Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

NASA: নজর এড়িয়েই চাঁদে আছড়ে পড়েছিল মহাজাগতিক বস্তু! ১৩২ বছরে একবারের সেই আঘাতের ছবি এবার প্রকাশ্যে

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
NASA: নজর এড়িয়েই চাঁদে আছড়ে পড়েছিল মহাজাগতিক বস্তু! ১৩২ বছরে একবারের সেই আঘাতের ছবি এবার প্রকাশ্যে
ছবিঃ সংগৃহীত

চাঁদের বুকেই তৈরি হয়েছে বিশাল এক গর্ত। আকারে যা রোমান কলোসিয়ামের থেকেও বড়। কিন্তু অবাক করার মতো বিষয়, এই গর্ত যে একেবারে নতুন তা নয়। প্রায় দু’বছর আগে চাঁদের মাটিতে ভয়ঙ্কর এক মহাজাগতিক সংঘর্ষের জেরে তৈরি হয়েছিল এই গর্ত। 


গবেষকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গর্তটির ব্যাস প্রায় ২২২ মিটার এবং গভীরতা সর্বোচ্চ ৪৩ মিটার। সাম্প্রতিক সময়ে সৌরজগতে তৈরি হওয়া সবচেয়ে বড় পরিচিত আঘাতজনিত গর্ত হিসেবেও এটিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। কিন্তু কীসের ধাক্কায় এমন বিশাল গর্ত তৈরি হল? বিজ্ঞানীদের অনুমান, কোনও গ্রহাণু বা ধূমকেতুর টুকরো প্রচণ্ড গতিতে চাঁদের গায়ে আছড়ে পড়েছিল। ২০২৪ সালের এপ্রিল থেকে মে মাসের মধ্যে কোনও এক সময়ে ঘটে সেই সংঘর্ষ। আঘাতের শক্তি এতটাই ছিল যে চাঁদের উপরিভাগের মাটি ও পাথর ছিটকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত চলে যায়।


গর্তটির চারপাশেও পাওয়া গিয়েছে পরিবর্তন। প্রায় সাত কিলোমিটার চওড়া একটি অংশে মাটির তাপমাত্রা আশপাশের এলাকার তুলনায় কম। বিজ্ঞানীদের ধারণা, সংঘর্ষের ফলে চাঁদের উপরিভাগের মাটি আলগা হয়ে যাওয়ায় তাপ ধরে রাখার ক্ষমতাতেও পরিবর্তন এসেছে। এমনকী চাঁদে বহু বছর আগে মহাকাশচারীদের রেখে যাওয়া পায়ের ছাপ নিয়েও নতুন প্রশ্ন উঠছে। এ ভবিষ্যতের চন্দ্র অভিযানের কথা মাথায় রেখে ই আবিষ্কারের গুরুত্ব আরও বাড়ছে। নাসা চাঁদে দীর্ঘমেয়াদি মানব উপস্থিতির পরিকল্পনা করছে। নতুন এই গর্তের তথ্য ভবিষ্যতের চন্দ্রঘাঁটির নকশা ও সুরক্ষা পরিকল্পনাতেও কাজে লাগতে পারে। গবেষকদের হিসাব, এই মাত্রার বড় সংঘর্ষ চাঁদে প্রায়শই ঘটে না। প্রায় ১৩২ বছরে একবার এমন ঘটনা ঘটতে পারে। 

বিষয় : NASA Moon Crater

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬


NASA: নজর এড়িয়েই চাঁদে আছড়ে পড়েছিল মহাজাগতিক বস্তু! ১৩২ বছরে একবারের সেই আঘাতের ছবি এবার প্রকাশ্যে

প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
চাঁদের বুকেই তৈরি হয়েছে বিশাল এক গর্ত। আকারে যা রোমান কলোসিয়ামের থেকেও বড়। কিন্তু অবাক করার মতো বিষয়, এই গর্ত যে একেবারে নতুন তা নয়। প্রায় দু’বছর আগে চাঁদের মাটিতে ভয়ঙ্কর এক মহাজাগতিক সংঘর্ষের জেরে তৈরি হয়েছিল এই গর্ত। গবেষকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গর্তটির ব্যাস প্রায় ২২২ মিটার এবং গভীরতা সর্বোচ্চ ৪৩ মিটার। সাম্প্রতিক সময়ে সৌরজগতে তৈরি হওয়া সবচেয়ে বড় পরিচিত আঘাতজনিত গর্ত হিসেবেও এটিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। কিন্তু কীসের ধাক্কায় এমন বিশাল গর্ত তৈরি হল? বিজ্ঞানীদের অনুমান, কোনও গ্রহাণু বা ধূমকেতুর টুকরো প্রচণ্ড গতিতে চাঁদের গায়ে আছড়ে পড়েছিল। ২০২৪ সালের এপ্রিল থেকে মে মাসের মধ্যে কোনও এক সময়ে ঘটে সেই সংঘর্ষ। আঘাতের শক্তি এতটাই ছিল যে চাঁদের উপরিভাগের মাটি ও পাথর ছিটকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত চলে যায়।গর্তটির চারপাশেও পাওয়া গিয়েছে পরিবর্তন। প্রায় সাত কিলোমিটার চওড়া একটি অংশে মাটির তাপমাত্রা আশপাশের এলাকার তুলনায় কম। বিজ্ঞানীদের ধারণা, সংঘর্ষের ফলে চাঁদের উপরিভাগের মাটি আলগা হয়ে যাওয়ায় তাপ ধরে রাখার ক্ষমতাতেও পরিবর্তন এসেছে। এমনকী চাঁদে বহু বছর আগে মহাকাশচারীদের রেখে যাওয়া পায়ের ছাপ নিয়েও নতুন প্রশ্ন উঠছে। এ ভবিষ্যতের চন্দ্র অভিযানের কথা মাথায় রেখে ই আবিষ্কারের গুরুত্ব আরও বাড়ছে। নাসা চাঁদে দীর্ঘমেয়াদি মানব উপস্থিতির পরিকল্পনা করছে। নতুন এই গর্তের তথ্য ভবিষ্যতের চন্দ্রঘাঁটির নকশা ও সুরক্ষা পরিকল্পনাতেও কাজে লাগতে পারে। গবেষকদের হিসাব, এই মাত্রার বড় সংঘর্ষ চাঁদে প্রায়শই ঘটে না। প্রায় ১৩২ বছরে একবার এমন ঘটনা ঘটতে পারে। 

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত