Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

পচা খোয়া! কিলবিল করছে আরশোলা, মোমোয় সাদা ছত্রাক; দুর্গাপুরে হানা দিয়ে মাথায় হাত খাদ্য দপ্তরের

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পচা খোয়া! কিলবিল করছে আরশোলা, মোমোয় সাদা ছত্রাক; দুর্গাপুরে হানা দিয়ে মাথায় হাত খাদ্য দপ্তরের
দুর্গাপুরে দোকানগুলিতে খাবারের মান ঠেকেছে তলানিতে। ছবি-সংগৃহীত

দুর্গাপুর: খাবারের নামে সাধারণ মানুষের পাতে দিনের পর দিন নিঃশব্দে বিষ তুলে দেওয়ার এক মারাত্মক ছবি ধরা পড়ল শিল্পাঞ্চল দুর্গাপুরে। উৎসবের মরশুমের মুখে শহরজুড়ে খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আকস্মিক অভিযানে প্রকাশ্যে এল চোখ কপালে তোলার মতো একের পর এক কাণ্ড। কোথাও মিষ্টির কারখানায় খাবারের ওপরই অবাধে কিলবিল করছে আরশোলা, কোথাও আবার ফ্রিজের মধ্যে পড়ে থাকা মোমোর ওপর পুরু হয়ে জমেছে সাদা ছত্রাক। এখানেই শেষ নয়, দুর্গাপুরের মেন গেট এলাকার একটি নামী মিষ্টির দোকানে হানা দিয়ে ফ্রিজ খুলতেই আধিকারিকদের চক্ষু চড়কগাছ—ভিতরে থরে থরে সাজিয়ে রাখা হয়েছে আট বস্তা বাসি, দুর্গন্ধযুক্ত ক্ষীর-খোয়া এবং পচা পনির, যা দিয়ে রমরমিয়ে তৈরি হচ্ছিল নানা লোভনীয় মিষ্টি। খাদ্যের চূড়ান্ত নিম্নমান এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের দায়ে সঙ্গে সঙ্গে ওই দোকানদারকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করার পাশাপাশি বাকিদের কড়া সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।

সোমবার সকাল থেকেই দুর্গাপুরের গোপাল মাঠ এবং মেন গেট চত্বরের হোটেল, রেস্তরাঁ, মিষ্টির কারখানা এবং গুদামগুলিতে একযোগে ঝটিকা তল্লাশি চালান খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকরা। অভিযানে গিয়ে দেখা যায়, মিষ্টি তৈরির কড়াইয়ের পাশেই ডাস্টবিনের মতো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে বাসি খাবার, গ্যাঁজলা ওঠা পচা মিষ্টির রস এবং ক্ষতিকারক রাসায়নিক ও নিষিদ্ধ রঙের শিশি। ঠিক পাশের একটি ফাস্টফুড সেন্টারে তল্লাশি চালিয়ে মেলে মেয়াদোত্তীর্ণ ভেজাল মশলা এবং ছত্রাক ধরা একরাশ বাসি মোমো, যা গরম ভাপে দিয়ে গ্রাহকদের পরিবেশন করার ছক কষা হয়েছিল। আধিকারিকরা বিলম্ব না করে সমস্ত বিষাক্ত ও ব্যবহার অনুপযোগী খাদ্যসামগ্রী বাজেয়াপ্ত করে তৎক্ষণাৎ ড্রেনে ফেলে নষ্ট করে দেন। দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্যের তোয়াক্কা না করে কীভাবে এমন ব্যবসা চলছিল, তা খতিয়ে দেখার পাশাপাশি গোটা শহরজুড়ে নজরদারি আরও কঠোর করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে প্রশাসন।


হিডেন স্টোরিজ নিউজ

বিষয় : WestBengalNews DurgapurNews HiddenStoriesNews FoodSafetyRaid ContaminatedFood AdulteratedSweets BengalHealthAlert BreakingNewsBang

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


পচা খোয়া! কিলবিল করছে আরশোলা, মোমোয় সাদা ছত্রাক; দুর্গাপুরে হানা দিয়ে মাথায় হাত খাদ্য দপ্তরের

প্রকাশের তারিখ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
দুর্গাপুর: খাবারের নামে সাধারণ মানুষের পাতে দিনের পর দিন নিঃশব্দে বিষ তুলে দেওয়ার এক মারাত্মক ছবি ধরা পড়ল শিল্পাঞ্চল দুর্গাপুরে। উৎসবের মরশুমের মুখে শহরজুড়ে খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আকস্মিক অভিযানে প্রকাশ্যে এল চোখ কপালে তোলার মতো একের পর এক কাণ্ড। কোথাও মিষ্টির কারখানায় খাবারের ওপরই অবাধে কিলবিল করছে আরশোলা, কোথাও আবার ফ্রিজের মধ্যে পড়ে থাকা মোমোর ওপর পুরু হয়ে জমেছে সাদা ছত্রাক। এখানেই শেষ নয়, দুর্গাপুরের মেন গেট এলাকার একটি নামী মিষ্টির দোকানে হানা দিয়ে ফ্রিজ খুলতেই আধিকারিকদের চক্ষু চড়কগাছ—ভিতরে থরে থরে সাজিয়ে রাখা হয়েছে আট বস্তা বাসি, দুর্গন্ধযুক্ত ক্ষীর-খোয়া এবং পচা পনির, যা দিয়ে রমরমিয়ে তৈরি হচ্ছিল নানা লোভনীয় মিষ্টি। খাদ্যের চূড়ান্ত নিম্নমান এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের দায়ে সঙ্গে সঙ্গে ওই দোকানদারকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করার পাশাপাশি বাকিদের কড়া সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।সোমবার সকাল থেকেই দুর্গাপুরের গোপাল মাঠ এবং মেন গেট চত্বরের হোটেল, রেস্তরাঁ, মিষ্টির কারখানা এবং গুদামগুলিতে একযোগে ঝটিকা তল্লাশি চালান খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকরা। অভিযানে গিয়ে দেখা যায়, মিষ্টি তৈরির কড়াইয়ের পাশেই ডাস্টবিনের মতো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে বাসি খাবার, গ্যাঁজলা ওঠা পচা মিষ্টির রস এবং ক্ষতিকারক রাসায়নিক ও নিষিদ্ধ রঙের শিশি। ঠিক পাশের একটি ফাস্টফুড সেন্টারে তল্লাশি চালিয়ে মেলে মেয়াদোত্তীর্ণ ভেজাল মশলা এবং ছত্রাক ধরা একরাশ বাসি মোমো, যা গরম ভাপে দিয়ে গ্রাহকদের পরিবেশন করার ছক কষা হয়েছিল। আধিকারিকরা বিলম্ব না করে সমস্ত বিষাক্ত ও ব্যবহার অনুপযোগী খাদ্যসামগ্রী বাজেয়াপ্ত করে তৎক্ষণাৎ ড্রেনে ফেলে নষ্ট করে দেন। দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্যের তোয়াক্কা না করে কীভাবে এমন ব্যবসা চলছিল, তা খতিয়ে দেখার পাশাপাশি গোটা শহরজুড়ে নজরদারি আরও কঠোর করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে প্রশাসন।হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত