Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Dubai To TelAviv: মাঝ আকাশে দুবাইয়ের বিমান ছিনতাইয়ের চক্রান্ত? তড়িঘড়ি উড়ল ফাইটার জেট, সৌদিতে জরুরি অবতরণে রক্ষা শতাধিক যাত্রীর!

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Dubai To TelAviv: মাঝ আকাশে দুবাইয়ের বিমান ছিনতাইয়ের চক্রান্ত? তড়িঘড়ি উড়ল ফাইটার জেট, সৌদিতে জরুরি অবতরণে রক্ষা শতাধিক যাত্রীর!
প্রতীকী ছবি

রিয়াদ: আন্তর্জাতিক আকাশসীমায় ফের এক চরম আতঙ্কের মুহূর্ত! দুবাই থেকে ইজরায়েলের তেল আভিভগামী একটি যাত্রীবাহী বিমানে মাঝ আকাশেই জারি করা হলো আন্তর্জাতিক জরুরি সংকেত। সৌদি আরবের আকাশসীমায় থাকাকালীন আচমকাই ‘স্কোয়াক ৭৭০০’ কোডের বিপদ সংকেত পাঠায় বিমানটি। এর পরপরই বিমানটি নিজের গতিপথ দ্রুত পরিবর্তন করে এবং কোনোক্রমে সৌদি আরবের একটি বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে। বিমানটি ছিনতাই করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মহলে চরম শোরগোল ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়। এমনকি জরুরি বৈঠকে বসে পড়েন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী নিজে।

উড়ান ট্র্যাকিং সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, ফ্লাইদুবাই সংস্থার ‘এফজেড১০৭৩’ (FZ1073) বিমানটি দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তেল আভিভের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিল। কিন্তু সৌদি আকাশসীমা অতিক্রম করার সময় বিমানটির পাইলট কন্ট্রোল রুমে ‘৭৭০০’ ডায়াল করে জরুরি বার্তা পাঠান। বিমান চলাচলের নিয়ম অনুযায়ী, এই নির্দিষ্ট সংকেতের অর্থ হলো মাঝ আকাশে কোনো গুরুতর বা আশঙ্কাজনক পরিস্থিতি তৈরি হওয়া। এই বার্তা পাওয়ামাত্রই পুরো মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথে নজিরবিহীন তৎপরতা শুরু হয়ে যায়। ঘটনার গুরুত্ব বুঝে সঙ্গে সঙ্গেই ইজরায়েলি বায়ুসেনার বেশ কয়েকটি যুদ্ধবিমান আকাশপথে উড়িয়ে দেওয়া হয় ওই বিমানে নজরদারির উদ্দেশ্যে।

বিপদ সংকেত জানানোর পরপরই বিমানটির পাইলট গতিপথ বদলে ফেলেন। তেল আভিভের দিকে না গিয়ে সেটি উল্টো ঘুরে সৌদি আরবের একটি বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করে। বিমানটি নিরাপদে মাটিতে নামার পরেই স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেন আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন কর্মকর্তারা। প্রাথমিক তদন্ত ও নিরাপত্তার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখার পর ইজরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘দ্য টাইমস অফ ইজরায়েল’-এর তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, বিমান ছিনতাইয়ের কোনো সম্ভাবনা বা ষড়যন্ত্র এই ঘটনার পিছনে ছিল না।

যদিও ঠিক কী ধরনের প্রযুক্তিগত ত্রুটি বা হঠাৎ শারীরিক সমস্যা তৈরি হওয়ার কারণে ওই আপৎকালীন সংকেত পাঠাতে বাধ্য হয়েছিলেন পাইলট, এবং কেনই বা তেল আভিভ এড়িয়ে সৌদিতে ল্যান্ড করতে হলো, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা কাটেনি। সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক পরিবহন সংস্থা এবং গোয়েন্দা আধিকারিকেরা ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে বিস্তারিত তদন্ত চালাচ্ছেন। তবে শত উদ্বেগের মাঝেও সমস্ত যাত্রী সুরক্ষিত থাকায় আন্তর্জাতিক মহলে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।


বিষয় : aviationnews HiddenStoriesNews saudiarabia emergencylanding DubaiToTelAviv FlyDubai Squawk7700 MiddleEastNews IsraelNews BreakingNewsWorld

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


Dubai To TelAviv: মাঝ আকাশে দুবাইয়ের বিমান ছিনতাইয়ের চক্রান্ত? তড়িঘড়ি উড়ল ফাইটার জেট, সৌদিতে জরুরি অবতরণে রক্ষা শতাধিক যাত্রীর!

প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
রিয়াদ: আন্তর্জাতিক আকাশসীমায় ফের এক চরম আতঙ্কের মুহূর্ত! দুবাই থেকে ইজরায়েলের তেল আভিভগামী একটি যাত্রীবাহী বিমানে মাঝ আকাশেই জারি করা হলো আন্তর্জাতিক জরুরি সংকেত। সৌদি আরবের আকাশসীমায় থাকাকালীন আচমকাই ‘স্কোয়াক ৭৭০০’ কোডের বিপদ সংকেত পাঠায় বিমানটি। এর পরপরই বিমানটি নিজের গতিপথ দ্রুত পরিবর্তন করে এবং কোনোক্রমে সৌদি আরবের একটি বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে। বিমানটি ছিনতাই করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মহলে চরম শোরগোল ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়। এমনকি জরুরি বৈঠকে বসে পড়েন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী নিজে।উড়ান ট্র্যাকিং সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, ফ্লাইদুবাই সংস্থার ‘এফজেড১০৭৩’ (FZ1073) বিমানটি দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তেল আভিভের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিল। কিন্তু সৌদি আকাশসীমা অতিক্রম করার সময় বিমানটির পাইলট কন্ট্রোল রুমে ‘৭৭০০’ ডায়াল করে জরুরি বার্তা পাঠান। বিমান চলাচলের নিয়ম অনুযায়ী, এই নির্দিষ্ট সংকেতের অর্থ হলো মাঝ আকাশে কোনো গুরুতর বা আশঙ্কাজনক পরিস্থিতি তৈরি হওয়া। এই বার্তা পাওয়ামাত্রই পুরো মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথে নজিরবিহীন তৎপরতা শুরু হয়ে যায়। ঘটনার গুরুত্ব বুঝে সঙ্গে সঙ্গেই ইজরায়েলি বায়ুসেনার বেশ কয়েকটি যুদ্ধবিমান আকাশপথে উড়িয়ে দেওয়া হয় ওই বিমানে নজরদারির উদ্দেশ্যে।বিপদ সংকেত জানানোর পরপরই বিমানটির পাইলট গতিপথ বদলে ফেলেন। তেল আভিভের দিকে না গিয়ে সেটি উল্টো ঘুরে সৌদি আরবের একটি বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করে। বিমানটি নিরাপদে মাটিতে নামার পরেই স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেন আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন কর্মকর্তারা। প্রাথমিক তদন্ত ও নিরাপত্তার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখার পর ইজরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘দ্য টাইমস অফ ইজরায়েল’-এর তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, বিমান ছিনতাইয়ের কোনো সম্ভাবনা বা ষড়যন্ত্র এই ঘটনার পিছনে ছিল না।যদিও ঠিক কী ধরনের প্রযুক্তিগত ত্রুটি বা হঠাৎ শারীরিক সমস্যা তৈরি হওয়ার কারণে ওই আপৎকালীন সংকেত পাঠাতে বাধ্য হয়েছিলেন পাইলট, এবং কেনই বা তেল আভিভ এড়িয়ে সৌদিতে ল্যান্ড করতে হলো, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা কাটেনি। সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক পরিবহন সংস্থা এবং গোয়েন্দা আধিকারিকেরা ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে বিস্তারিত তদন্ত চালাচ্ছেন। তবে শত উদ্বেগের মাঝেও সমস্ত যাত্রী সুরক্ষিত থাকায় আন্তর্জাতিক মহলে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত