়ের ওপর অন্ধভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়া মারাত্মক ভুল। আমি কখনই চাই না প্রযুক্তি মানুষের জায়গা দখল করুক, কারণ এতে বহু মানুষের জীবিকা বিপন্ন হতে পারে। ঘরের চার দেয়ালে বসে সফটওয়্যার দিয়ে জীবন্ত কিছু তৈরি করা সম্ভব নয়।”

একই সঙ্গে মানবিক আবেগের অপরিহার্যতার কথা তুলে ধরে রাজকুমার রাও স্পষ্ট জানান যে, এআই কখনো মানুষের প্রকৃত অনুভূতির বিকল্প হতে পারে না। কোনো কাজ এআই দিয়ে করা হলে তার মধ্যে প্রাণের ঘাটতি স্পষ্ট ধরা পড়ে এবং তা দেখে সহজেই বোঝা যায় যে এটি একটি কৃত্রিম সংস্করণ। ফলে ‘দাদা’র বায়োপিককে কেন্দ্র করে এই অনাকাঙ্ক্ষিত বিতর্ক যে গোটা টিমকেই একটি বড় শিক্ষা দিয়েছে, রাজকুমারের অকপট স্বীকারোক্তিতে তা একপ্রকার জলের মতো পরিষ্কার হয়ে গেল।

বিষয় : Indiannevi

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬


Sourav Ganguly Biopic: ‘দাদা’র বায়োপিকের এআই পোস্টার কাণ্ডে শোরগোল! আড়াই মাস পর ভুল স্বীকার রাজকুমারের

প্রকাশের তারিখ : ০৯ অক্টোবর ২০২৬

featured Image
মুম্বই: ভারতীয় ক্রিকেটের অন্যতম আইকন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বহুল প্রতীক্ষিত বায়োপিকের কাজ শুরু হতেই তা ঘিরে তৈরি হয়েছিল তুমুল উদ্দীপনা। তবে গত জুলাই মাসে ‘দাদা’র জন্মদিনে প্রকাশ পাওয়া ছবির ফার্স্ট লুক পোস্টারকে কেন্দ্র করে তৈরি হয় চরম বিতর্কের ঝড়। লর্ডসের ব্যালকনিতে রাজকুমার রাওয়ের জার্সি ওড়ানোর ছবি দেখে নেটপাড়ায় শুরু হয়েছিল তীব্র সমালোচনা। অনেকেই দাবি করেছিলেন, সৌরভের আসল ছবিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি দিয়ে কেবল রাজকুমারের মুখ ‘সুপারইম্পোজ’ করে দেওয়া হয়েছে। অবশেষে আড়াই মাস নীরব থাকার পর সেই বিতর্কিত পোস্টার কাণ্ডে নিজের ভুল স্বীকার করে মুখ খুললেন অভিনেতা রাজকুমার রাও।গত জুলাই মাসে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বায়োপিকের পোস্টার প্রকাশ্যে আসতেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন অনুরাগীরা। 'চ্যাটজিপিটি বা সাধারণ ফ্যান পেজও এর চেয়ে ভালো পোস্টার বানায়'—এমন নানাবিধ কটাক্ষে ভেসে গিয়েছিল নেট মাধ্যম। এই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে এক সাক্ষাৎকারে রাজকুমার জানান, “যাঁরা পোস্টারটি তৈরি করেছিলেন, তাঁরা এই ভুল থেকে একটা বড় শিক্ষা পেয়েছেন। হুটহাট তাড়াহুড়ো করে কাজ নামানো যে একদম ঠিক নয়, তা টিম বুঝতে পেরেছে। এত তাড়াহুড়ো করার কোনো প্রয়োজন ছিল না। সবচেয়ে বড় কথা, নির্মাতারা বুঝতে পেরেছেন যে 'দাদা'র ভক্তরা এই বায়োপিক নিয়ে ঠিক কতটা আবেগপ্রবণ।”পোস্টারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বাড়াবাড়ির কথা পরোক্ষে স্বীকার করে প্রযুক্তি নিয়ে নিজের স্পষ্ট মতামত ব্যক্ত করেছেন অভিনেতা। রাজকুমারের কথায়, “প্রযুক্তির ভালো এবং মন্দ—দুটোই রয়েছে। এআই-এর অগ্রগতিকে হয়তো সম্পূর্ণ আটকানো যাবে না, তবে প্রযুক্তিকে শুধু সহকারী হিসেবে ব্যবহার করা উচিত। এআইয়ের ওপর অন্ধভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়া মারাত্মক ভুল। আমি কখনই চাই না প্রযুক্তি মানুষের জায়গা দখল করুক, কারণ এতে বহু মানুষের জীবিকা বিপন্ন হতে পারে। ঘরের চার দেয়ালে বসে সফটওয়্যার দিয়ে জীবন্ত কিছু তৈরি করা সম্ভব নয়।”একই সঙ্গে মানবিক আবেগের অপরিহার্যতার কথা তুলে ধরে রাজকুমার রাও স্পষ্ট জানান যে, এআই কখনো মানুষের প্রকৃত অনুভূতির বিকল্প হতে পারে না। কোনো কাজ এআই দিয়ে করা হলে তার মধ্যে প্রাণের ঘাটতি স্পষ্ট ধরা পড়ে এবং তা দেখে সহজেই বোঝা যায় যে এটি একটি কৃত্রিম সংস্করণ। ফলে ‘দাদা’র বায়োপিককে কেন্দ্র করে এই অনাকাঙ্ক্ষিত বিতর্ক যে গোটা টিমকেই একটি বড় শিক্ষা দিয়েছে, রাজকুমারের অকপট স্বীকারোক্তিতে তা একপ্রকার জলের মতো পরিষ্কার হয়ে গেল।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত