ওজন কমানোর চেষ্টায় চিয়া বীজকে কি রোজকার সঙ্গী করে ফেলেছেন? তাহলে শুধু কতটা খাচ্ছেন সেটা নয়। একাধারে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যে কীভাবে খাচ্ছেন। চিয়া বীজে রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট এবং যথেষ্ট পরিমাণে ফাইবার। তাই এটি খেলে বেশ কিছুক্ষণ পেট ভর্তি থাকার অনুভূতি হতে পারে। হজম এবং বিপাকক্রিয়াতেও সহায়ক হতে পারে এই বীজ।
তবে একটা বিষয় মনে রাখা দরকার। চিয়া উপকারী মানেই ইচ্ছেমতো খেলেই বেশি উপকার পাওয়া যাবে, এমনটা নয়। বরং ভুলভাবে খেলে হজমের সমস্যা তৈরি হতে পারে। আবার সবার শরীরেও একই খাবার একইভাবে কাজ করে না। তাই চিয়া খাওয়ার ক্ষেত্রেও কয়েকটি সাধারণ ভুল এড়িয়ে চলা জরুরি।
শুকনো চিয়া সরাসরি খাবারে মেশাবেন না
ওট্স, স্মুদি বা অন্য কোনও খাবারের উপর অনেকে শুকনো চিয়া বীজ ছড়িয়ে দেন। কিন্তু চিয়া বীজ প্রচুর তরল শোষণ করে ফুলে ওঠে। তাই পর্যাপ্ত তরল ছাড়া বেশি পরিমাণে শুকনো চিয়া খেলে পেট ফাঁপা, অস্বস্তি বা হজমের সমস্যা হতে পারে। তাই খাওয়ার আগে ভিজিয়ে নেওয়াই ভাল।
কম সময় থাকলেও অন্তত কিছুক্ষণ ভেজান
চিয়া বীজ খাওয়ার আগে বেশ কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখুন। সবচেয়ে সুবিধা হল রাতে জলে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন সকালে খাওয়া। তবে আগের রাতে ভেজাতে ভুলে গেলে অন্তত ২০ মিনিট জলে ভিজিয়ে নিতে পারেন। এতে বীজ নরম হয়ে জেলির মতো হয়ে যায় এবং খাওয়াও সহজ হয়।
শুধু জলেই আটকে থাকবেন না
চিয়া ভেজানো জল খাওয়ার চল এখন বেশ জনপ্রিয়। তবে চাইলে এটিকে আরও পুষ্টিকর এবং পেটভরা খাবারের অংশ করে নিতে পারেন। দইয়ের সঙ্গে ভেজানো চিয়া মিশিয়ে খাওয়া যায়। ফলের সঙ্গেও যোগ করতে পারেন। ওট্স বা স্মুদিতেও ভেজানো চিয়া ব্যবহার করা যায়।
তবে চিয়া বীজ কোনও ‘ম্যাজিক’ ওজন কমানোর খাবার নয়। শুধু ডায়েটে চিয়া যোগ করলেই যে ওজন কমবে, এমন নয়। সুষম খাবার, পর্যাপ্ত শারীরিক পরিশ্রম এবং সামগ্রিক খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে মিলিয়েই এর ব্যবহার করা উচিত।
বিষয় : Chia Seeds

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আপনার মতামত লিখুন