Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

Abhaya Case: মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে মামলা প্রত্যাহারের চাপ? আর জি কর মামলায় পরিবারের বিস্ফোরক অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Abhaya Case: মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে মামলা প্রত্যাহারের চাপ? আর জি কর মামলায় পরিবারের বিস্ফোরক অভিযোগ
ছবিঃ সংগৃহীত

আর জি করের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় আবারও উঠে এল চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। অভয়ার পরিবারের তরফে কলকাতা হাই কোর্টে দাবি করা হয়, ঘটনার পর থেকেই বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। এমনকি অভয়ার বাবাকে টাকা নেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি তাঁর মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে মামলা প্রত্যাহারের হুমকি দেওয়া হয়েছিল।


বৃহস্পতিবার মামলার দ্বিতীয় দফার তদন্ত নিয়ে আদালতে সিবিআইয়ের রিপোর্ট জমা পড়ছে। ২০২৬ সালে পুরো ঘটনাক্রম খতিয়ে দেখতে সিবিআইয়ের তিন সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দল গঠনের নির্দেশ দিয়েছিল। পরে তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে আদালত অসন্তোষও প্রকাশ করে। আগস্টে তিন সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত শেষের নির্দেশ দেওয়া হয়। অভয়ার মা রত্না দেবনাথের দাবি, “ঘটনার দিন আমরা প্রায় ঘণ্টাদুয়েক টালা থানায় বসেছিলাম। দ্বিতীয়বার মেয়ের ময়নাতদন্ত করার ব্যবস্থা করার চেষ্টা করছিলাম। সেই ফাঁকে নির্মল ঘোষ, সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়, সোমনাথ দে-রা গ্রিন করিডর করে কেন মেয়েকে নিয়ে গেল? মেয়েকে বাড়ির সামনে বেওয়ারিশ লাশের মতো ফেলে রেখে যায়।” তাঁর অভিযোগ, অভয়ার বাবাকে একটি ঘরে নিয়ে গিয়ে টাকা নেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়। এমনকি মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে মামলা প্রত্যাহারের জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল বলেও আদালতে অভিযোগ করা হয়েছে। আর জি কর মামলার তদন্তে ইতিমধ্যেই একাধিক দফা হয়েছে। 


উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৯ আগস্ট আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের সেমিনার হল থেকে তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয়। পরে সঞ্জয় রায় নামে এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর তাঁকে ধর্ষণ ও খুনের মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তদন্তের শুরু থেকেই অভয়ার বাবা-মায়ের দাবি, এই ঘটনায় অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তি জড়িত রয়েছেন। পুরো ঘটনার নেপথ্যের বিষয়গুলি সামনে আসা প্রয়োজন। 

বিষয় : RG Kar Case

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


Abhaya Case: মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে মামলা প্রত্যাহারের চাপ? আর জি কর মামলায় পরিবারের বিস্ফোরক অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
আর জি করের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় আবারও উঠে এল চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। অভয়ার পরিবারের তরফে কলকাতা হাই কোর্টে দাবি করা হয়, ঘটনার পর থেকেই বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। এমনকি অভয়ার বাবাকে টাকা নেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি তাঁর মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে মামলা প্রত্যাহারের হুমকি দেওয়া হয়েছিল।বৃহস্পতিবার মামলার দ্বিতীয় দফার তদন্ত নিয়ে আদালতে সিবিআইয়ের রিপোর্ট জমা পড়ছে। ২০২৬ সালে পুরো ঘটনাক্রম খতিয়ে দেখতে সিবিআইয়ের তিন সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দল গঠনের নির্দেশ দিয়েছিল। পরে তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে আদালত অসন্তোষও প্রকাশ করে। আগস্টে তিন সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত শেষের নির্দেশ দেওয়া হয়। অভয়ার মা রত্না দেবনাথের দাবি, “ঘটনার দিন আমরা প্রায় ঘণ্টাদুয়েক টালা থানায় বসেছিলাম। দ্বিতীয়বার মেয়ের ময়নাতদন্ত করার ব্যবস্থা করার চেষ্টা করছিলাম। সেই ফাঁকে নির্মল ঘোষ, সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়, সোমনাথ দে-রা গ্রিন করিডর করে কেন মেয়েকে নিয়ে গেল? মেয়েকে বাড়ির সামনে বেওয়ারিশ লাশের মতো ফেলে রেখে যায়।” তাঁর অভিযোগ, অভয়ার বাবাকে একটি ঘরে নিয়ে গিয়ে টাকা নেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়। এমনকি মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে মামলা প্রত্যাহারের জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল বলেও আদালতে অভিযোগ করা হয়েছে। আর জি কর মামলার তদন্তে ইতিমধ্যেই একাধিক দফা হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৯ আগস্ট আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের সেমিনার হল থেকে তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয়। পরে সঞ্জয় রায় নামে এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর তাঁকে ধর্ষণ ও খুনের মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তদন্তের শুরু থেকেই অভয়ার বাবা-মায়ের দাবি, এই ঘটনায় অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তি জড়িত রয়েছেন। পুরো ঘটনার নেপথ্যের বিষয়গুলি সামনে আসা প্রয়োজন। 

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত