Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

পুজোর আগেই বাংলায় ফের ভোট-যুদ্ধ! নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে উপনির্বাচন ও ফলের দিন ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পুজোর আগেই বাংলায় ফের ভোট-যুদ্ধ! নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে উপনির্বাচন ও ফলের দিন ঘোষণা
ছবি সংগৃহীত

পুজোর ঢাকে কাঠি পড়তে এখনও বেশ কিছু দিন বাকি। তার আগেই বাংলার রাজনীতিতে ফের ভোটের উত্তাপ। নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর—এই দুই বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। আগামী ৬ অক্টোবর হবে ভোটগ্রহণ। আর তার ঠিক তিন দিন পর, ৯ অক্টোবর জানা যাবে ফলাফল। 

কমিশনের সূচি অনুযায়ী, এবার দ্রুতই উপনির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হবে। মনোনয়ন জমা, যাচাই এবং প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের দিনক্ষণও সেই অনুযায়ী এগোবে। নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনের প্রয়োজন তৈরি হয়েছে ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের জেরে। ওই নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী একইসঙ্গে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর দুই আসন থেকেই জয় পান। নিয়ম অনুযায়ী শেষ পর্যন্ত একটি আসন রাখতে হয়। তাই নন্দীগ্রাম ছেড়ে ভবানীপুর আসনটি ধরে রাখেন তিনি। এরপরই বিধায়কহীন হয়ে পড়ে নন্দীগ্রাম। এবার সেই শূন্য আসনেই হবে নতুন করে ভোট।


রেজিনগরের গল্পও প্রায় একই। ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর নওদা এবং রেজিনগর দুই কেন্দ্র থেকেই নির্বাচিত হন। দুটি আসন একসঙ্গে ধরে রাখা সম্ভব না হওয়ায় রেজিনগর ছেড়ে দেন তিনি। ফলে ওই কেন্দ্রেও তৈরি হয় উপনির্বাচনের পরিস্থিতি। নিজের পরিবারের সদস্যকে প্রার্থী করার পরিকল্পনার কথাও আগেই জানিয়েছিলেন হুমায়ুন।

এবার তাই নজর থাকবে দুই কেন্দ্রের লড়াইয়ের দিকে। বিশেষ করে নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর আগের জয়ের ব্যবধান কতটা ধরে রাখা যায়, নাকি ছবিটা বদলে যায় এখন সেটাই বড় প্রশ্ন। অন্যদিকে রেজিনগরেও নিজেদের জমি শক্ত করতে মরিয়া থাকবে রাজনৈতিক দলগুলি।

বিষয় : West Bengal By-Election

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


পুজোর আগেই বাংলায় ফের ভোট-যুদ্ধ! নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে উপনির্বাচন ও ফলের দিন ঘোষণা

প্রকাশের তারিখ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
পুজোর ঢাকে কাঠি পড়তে এখনও বেশ কিছু দিন বাকি। তার আগেই বাংলার রাজনীতিতে ফের ভোটের উত্তাপ। নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর—এই দুই বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। আগামী ৬ অক্টোবর হবে ভোটগ্রহণ। আর তার ঠিক তিন দিন পর, ৯ অক্টোবর জানা যাবে ফলাফল। কমিশনের সূচি অনুযায়ী, এবার দ্রুতই উপনির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হবে। মনোনয়ন জমা, যাচাই এবং প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের দিনক্ষণও সেই অনুযায়ী এগোবে। নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনের প্রয়োজন তৈরি হয়েছে ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের জেরে। ওই নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী একইসঙ্গে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর দুই আসন থেকেই জয় পান। নিয়ম অনুযায়ী শেষ পর্যন্ত একটি আসন রাখতে হয়। তাই নন্দীগ্রাম ছেড়ে ভবানীপুর আসনটি ধরে রাখেন তিনি। এরপরই বিধায়কহীন হয়ে পড়ে নন্দীগ্রাম। এবার সেই শূন্য আসনেই হবে নতুন করে ভোট।রেজিনগরের গল্পও প্রায় একই। ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর নওদা এবং রেজিনগর দুই কেন্দ্র থেকেই নির্বাচিত হন। দুটি আসন একসঙ্গে ধরে রাখা সম্ভব না হওয়ায় রেজিনগর ছেড়ে দেন তিনি। ফলে ওই কেন্দ্রেও তৈরি হয় উপনির্বাচনের পরিস্থিতি। নিজের পরিবারের সদস্যকে প্রার্থী করার পরিকল্পনার কথাও আগেই জানিয়েছিলেন হুমায়ুন।এবার তাই নজর থাকবে দুই কেন্দ্রের লড়াইয়ের দিকে। বিশেষ করে নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর আগের জয়ের ব্যবধান কতটা ধরে রাখা যায়, নাকি ছবিটা বদলে যায় এখন সেটাই বড় প্রশ্ন। অন্যদিকে রেজিনগরেও নিজেদের জমি শক্ত করতে মরিয়া থাকবে রাজনৈতিক দলগুলি।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত