Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

ধুলিয়ানে ‘অমার্জনীয়’ গাফিলতি! সাসপেন্ড ৩ পুলিশ আধিকারিক, ক্লোজ আইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ধুলিয়ানে ‘অমার্জনীয়’ গাফিলতি! সাসপেন্ড ৩ পুলিশ আধিকারিক, ক্লোজ আইসি
নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী। ছবি : ফেসবুক

কলকাতা: মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ানে যুবকের খণ্ডবিখণ্ড দেহ উদ্ধারের ঘটনায় অবশেষে প্রশাসনিক গাফিলতি মেনে নিয়ে নজিরবিহীন কড়া পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। থানায় লিখিত অভিযোগ জানানো সত্ত্বেও তদন্তে আলসেমি ও চরম উদাসীনতার অভিযোগে সোজা স্বরাষ্ট্র দফতরের কোপ পড়ল নিচুতলার পুলিশ আধিকারিকদের ঘাড়ে। 

ধুলিয়ান পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ, এক এএসআই এবং এক এসআই-কে বরখাস্ত (সাসপেন্ড) করা হয়েছে। পাশাপাশি সমশেরগঞ্জ থানার আইসি-কে পুলিশ লাইনে ক্লোজ এবং ফরাক্কার এসডিপিও-কে শাস্তিমূলক বদলি করার কড়া নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, যিনি রাজ্যের স্বরাষ্ট্র ও পুলিশমন্ত্রীও বটে। একই সঙ্গে ঘটনার মূল রহস্য উদ্ঘাটনে পুরো মামলার তদন্তভার তুলে দেওয়া হয়েছে রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থা সিআইডি-র হাতে।

ধুলিয়ানের নৃশংস খুন ও পুলিশি গাফিলতি 

গত ২৮ অগস্ট মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ানের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ৩৬ বছর বয়সি সুজিত মণ্ডল রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন। তাঁর স্ত্রী সুমনা মণ্ডলের অভিযোগ, ওই দিন সকালে রিয়ান আখতার নামের এক যুবক ফোন করে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় সুজিতকে। স্বামী আর ঘরে না ফেরায় ওই দিনই ধুলিয়ান ফাঁড়িতে ‘মিসিং ডায়েরি’ করেন সুমনাদেবী। 

পরবর্তীতে ৩০ অগস্ট লিখিত এফআইআর-ও দায়ের করা হয়। কিন্তু অভিযোগ, পুলিশের তরফ থেকে বিন্দুমাত্র তৎপরতা দেখানো হয়নি। অবশেষে গত ২ সেপ্টেম্বর ফরাক্কার ফিডার ক্যানালের পাশ থেকে সুজিতের খণ্ডবিখণ্ড ও পচাগলা দেহ উদ্ধার হয়।

এই নারকীয় হত্যাকাণ্ডে ইতিমধ্যেই সামিউল শেখ, তাজকিরা বিবি এবং জনি শেখ নামে তিনজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করলেও স্থানীয় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তোলপাড় শুরু হয় রাজ্য রাজনীতিতে। সোমবার নবান্নে রাজ্য মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন করে এ নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “হরগোবিন্দ দাস, চন্দন দাসদের মতো করে এই খুন করা হয়েছে। নিচুতলার পুলিশ সময়মতো গুরুত্ব দিলে হয়তো এই ভয়াবহ পরিণতি হতো না। পুলিশের এই গাফিলতি কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।”

শাস্তির খাঁড়া, রিপোর্ট তলব এসপি-র কাছে 

নবান্ন সূত্রে খবর, কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে ধুলিয়ান ফাঁড়ির ইনচার্জ, এএসআই সুমন্ত দাস এবং সমশেরগঞ্জ থানার সেকেন্ড অফিসার তথা এসআই সইফুল আলমকে অবিলম্বে নিলম্বিত (সাসপেন্ড) করা হয়েছে। ক্লোজ করা হয়েছে সমশেরগঞ্জ থানার আইসি সুব্রত ঘোষকে। শাস্তিমূলক বদলি করা হয়েছে ফরাক্কার এসডিপিও শেখ সামসুদ্দিনকে। এখানেই শেষ নয়, জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার এসপি সুরিন্দর সিংহের কাছে কারণ দর্শানোর নোটিস (শো-কজ) পাঠিয়েছে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তর। জোনাল আইজি-কে পুরো ঘটনার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বাল্যবিবাহ রুখতে কঠোর পদক্ষেপ: বন্ধ হবে সরকারি ভাতা 

ধুলিয়ান কাণ্ডের পাশাপাশি এদিন রাজ্যে বাল্যবিবাহ নির্মূল করতে একগুচ্ছ মারমুখী প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি অভিযোগ করেন, বিগত তৃণমূল সরকারের আমলে বিশেষত দক্ষিণবঙ্গের সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে বাল্যবিবাহ অনিয়ন্ত্রিত রূপ নিয়েছিল। এই সামাজিক ব্যাধি উপড়ে ফেলতে এবার সরাসরি বাড়ি বাড়ি অভিযান চালাবে রাজ্য প্রশাসন। 

শুভেন্দুবাবু কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, যারা বাল্যবিবাহ দেবে বা করবে, তাদের কড়া শাস্তি দেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলির সমস্ত সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও ভাতা চিরতরে বন্ধ করে দেওয়া হবে। এমনকী যে পুরোহিত বা কাজিরা এই বিয়ের আইনি বা সামাজিক ব্যবস্থা করবেন, তাঁদেরও সোজা জেলে পাঠানো হবে। ইতিমধ্যেই যেসব ক্ষেত্রে বাল্যবিবাহ সম্পন্ন হয়েছে, সেই স্বামীদের শোকজ নোটিস পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে।

প্যারা-টিচারদের মুখে হাসি, এক ধাক্কায় বাড়ল ৫ হাজার টাকা বেতন 

আইনশৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের পাশাপাশি রাজ্য সরকারি ও চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের স্বস্তি দিয়ে বড় ঘোষণা করেছে নবান্ন। প্রাথমিকে ও উচ্চ প্রাথমিকে কর্মরত সমস্ত প্যারা-টিচারদের (পছন্দসই শিক্ষক) মূল বেতন এক ধাক্কায় ৫ হাজার টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য মন্ত্রিসভা।

নতুন এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১ নভেম্বর থেকে প্রাথমিকে প্যারা-টিচারদের বেতন ১১,৯৪১ টাকা থেকে বেড়ে হচ্ছে ১৬,৯৪১ টাকা। এর ফলে সরাসরি উপকৃত হবেন প্রায় ২০,৩৪৩ জন শিক্ষক। অন্যদিকে, আপার প্রাইমারির প্যারা-টিচারদের বেতন ১৫,৫২৩ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০,৫২৩ টাকা করা হলো, যা সুবিধা দেবে ২১,৮৪৯ জন শিক্ষককে। 

শুধু শিক্ষকই নন, শিক্ষাবন্ধু, ম্যানেজমেন্ট স্টাফ, ফরেস্ট গার্ড এবং বন সহায়কদেরও পারিশ্রমিক উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর পাশাপাশি রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে শিক্ষাসংক্রান্ত সমন্বয় ও শিক্ষক রদবদল সহজ করতে ‘ইন্টার ইউনিভার্সিটি ট্রান্সফার বিল’-এ অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা, যা অত্যন্ত জরুরি ভিত্তিতে আসন্ন বিধানসভা অধিবেশনে পেশ করা হবে।

হিডেন স্টোরিজ নিউজ

বিষয় : HiddenStoriesNews

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ধুলিয়ানে ‘অমার্জনীয়’ গাফিলতি! সাসপেন্ড ৩ পুলিশ আধিকারিক, ক্লোজ আইসি

প্রকাশের তারিখ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
কলকাতা: মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ানে যুবকের খণ্ডবিখণ্ড দেহ উদ্ধারের ঘটনায় অবশেষে প্রশাসনিক গাফিলতি মেনে নিয়ে নজিরবিহীন কড়া পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। থানায় লিখিত অভিযোগ জানানো সত্ত্বেও তদন্তে আলসেমি ও চরম উদাসীনতার অভিযোগে সোজা স্বরাষ্ট্র দফতরের কোপ পড়ল নিচুতলার পুলিশ আধিকারিকদের ঘাড়ে। ধুলিয়ান পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ, এক এএসআই এবং এক এসআই-কে বরখাস্ত (সাসপেন্ড) করা হয়েছে। পাশাপাশি সমশেরগঞ্জ থানার আইসি-কে পুলিশ লাইনে ক্লোজ এবং ফরাক্কার এসডিপিও-কে শাস্তিমূলক বদলি করার কড়া নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, যিনি রাজ্যের স্বরাষ্ট্র ও পুলিশমন্ত্রীও বটে। একই সঙ্গে ঘটনার মূল রহস্য উদ্ঘাটনে পুরো মামলার তদন্তভার তুলে দেওয়া হয়েছে রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থা সিআইডি-র হাতে।ধুলিয়ানের নৃশংস খুন ও পুলিশি গাফিলতি গত ২৮ অগস্ট মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ানের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ৩৬ বছর বয়সি সুজিত মণ্ডল রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন। তাঁর স্ত্রী সুমনা মণ্ডলের অভিযোগ, ওই দিন সকালে রিয়ান আখতার নামের এক যুবক ফোন করে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় সুজিতকে। স্বামী আর ঘরে না ফেরায় ওই দিনই ধুলিয়ান ফাঁড়িতে ‘মিসিং ডায়েরি’ করেন সুমনাদেবী। পরবর্তীতে ৩০ অগস্ট লিখিত এফআইআর-ও দায়ের করা হয়। কিন্তু অভিযোগ, পুলিশের তরফ থেকে বিন্দুমাত্র তৎপরতা দেখানো হয়নি। অবশেষে গত ২ সেপ্টেম্বর ফরাক্কার ফিডার ক্যানালের পাশ থেকে সুজিতের খণ্ডবিখণ্ড ও পচাগলা দেহ উদ্ধার হয়।এই নারকীয় হত্যাকাণ্ডে ইতিমধ্যেই সামিউল শেখ, তাজকিরা বিবি এবং জনি শেখ নামে তিনজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করলেও স্থানীয় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তোলপাড় শুরু হয় রাজ্য রাজনীতিতে। সোমবার নবান্নে রাজ্য মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন করে এ নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “হরগোবিন্দ দাস, চন্দন দাসদের মতো করে এই খুন করা হয়েছে। নিচুতলার পুলিশ সময়মতো গুরুত্ব দিলে হয়তো এই ভয়াবহ পরিণতি হতো না। পুলিশের এই গাফিলতি কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।”শাস্তির খাঁড়া, রিপোর্ট তলব এসপি-র কাছে নবান্ন সূত্রে খবর, কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে ধুলিয়ান ফাঁড়ির ইনচার্জ, এএসআই সুমন্ত দাস এবং সমশেরগঞ্জ থানার সেকেন্ড অফিসার তথা এসআই সইফুল আলমকে অবিলম্বে নিলম্বিত (সাসপেন্ড) করা হয়েছে। ক্লোজ করা হয়েছে সমশেরগঞ্জ থানার আইসি সুব্রত ঘোষকে। শাস্তিমূলক বদলি করা হয়েছে ফরাক্কার এসডিপিও শেখ সামসুদ্দিনকে। এখানেই শেষ নয়, জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার এসপি সুরিন্দর সিংহের কাছে কারণ দর্শানোর নোটিস (শো-কজ) পাঠিয়েছে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তর। জোনাল আইজি-কে পুরো ঘটনার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।বাল্যবিবাহ রুখতে কঠোর পদক্ষেপ: বন্ধ হবে সরকারি ভাতা ধুলিয়ান কাণ্ডের পাশাপাশি এদিন রাজ্যে বাল্যবিবাহ নির্মূল করতে একগুচ্ছ মারমুখী প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি অভিযোগ করেন, বিগত তৃণমূল সরকারের আমলে বিশেষত দক্ষিণবঙ্গের সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে বাল্যবিবাহ অনিয়ন্ত্রিত রূপ নিয়েছিল। এই সামাজিক ব্যাধি উপড়ে ফেলতে এবার সরাসরি বাড়ি বাড়ি অভিযান চালাবে রাজ্য প্রশাসন। শুভেন্দুবাবু কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, যারা বাল্যবিবাহ দেবে বা করবে, তাদের কড়া শাস্তি দেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলির সমস্ত সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও ভাতা চিরতরে বন্ধ করে দেওয়া হবে। এমনকী যে পুরোহিত বা কাজিরা এই বিয়ের আইনি বা সামাজিক ব্যবস্থা করবেন, তাঁদেরও সোজা জেলে পাঠানো হবে। ইতিমধ্যেই যেসব ক্ষেত্রে বাল্যবিবাহ সম্পন্ন হয়েছে, সেই স্বামীদের শোকজ নোটিস পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে।প্যারা-টিচারদের মুখে হাসি, এক ধাক্কায় বাড়ল ৫ হাজার টাকা বেতন আইনশৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের পাশাপাশি রাজ্য সরকারি ও চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের স্বস্তি দিয়ে বড় ঘোষণা করেছে নবান্ন। প্রাথমিকে ও উচ্চ প্রাথমিকে কর্মরত সমস্ত প্যারা-টিচারদের (পছন্দসই শিক্ষক) মূল বেতন এক ধাক্কায় ৫ হাজার টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য মন্ত্রিসভা।নতুন এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১ নভেম্বর থেকে প্রাথমিকে প্যারা-টিচারদের বেতন ১১,৯৪১ টাকা থেকে বেড়ে হচ্ছে ১৬,৯৪১ টাকা। এর ফলে সরাসরি উপকৃত হবেন প্রায় ২০,৩৪৩ জন শিক্ষক। অন্যদিকে, আপার প্রাইমারির প্যারা-টিচারদের বেতন ১৫,৫২৩ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০,৫২৩ টাকা করা হলো, যা সুবিধা দেবে ২১,৮৪৯ জন শিক্ষককে। শুধু শিক্ষকই নন, শিক্ষাবন্ধু, ম্যানেজমেন্ট স্টাফ, ফরেস্ট গার্ড এবং বন সহায়কদেরও পারিশ্রমিক উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর পাশাপাশি রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে শিক্ষাসংক্রান্ত সমন্বয় ও শিক্ষক রদবদল সহজ করতে ‘ইন্টার ইউনিভার্সিটি ট্রান্সফার বিল’-এ অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা, যা অত্যন্ত জরুরি ভিত্তিতে আসন্ন বিধানসভা অধিবেশনে পেশ করা হবে।হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত