কলকাতা: দশমীর সকাল থেকেই কলকাতার গঙ্গার ঘাটগুলিতে ব্যস্ততা তুঙ্গে। একদিকে চলছে সিঁদুর খেলা, অন্যদিকে উমাকে বিদায় জানানোর প্রস্তুতিতে বঙ্গবাসী। দুপুর গড়ালেই শুরু হবে প্রতিমা নিরঞ্জন। বিসর্জন ঘিরে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, তার জন্য প্রস্তুত প্রশাসন। বিসর্জনের আগে প্রস্তুতি কেমন চলছে? সেসব খতিয়ে দেখতে বাবুঘাটে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ঘাট পরিদর্শনের পর বাজে কদমতলা ঘাট ও জাজেস ঘাটেও যান তিনি। সঙ্গে ছিলেন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় কুমার নন্দা, কলকাতা পুরসভার প্রশাসক স্মিতা পাণ্ডে-সহ প্রশাসনের একাধিক আধিকারিক। তাঁদের সঙ্গে কথাও বলেন মুখ্যমন্ত্রী। ভিড় সামলানো হবে, নিরাপত্তার দায়িত্বে কারা থাকবেন এবং নিরঞ্জনের সময় কী কী সতর্কতা নেওয়া হচ্ছে, সেই বিষয়গুলি নিয়ে কথাবার্তা বলেন। [TECHTARANGA-POST:13782]প্রথম সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর কলকাতার চোরবাগানে ঘটে যায় এক মর্মান্তিক ঘটনা। প্রাণ হারিয়েছেন ১৯ জন। তাই বিসর্জনে জননিরাপত্তার প্রশ্নটি বিশেষভাবে সামনে এসেছে। কারণ, বিসর্জনের দিন গঙ্গার ঘাটগুলিতে দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়ে। তাই নিরঞ্জন পর্বে যাতে কোনওরকম বিশৃঙ্খলা বা দুর্ঘটনা না ঘটে, সে জন্য একাধিক স্তরে নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে।