Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Nandigram By Poll: ভোটে লড়া আটকাতে সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য! প্রধান বিচারপতির এক পর্যবেক্ষণে চরম ধাক্কা, নন্দীগ্রামে বড় স্বস্তি কংগ্রেসের!

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Nandigram By Poll: ভোটে লড়া আটকাতে সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য! প্রধান বিচারপতির এক পর্যবেক্ষণে চরম ধাক্কা, নন্দীগ্রামে বড় স্বস্তি কংগ্রেসের!
নন্দীগ্রামে বড় স্বস্তি কংগ্রেসের। ফাইল ছবি

নয়াদিল্লি: নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে নতুন নাটকীয় মোড়। হাই কোর্ট থেকে জামিন পাওয়ার পর কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের স্বস্তি কাড়তে তড়িঘড়ি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। কিন্তু সর্বোচ্চ আদালতেও মুখ পুড়লো রাজ্যের। নন্দীগ্রামের হাত শিবিরের প্রার্থীকে দেওয়া কলকাতা হাই কোর্টের অন্তর্বর্তী জামিনের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে করা রাজ্য সরকারের মামলায় চরম অসন্তোষ প্রকাশ করলেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। আদালত স্পষ্ট পর্যবেক্ষণ জানিয়ে দিয়েছে যে, রাজ্যের এই আবেদন খারিজ করে দেওয়া হবে। সোমবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি ধার্য হলেও সর্বোচ্চ আদালতের এমন পর্যবেক্ষণে বড় সড় স্বস্তি মিলল কংগ্রেস শিবিরে।

ঘটনার সূত্রপাত নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের ঠিক মুখটিতে। কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে মিলন প্রধানের নাম ঘোষণার কয়েক দিনের মধ্যেই এক পুরোনো মামলায় তাঁকে রাতারাতি গ্রেফতার করে পুলিশ। আদালতের নির্দেশে জেল হেফাজতে দিন কাটছিল তাঁর। উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময় মিলনের বিরুদ্ধে খুনসহ মোট ১১টি গুরুতর মামলা দায়ের হয়েছিল। যার মধ্যে ৬টি মামলা পরবর্তীকালে রাজ্য সরকার প্রত্যাহার করে নেয়। বাকি মামলাগুলিতে আইনি রক্ষাকবচ ও জামিন চেয়ে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হন কংগ্রেস প্রার্থী। দীর্ঘ সওয়াল-জবাব শেষে কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ মঙ্গলবার সকালে বড় রায় দেন। খেজুড়ি ও নন্দীগ্রাম থানার মোট ৬টি মামলায় আগামী ২০ অক্টোবর পর্যন্ত মিলন প্রধানের অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করে আদালত।

হাই কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করতে হবে এবং পুলিশ দিনে দু’বার তাঁকে ফোন করে খোঁজ নেবে। আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রামে ভোটগ্রহণ, আর ৪ অক্টোবর পর্যন্ত প্রচারের শেষ সময়। আদালতের এই রায়ের ফলে জেলমুক্ত হয়ে প্রচারে নামতে মিলন প্রধানের আর কোনো আইনি বাধা রইল না। তবে হাই কোর্টের এই সিদ্ধান্ত মানতে নারাজ হয়ে রাজ্য সরকার প্রশ্ন তোলে, একজন সাধারণ প্রার্থী কেন আদালতের কাছে বাড়তি সুবিধা পাবেন? এই যুক্তি নিয়ে রাজ্য সুপ্রিম কোর্টে দ্রুত শুনানির আর্জি জানালেও আদালতের কঠোর মনোভাব রাজ্যের অস্বস্তি অনেকটাই বাড়িয়ে দিল।

উপনির্বাচনের আগে কংগ্রেস প্রার্থীর জেলমুক্তি এবং সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যের আর্জি খারিজ হওয়ার ইঙ্গিত— দুই মিলিয়ে নন্দীগ্রামের নির্বাচনী সমীকরণে নতুন প্রাণের সঞ্চার হয়েছে। আইনি লড়াই পেরিয়ে এখন সোজা ভোটের ময়দানে লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন মিলন প্রধান।


বিষয় : BengalPolitics CalcuttaHighCourt HiddenStoriesNews supremecourtofindia Congress NandigramBypoll MilanPradhan NandigramElection BreakingNewsBenga

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


Nandigram By Poll: ভোটে লড়া আটকাতে সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য! প্রধান বিচারপতির এক পর্যবেক্ষণে চরম ধাক্কা, নন্দীগ্রামে বড় স্বস্তি কংগ্রেসের!

প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
নয়াদিল্লি: নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে নতুন নাটকীয় মোড়। হাই কোর্ট থেকে জামিন পাওয়ার পর কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের স্বস্তি কাড়তে তড়িঘড়ি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। কিন্তু সর্বোচ্চ আদালতেও মুখ পুড়লো রাজ্যের। নন্দীগ্রামের হাত শিবিরের প্রার্থীকে দেওয়া কলকাতা হাই কোর্টের অন্তর্বর্তী জামিনের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে করা রাজ্য সরকারের মামলায় চরম অসন্তোষ প্রকাশ করলেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। আদালত স্পষ্ট পর্যবেক্ষণ জানিয়ে দিয়েছে যে, রাজ্যের এই আবেদন খারিজ করে দেওয়া হবে। সোমবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি ধার্য হলেও সর্বোচ্চ আদালতের এমন পর্যবেক্ষণে বড় সড় স্বস্তি মিলল কংগ্রেস শিবিরে।ঘটনার সূত্রপাত নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের ঠিক মুখটিতে। কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে মিলন প্রধানের নাম ঘোষণার কয়েক দিনের মধ্যেই এক পুরোনো মামলায় তাঁকে রাতারাতি গ্রেফতার করে পুলিশ। আদালতের নির্দেশে জেল হেফাজতে দিন কাটছিল তাঁর। উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময় মিলনের বিরুদ্ধে খুনসহ মোট ১১টি গুরুতর মামলা দায়ের হয়েছিল। যার মধ্যে ৬টি মামলা পরবর্তীকালে রাজ্য সরকার প্রত্যাহার করে নেয়। বাকি মামলাগুলিতে আইনি রক্ষাকবচ ও জামিন চেয়ে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হন কংগ্রেস প্রার্থী। দীর্ঘ সওয়াল-জবাব শেষে কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ মঙ্গলবার সকালে বড় রায় দেন। খেজুড়ি ও নন্দীগ্রাম থানার মোট ৬টি মামলায় আগামী ২০ অক্টোবর পর্যন্ত মিলন প্রধানের অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করে আদালত।হাই কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করতে হবে এবং পুলিশ দিনে দু’বার তাঁকে ফোন করে খোঁজ নেবে। আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রামে ভোটগ্রহণ, আর ৪ অক্টোবর পর্যন্ত প্রচারের শেষ সময়। আদালতের এই রায়ের ফলে জেলমুক্ত হয়ে প্রচারে নামতে মিলন প্রধানের আর কোনো আইনি বাধা রইল না। তবে হাই কোর্টের এই সিদ্ধান্ত মানতে নারাজ হয়ে রাজ্য সরকার প্রশ্ন তোলে, একজন সাধারণ প্রার্থী কেন আদালতের কাছে বাড়তি সুবিধা পাবেন? এই যুক্তি নিয়ে রাজ্য সুপ্রিম কোর্টে দ্রুত শুনানির আর্জি জানালেও আদালতের কঠোর মনোভাব রাজ্যের অস্বস্তি অনেকটাই বাড়িয়ে দিল।উপনির্বাচনের আগে কংগ্রেস প্রার্থীর জেলমুক্তি এবং সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যের আর্জি খারিজ হওয়ার ইঙ্গিত— দুই মিলিয়ে নন্দীগ্রামের নির্বাচনী সমীকরণে নতুন প্রাণের সঞ্চার হয়েছে। আইনি লড়াই পেরিয়ে এখন সোজা ভোটের ময়দানে লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন মিলন প্রধান।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত