Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Rajnath Singh: 'সন্ত্রাসবাদ রুখতে কোনো দ্বিচারিতা চলবে না!' পাক বিদেশমন্ত্রীর সামনেই রাজনাথের আগুনে ঝাঁঝালো বার্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ অক্টোবর ২০২৬
Rajnath Singh: 'সন্ত্রাসবাদ রুখতে কোনো দ্বিচারিতা চলবে না!' পাক বিদেশমন্ত্রীর সামনেই রাজনাথের আগুনে ঝাঁঝালো বার্তা
প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ। ফাইল ছবি

নতুন দিল্লি: সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক স্তরে কোনো রকম দ্বিচারিতা বা ভণ্ডামি বরদাস্ত করা হবে না। তাজিকিস্তানের দুশানবে শহরে আয়োজিত সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন বা এসসিও (SCO) সম্মেলনের রাষ্ট্রপ্রধানদের বৈঠকে যোগ দিয়ে ঠিক এই ভাষাতেই আন্তর্জাতিক মঞ্চ থেকে চরম বার্তা দিলেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ। সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, যখন প্রতিরক্ষামন্ত্রী সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে এমন বিস্ফোরক ও আক্রমণাত্মক বক্তব্য রাখছেন, ঠিক সেই একই বৈঠকে তাঁর পাশেই একই টেবিলে বসেছিলেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী তথা বিদেশমন্ত্রী ইশাক দার। প্রকাশ্য মঞ্চে পাক প্রতিনিধির চোখের দিকে তাকিয়ে ভারতের এই স্পষ্ট অবস্থান বিশ্ব রাজনীতিতে প্রবল আলোড়ন ফেলে দিয়েছে।

সন্ত্রাসবাদের ভয়াবহ বিপদ ও তার ধ্বংসলীলা সম্পর্কে বলতে গিয়ে রাজনাথ সিংহ জোরালো কণ্ঠে জানান যে, এই অভিশাপ কেবল মানবসমাজকেই বিপথে চালিত করে না, বরং দেশের উদীয়মান যুব সম্প্রদায়কে তাদের প্রাপ্য সুযোগ ও ভবিষ্যৎ থেকে নির্মমভাবে বঞ্চিত করে। এই প্রসঙ্গে রাজনাথ সাফ জানিয়ে দেন যে, সন্ত্রাসবাদকে মদত দেওয়া বা তার সমর্থনে কোনো ধরনের অজুহাত বা যুক্তি একাসারে অগ্রহণযোগ্য। যারা পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষভাবে সন্ত্রাসবাদীদের আর্থিক অনুদান কিংবা অন্য কোনো উপায়ে সাহায্য করে এবং নিজেদের মাটিতে লুকিয়ে আশ্রয় দেয়, বিশ্বমঞ্চে তাদের কোনো জায়গা থাকতে পারে না। সন্ত্রাসবাদের প্রধান আঁতুড়ঘর ও সুড়ঙ্গগুলো যৌথভাবে চিরতরে শেষ করে দেওয়া উচিত বলেই মন্তব্য করেন তিনি।


যদিও নিজের বক্তব্যে সরাসরি কোনো নির্দিষ্ট দেশের নাম উচ্চারণ করেননি ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী, তবে তাঁর কড়া ও স্পষ্ট নিশানা যে চিরশত্রু পাকিস্তানের দিকেই ছিল, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ মহলে কোনো সন্দেহের অবকাশ নেই। কারণ, দীর্ঘদিন ধরেই পাকিস্তানের মাটি থেকে পরিচালিত একাধিক জঙ্গি সংগঠনের বিরুদ্ধে নয়াদিল্লিকে মদত দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক অতীতে কাশ্মীরের মাটিতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ জঙ্গি হামলার জেরে ভারত যে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কঠোর সামরিক পদক্ষেপ করতে পিছপা হয় না, তা বিশ্ববাসীর জানা। সব মিলিয়ে, এসসিও সম্মেলনে রাজনাথ সিংহের এই অনমনীয় ও মারমুখী রূপ বুঝিয়ে দিল যে, সন্ত্রাস দমনের প্রশ্নে ভারত তার নীতিতে সম্পূর্ণ আপসহীন।

বিষয় : Pakistan rajnath singh SCO Summit terrorism

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬


Rajnath Singh: 'সন্ত্রাসবাদ রুখতে কোনো দ্বিচারিতা চলবে না!' পাক বিদেশমন্ত্রীর সামনেই রাজনাথের আগুনে ঝাঁঝালো বার্তা

প্রকাশের তারিখ : ২০ অক্টোবর ২০২৬

featured Image
নতুন দিল্লি: সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক স্তরে কোনো রকম দ্বিচারিতা বা ভণ্ডামি বরদাস্ত করা হবে না। তাজিকিস্তানের দুশানবে শহরে আয়োজিত সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন বা এসসিও (SCO) সম্মেলনের রাষ্ট্রপ্রধানদের বৈঠকে যোগ দিয়ে ঠিক এই ভাষাতেই আন্তর্জাতিক মঞ্চ থেকে চরম বার্তা দিলেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ। সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, যখন প্রতিরক্ষামন্ত্রী সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে এমন বিস্ফোরক ও আক্রমণাত্মক বক্তব্য রাখছেন, ঠিক সেই একই বৈঠকে তাঁর পাশেই একই টেবিলে বসেছিলেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী তথা বিদেশমন্ত্রী ইশাক দার। প্রকাশ্য মঞ্চে পাক প্রতিনিধির চোখের দিকে তাকিয়ে ভারতের এই স্পষ্ট অবস্থান বিশ্ব রাজনীতিতে প্রবল আলোড়ন ফেলে দিয়েছে।সন্ত্রাসবাদের ভয়াবহ বিপদ ও তার ধ্বংসলীলা সম্পর্কে বলতে গিয়ে রাজনাথ সিংহ জোরালো কণ্ঠে জানান যে, এই অভিশাপ কেবল মানবসমাজকেই বিপথে চালিত করে না, বরং দেশের উদীয়মান যুব সম্প্রদায়কে তাদের প্রাপ্য সুযোগ ও ভবিষ্যৎ থেকে নির্মমভাবে বঞ্চিত করে। এই প্রসঙ্গে রাজনাথ সাফ জানিয়ে দেন যে, সন্ত্রাসবাদকে মদত দেওয়া বা তার সমর্থনে কোনো ধরনের অজুহাত বা যুক্তি একাসারে অগ্রহণযোগ্য। যারা পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষভাবে সন্ত্রাসবাদীদের আর্থিক অনুদান কিংবা অন্য কোনো উপায়ে সাহায্য করে এবং নিজেদের মাটিতে লুকিয়ে আশ্রয় দেয়, বিশ্বমঞ্চে তাদের কোনো জায়গা থাকতে পারে না। সন্ত্রাসবাদের প্রধান আঁতুড়ঘর ও সুড়ঙ্গগুলো যৌথভাবে চিরতরে শেষ করে দেওয়া উচিত বলেই মন্তব্য করেন তিনি।যদিও নিজের বক্তব্যে সরাসরি কোনো নির্দিষ্ট দেশের নাম উচ্চারণ করেননি ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী, তবে তাঁর কড়া ও স্পষ্ট নিশানা যে চিরশত্রু পাকিস্তানের দিকেই ছিল, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ মহলে কোনো সন্দেহের অবকাশ নেই। কারণ, দীর্ঘদিন ধরেই পাকিস্তানের মাটি থেকে পরিচালিত একাধিক জঙ্গি সংগঠনের বিরুদ্ধে নয়াদিল্লিকে মদত দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক অতীতে কাশ্মীরের মাটিতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ জঙ্গি হামলার জেরে ভারত যে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কঠোর সামরিক পদক্ষেপ করতে পিছপা হয় না, তা বিশ্ববাসীর জানা। সব মিলিয়ে, এসসিও সম্মেলনে রাজনাথ সিংহের এই অনমনীয় ও মারমুখী রূপ বুঝিয়ে দিল যে, সন্ত্রাস দমনের প্রশ্নে ভারত তার নীতিতে সম্পূর্ণ আপসহীন।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত