Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Debipokkho series review: মা কালীর সোনার জিভ উধাও, তারপরই খুন! বনেদি বাড়ির অন্ধকার রহস্যে কতটা জমল ‘দেবীপক্ষ’?

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
 Debipokkho series review: মা কালীর সোনার জিভ উধাও, তারপরই খুন! বনেদি বাড়ির অন্ধকার রহস্যে কতটা জমল ‘দেবীপক্ষ’?
কেমন হল হইচই-তে মুক্তিপ্রাপ্ত 'দেবীপক্ষ' সিরিজ? সংগৃহীত ছবি

একান্নবর্তী পরিবার মানেই উৎসবের সময়ে ঘরে ফেরা, সম্পর্কের টান আর পুজোর আনন্দ। বনেদি বাড়ি বলতে আমরা এমনই সাজানো ছবি খুঁজি। কিন্তু তার আড়ালেই যদি লুকিয়ে থাকে লোভ, লালসা, ক্ষোভ, আর একের পর এক গোপন কথা? সেই অন্ধকার দিকটাই রহস্য-রোমাঞ্চের মোড়কে সামনে এনেছে হইচই-এর নতুন সিরিজ ‘দেবীপক্ষ’। সাহানা দত্তের কাহিনি অবলম্বনে সিরিজটি পরিচালনা করেছেন সুমন দাস। 


গল্পের কেন্দ্র শীলবাড়ি। স্বপ্নাদেশে পাওয়া সোনার জিভ ছাড়া নাকি দেবীর পুজো সম্পূর্ণ হয় না। তাই প্রতি বছর বিসর্জনের আগে সেই জিভ খুলে নিরাপদে রেখে দেওয়া হয়। কিন্তু দুর্গাপুজোর আগে প্রতিমার গয়না বার করতে গিয়ে হঠাৎ দেখা যায়, সেই সোনার জিভটাই উধাও। সন্দেহের তীর গিয়ে পড়ে বাড়ির ডিভোর্সি বড় বউমা ঈশানীর দিকে। তবে তিনি চুরির কথা স্বীকার করেন না। এর মধ্যেই ঘটে আরও ভয়ঙ্কর ঘটনা। খুন হয়ে যান বাড়ির কর্তা।


সাহানা দত্তের গল্পে লৌকিক বিশ্বাসের সঙ্গে অলৌকিকতার আবহ প্রায়ই দেখা যায়। ‘দেবীপক্ষ’-এও তার ব্যতিক্রম হয়নি। বিশেষ করে বাড়ির পুরুষদের চরিত্রগুলো গল্পকে আরও জটিল করে তোলে। বড়কর্তার মাঝরাতে পাশের বাড়িতে যাওয়া, ছোটকর্তার রহস্যজনক ভাবে বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে পড়া কিংবা বড়ছেলের ভেঙে যাওয়া বিয়ে প্রতিটি ঘটনাই দর্শকের মনে নতুন প্রশ্ন তৈরি করে। অন্যদিকে বাড়ির বউ-মেয়েরা অনেক কিছু জানলেও বেশিরভাগ সময় নীরব। 


চিত্রনাট্য দর্শককে এক চরিত্র থেকে অন্য চরিত্রের দিকে সন্দেহ করতে বাধ্য করে। কে দেবীর সোনার জিভ চুরি করল, কেই বা খুন করল এই উত্তর খুঁজতে গিয়ে আটটি পর্ব জুড়েই থাকে ধোঁয়াশা। চিত্রগ্রহণ, আবহসঙ্গীত এবং অন্ধকার পরিবেশ সেই রহস্যকে আরও গাঢ় করেছে। তবে এখানেই রয়েছে সিরিজটির বড় সমস্যাও। আটটি পর্ব দেখার পরও রহস্যের মূল জট কার্যত খুলল না। ‘দেবীপক্ষ’-এ সেই জায়গাটাই অপূর্ণ থেকে যায়।

বিষয় : Aparajita Adhya Ushashi Ray

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬


Debipokkho series review: মা কালীর সোনার জিভ উধাও, তারপরই খুন! বনেদি বাড়ির অন্ধকার রহস্যে কতটা জমল ‘দেবীপক্ষ’?

প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬

featured Image
একান্নবর্তী পরিবার মানেই উৎসবের সময়ে ঘরে ফেরা, সম্পর্কের টান আর পুজোর আনন্দ। বনেদি বাড়ি বলতে আমরা এমনই সাজানো ছবি খুঁজি। কিন্তু তার আড়ালেই যদি লুকিয়ে থাকে লোভ, লালসা, ক্ষোভ, আর একের পর এক গোপন কথা? সেই অন্ধকার দিকটাই রহস্য-রোমাঞ্চের মোড়কে সামনে এনেছে হইচই-এর নতুন সিরিজ ‘দেবীপক্ষ’। সাহানা দত্তের কাহিনি অবলম্বনে সিরিজটি পরিচালনা করেছেন সুমন দাস। গল্পের কেন্দ্র শীলবাড়ি। স্বপ্নাদেশে পাওয়া সোনার জিভ ছাড়া নাকি দেবীর পুজো সম্পূর্ণ হয় না। তাই প্রতি বছর বিসর্জনের আগে সেই জিভ খুলে নিরাপদে রেখে দেওয়া হয়। কিন্তু দুর্গাপুজোর আগে প্রতিমার গয়না বার করতে গিয়ে হঠাৎ দেখা যায়, সেই সোনার জিভটাই উধাও। সন্দেহের তীর গিয়ে পড়ে বাড়ির ডিভোর্সি বড় বউমা ঈশানীর দিকে। তবে তিনি চুরির কথা স্বীকার করেন না। এর মধ্যেই ঘটে আরও ভয়ঙ্কর ঘটনা। খুন হয়ে যান বাড়ির কর্তা।সাহানা দত্তের গল্পে লৌকিক বিশ্বাসের সঙ্গে অলৌকিকতার আবহ প্রায়ই দেখা যায়। ‘দেবীপক্ষ’-এও তার ব্যতিক্রম হয়নি। বিশেষ করে বাড়ির পুরুষদের চরিত্রগুলো গল্পকে আরও জটিল করে তোলে। বড়কর্তার মাঝরাতে পাশের বাড়িতে যাওয়া, ছোটকর্তার রহস্যজনক ভাবে বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে পড়া কিংবা বড়ছেলের ভেঙে যাওয়া বিয়ে প্রতিটি ঘটনাই দর্শকের মনে নতুন প্রশ্ন তৈরি করে। অন্যদিকে বাড়ির বউ-মেয়েরা অনেক কিছু জানলেও বেশিরভাগ সময় নীরব। চিত্রনাট্য দর্শককে এক চরিত্র থেকে অন্য চরিত্রের দিকে সন্দেহ করতে বাধ্য করে। কে দেবীর সোনার জিভ চুরি করল, কেই বা খুন করল এই উত্তর খুঁজতে গিয়ে আটটি পর্ব জুড়েই থাকে ধোঁয়াশা। চিত্রগ্রহণ, আবহসঙ্গীত এবং অন্ধকার পরিবেশ সেই রহস্যকে আরও গাঢ় করেছে। তবে এখানেই রয়েছে সিরিজটির বড় সমস্যাও। আটটি পর্ব দেখার পরও রহস্যের মূল জট কার্যত খুলল না। ‘দেবীপক্ষ’-এ সেই জায়গাটাই অপূর্ণ থেকে যায়।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত