Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Tmc: শুক্রবারই জোড়াফুল নিয়ে চূড়ান্ত ফয়সালা! প্রতীক-জটে থমকে নন্দীগ্রামের স্ক্রুটিনি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Tmc: শুক্রবারই জোড়াফুল নিয়ে চূড়ান্ত ফয়সালা! প্রতীক-জটে থমকে নন্দীগ্রামের স্ক্রুটিনি
প্রতীক যুদ্ধের ফয়সালা শুক্রবার। ছবি : সংগৃহীত

নয়াদিল্লি ও কলকাতা: ঘাসফুল বা জোড়াফুল প্রতীক শেষ পর্যন্ত কার হাতে থাকবে?

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন কালীঘাট শিবিরের হাতে, নাকি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নতুন শিবিরের দখলে? নির্বাচন কমিশনের ঘরে কয়েক মাস ধরে চলা এই হাই-ভোল্টেজ রাজনৈতিক নাটকের চূড়ান্ত যবনিকা পতন হতে পারে শুক্রবারই। কারণ, ‘আসল তৃণমূল’ কে এবং দলের প্রতীকের প্রকৃত মালিকানা কার— নির্বাচন কমিশন এখনও সেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না জানানোয় চরম আইনি জটিলতায় আটকে গিয়েছে আসন্ন নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা উপনির্বাচনের প্রার্থীদের ভবিষ্যৎ। প্রতীক নিয়ে এই দড়ি টানাটানির জেরে বৃহস্পতিবার নন্দীগ্রামে দুই তৃণমূল প্রার্থীর মনোনয়ন স্ক্রুটিনির কাজও সম্পন্ন করা যায়নি। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশের দিকে তাকিয়ে শুক্রবার সকাল ১১টা পর্যন্ত স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়া মুলতুবি রাখতে বাধ্য হয়েছেন নন্দীগ্রামের রিটার্নিং অফিসার।

আগামী ৬ অক্টোবর হাই-প্রোফাইল নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হতে চলেছে। যার ফলপ্রকাশ হবে ৯ অক্টোবর। বুধবার ছিল এই দুই কেন্দ্রে মনোনয়ন দাখিলের শেষ দিন। নিয়মমাফিক বৃহস্পতিবার থেকে মনোনয়ন যাচাই বা স্ক্রুটিনির প্রক্রিয়া শুরু হয়। কিন্তু কালীঘাট শিবির না ঋতব্রত শিবির— কারা জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহারের ছাড়পত্র পাবে, তার ফয়সালা না হওয়ায় নন্দীগ্রামের রিটার্নিং অফিসার কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। এই উপনির্বাচনে নন্দীগ্রাম আসনে কালীঘাট শিবিরের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে এবং ঋতব্রত শিবিরের প্রার্থী হয়েছেন মহম্মদ এহতেশামুল হক। এখন প্রশ্ন উঠছে, শুক্রবার সকাল ১১টার মধ্যে দিল্লির নির্বাচন সদন কি প্রতীকের জট খুলতে পারবে? নাকি কমিশনের আগে রিটার্নিং অফিসারকেই কোনও কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে?

এই চরম ডামাডোলের মধ্যেই বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে উভয় পক্ষের প্রতিনিধিদের ডেকে পাঠিয়ে দীর্ঘ আলোচনা সেরেছেন কমিশনের শীর্ষ কর্তারা। দফায় দফায় দুই শিবিরের কাছ থেকে একাধিক নথিপত্রও জমা নেওয়া হয়েছে। বৈঠক শেষে কমিশন দপ্তর থেকে বেরিয়ে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী শোনান ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তিনি বলেন, ‘‘কমিশন যতরকম নথিপত্র আমাদের কাছে চেয়েছিল, আমরা তার সবকটি পেশ করেছি। সামনেই রাজ্যের উপনির্বাচন। আমরা প্রবল আশাবাদী যে তার আগেই আমাদের প্রতীক সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়ে যাবে। আমরাই প্রতীক পাব।” অন্যদিকে, কালীঘাট তৃণমূলের প্রতিনিধি তথা প্রবীণ সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় পালটা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘‘ওদের (ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবির) দাবি, প্রতীক সংক্রান্ত যাবতীয় মালিকানা নাকি ২০২৫ সালে শেষ হয়ে গিয়েছে। এটা সম্পূর্ণ ভুল তথ্য। তাহলে আমাদের পালটা প্রশ্ন, সেক্ষেত্রে ওরাই বা কীভাবে ঘাসফুল প্রতীক নিয়ে এই উপনির্বাচনে লড়বে? ২০২৭ সালের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত প্রতীকের আইনি মালিকানা রয়েছে মমতাদির হাতে। কমিশন হয়ত কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিতে পারে। কিন্তু আমরা স্পষ্ট বলতে চাই, সেটা করা একদমই উচিত হবে না। আইনত প্রতীক আমরাই পাব।”

সূত্রের খবর, শনিবার, অর্থাৎ ১৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতেই হবে। যদি কোনও কারণে কমিশন সিদ্ধান্ত নিতে ব্যর্থ হয়, তবে পুরনো নিয়ম অনুযায়ী ঘাসফুল প্রতীকের মালিকানা কালীঘাট তৃণমূলের হাতেই থেকে যাবে। সেক্ষেত্রে ঋতব্রতপন্থী প্রার্থীদের নির্দল হিসেবেই লড়াইয়ের ময়দানে নামতে হবে।

তবে এই প্রতীক-যুদ্ধের সুযোগ নিয়ে ময়দানে নেমে পড়েছে কংগ্রেস। দুই তৃণমূল প্রার্থীরই মনোনয়ন সরাসরি বাতিলের দাবি জানিয়েছে তারা। প্রদেশ কংগ্রেসের মুখপাত্র অজিতেশ পাণ্ডে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “যেহেতু দুই তৃণমূল প্রার্থীই নির্দিষ্ট সময়ে দলের প্রতীক জমা দিতে পারেননি, তাই আইনত তাঁদের মনোনয়ন বাতিল করা হোক। নির্দল প্রার্থীর হয়ে লড়তে গেলে কমপক্ষে ১০ জন প্রস্তাবক প্রয়োজন হয়। কিন্তু এই দুই তৃণমূল প্রার্থীর ক্ষেত্রে মাত্র এক জন করে প্রস্তাবক রয়েছেন। ফলে দুই প্রার্থীর কেউই আর নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারেন না। রিটার্নিং অফিসার যদি ওঁদের মনোনয়ন বাতিল না করেন, তা হলে আমরা আদালতের দ্বারস্থ হয়ে কড়া আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”

এদিকে, জোড়াফুলের এই গৃহযুদ্ধের মাঝেই নন্দীগ্রামে জোরকদমে প্রচার শুরু করে দিয়েছে অন্যান্য দলগুলি। সিপিআই, কংগ্রেস, আইএসএফ-এর পাশাপাশি এই কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রাক্তন আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথের মা হাসিরানি রথ। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিনেই আনুষ্ঠানিক ভাবে নিজের নির্বাচনী প্রচার শুরু করেছেন হাসিরানি দেবী। রেয়াপাড়ায় বিধায়কের কার্যালয়ে দলের মণ্ডল সভাপতি, পাঁচ মণ্ডলের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিধায়ক এবং ১৭টি গ্রাম পঞ্চায়েতের ভারপ্রাপ্ত তমলুক সাংগঠনিক জেলার নেতাদের নিয়ে এক রুদ্ধদ্বার স্ট্র্যাটেজি বৈঠক করেন তিনি। ওই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কাঁথির সাংসদ সৌমেন্দু অধিকারী, তমলুক সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সভাপতি মলয় সিংহ-সহ একাধিক শীর্ষ নেতা। সব মিলিয়ে উপনির্বাচনের আগে নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক পারদ এখন তুঙ্গে। শুক্রবার ঘাসফুলের ভাগ্য নির্ধারণের পরই স্পষ্ট হবে নন্দীগ্রামের আসল লড়াইয়ের চিত্র।

বিষয় : HiddenStoriesNews

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


Tmc: শুক্রবারই জোড়াফুল নিয়ে চূড়ান্ত ফয়সালা! প্রতীক-জটে থমকে নন্দীগ্রামের স্ক্রুটিনি

প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
নয়াদিল্লি ও কলকাতা: ঘাসফুল বা জোড়াফুল প্রতীক শেষ পর্যন্ত কার হাতে থাকবে? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন কালীঘাট শিবিরের হাতে, নাকি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নতুন শিবিরের দখলে? নির্বাচন কমিশনের ঘরে কয়েক মাস ধরে চলা এই হাই-ভোল্টেজ রাজনৈতিক নাটকের চূড়ান্ত যবনিকা পতন হতে পারে শুক্রবারই। কারণ, ‘আসল তৃণমূল’ কে এবং দলের প্রতীকের প্রকৃত মালিকানা কার— নির্বাচন কমিশন এখনও সেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না জানানোয় চরম আইনি জটিলতায় আটকে গিয়েছে আসন্ন নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা উপনির্বাচনের প্রার্থীদের ভবিষ্যৎ। প্রতীক নিয়ে এই দড়ি টানাটানির জেরে বৃহস্পতিবার নন্দীগ্রামে দুই তৃণমূল প্রার্থীর মনোনয়ন স্ক্রুটিনির কাজও সম্পন্ন করা যায়নি। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশের দিকে তাকিয়ে শুক্রবার সকাল ১১টা পর্যন্ত স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়া মুলতুবি রাখতে বাধ্য হয়েছেন নন্দীগ্রামের রিটার্নিং অফিসার।আগামী ৬ অক্টোবর হাই-প্রোফাইল নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হতে চলেছে। যার ফলপ্রকাশ হবে ৯ অক্টোবর। বুধবার ছিল এই দুই কেন্দ্রে মনোনয়ন দাখিলের শেষ দিন। নিয়মমাফিক বৃহস্পতিবার থেকে মনোনয়ন যাচাই বা স্ক্রুটিনির প্রক্রিয়া শুরু হয়। কিন্তু কালীঘাট শিবির না ঋতব্রত শিবির— কারা জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহারের ছাড়পত্র পাবে, তার ফয়সালা না হওয়ায় নন্দীগ্রামের রিটার্নিং অফিসার কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। এই উপনির্বাচনে নন্দীগ্রাম আসনে কালীঘাট শিবিরের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে এবং ঋতব্রত শিবিরের প্রার্থী হয়েছেন মহম্মদ এহতেশামুল হক। এখন প্রশ্ন উঠছে, শুক্রবার সকাল ১১টার মধ্যে দিল্লির নির্বাচন সদন কি প্রতীকের জট খুলতে পারবে? নাকি কমিশনের আগে রিটার্নিং অফিসারকেই কোনও কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে?এই চরম ডামাডোলের মধ্যেই বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে উভয় পক্ষের প্রতিনিধিদের ডেকে পাঠিয়ে দীর্ঘ আলোচনা সেরেছেন কমিশনের শীর্ষ কর্তারা। দফায় দফায় দুই শিবিরের কাছ থেকে একাধিক নথিপত্রও জমা নেওয়া হয়েছে। বৈঠক শেষে কমিশন দপ্তর থেকে বেরিয়ে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী শোনান ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তিনি বলেন, ‘‘কমিশন যতরকম নথিপত্র আমাদের কাছে চেয়েছিল, আমরা তার সবকটি পেশ করেছি। সামনেই রাজ্যের উপনির্বাচন। আমরা প্রবল আশাবাদী যে তার আগেই আমাদের প্রতীক সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়ে যাবে। আমরাই প্রতীক পাব।” অন্যদিকে, কালীঘাট তৃণমূলের প্রতিনিধি তথা প্রবীণ সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় পালটা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘‘ওদের (ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবির) দাবি, প্রতীক সংক্রান্ত যাবতীয় মালিকানা নাকি ২০২৫ সালে শেষ হয়ে গিয়েছে। এটা সম্পূর্ণ ভুল তথ্য। তাহলে আমাদের পালটা প্রশ্ন, সেক্ষেত্রে ওরাই বা কীভাবে ঘাসফুল প্রতীক নিয়ে এই উপনির্বাচনে লড়বে? ২০২৭ সালের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত প্রতীকের আইনি মালিকানা রয়েছে মমতাদির হাতে। কমিশন হয়ত কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিতে পারে। কিন্তু আমরা স্পষ্ট বলতে চাই, সেটা করা একদমই উচিত হবে না। আইনত প্রতীক আমরাই পাব।”সূত্রের খবর, শনিবার, অর্থাৎ ১৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতেই হবে। যদি কোনও কারণে কমিশন সিদ্ধান্ত নিতে ব্যর্থ হয়, তবে পুরনো নিয়ম অনুযায়ী ঘাসফুল প্রতীকের মালিকানা কালীঘাট তৃণমূলের হাতেই থেকে যাবে। সেক্ষেত্রে ঋতব্রতপন্থী প্রার্থীদের নির্দল হিসেবেই লড়াইয়ের ময়দানে নামতে হবে।তবে এই প্রতীক-যুদ্ধের সুযোগ নিয়ে ময়দানে নেমে পড়েছে কংগ্রেস। দুই তৃণমূল প্রার্থীরই মনোনয়ন সরাসরি বাতিলের দাবি জানিয়েছে তারা। প্রদেশ কংগ্রেসের মুখপাত্র অজিতেশ পাণ্ডে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “যেহেতু দুই তৃণমূল প্রার্থীই নির্দিষ্ট সময়ে দলের প্রতীক জমা দিতে পারেননি, তাই আইনত তাঁদের মনোনয়ন বাতিল করা হোক। নির্দল প্রার্থীর হয়ে লড়তে গেলে কমপক্ষে ১০ জন প্রস্তাবক প্রয়োজন হয়। কিন্তু এই দুই তৃণমূল প্রার্থীর ক্ষেত্রে মাত্র এক জন করে প্রস্তাবক রয়েছেন। ফলে দুই প্রার্থীর কেউই আর নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারেন না। রিটার্নিং অফিসার যদি ওঁদের মনোনয়ন বাতিল না করেন, তা হলে আমরা আদালতের দ্বারস্থ হয়ে কড়া আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”এদিকে, জোড়াফুলের এই গৃহযুদ্ধের মাঝেই নন্দীগ্রামে জোরকদমে প্রচার শুরু করে দিয়েছে অন্যান্য দলগুলি। সিপিআই, কংগ্রেস, আইএসএফ-এর পাশাপাশি এই কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রাক্তন আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথের মা হাসিরানি রথ। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিনেই আনুষ্ঠানিক ভাবে নিজের নির্বাচনী প্রচার শুরু করেছেন হাসিরানি দেবী। রেয়াপাড়ায় বিধায়কের কার্যালয়ে দলের মণ্ডল সভাপতি, পাঁচ মণ্ডলের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিধায়ক এবং ১৭টি গ্রাম পঞ্চায়েতের ভারপ্রাপ্ত তমলুক সাংগঠনিক জেলার নেতাদের নিয়ে এক রুদ্ধদ্বার স্ট্র্যাটেজি বৈঠক করেন তিনি। ওই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কাঁথির সাংসদ সৌমেন্দু অধিকারী, তমলুক সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সভাপতি মলয় সিংহ-সহ একাধিক শীর্ষ নেতা। সব মিলিয়ে উপনির্বাচনের আগে নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক পারদ এখন তুঙ্গে। শুক্রবার ঘাসফুলের ভাগ্য নির্ধারণের পরই স্পষ্ট হবে নন্দীগ্রামের আসল লড়াইয়ের চিত্র।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত