Hidden Stories (বাংলা)

সুপ্রিমের বাড়তি সময়েও মিটল না ‘যোগ্য’দের সমস্যা! চাকরির নিশ্চয়তা চেয়ে শুভেন্দুর দ্বারস্থ শিক্ষকরা

কলকাতাঃ ২৬ হাজার চাকরি বাতিলের মামলায় ‘যোগ্য’ শিক্ষকদের জন্য আপাতত স্বস্তির খবর। তবে সেই স্বস্তির সঙ্গে থেকেই গেল অনিশ্চয়তাও। নতুন করে শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শেষ করার জন্য রাজ্যকে ৩১ মে ২০২৭ পর্যন্ত সময় দিল সুপ্রিম কোর্ট। এই সময়সীমার মধ্যে নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির মোট ৩৫ হাজার শূন্যপদে নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে হবে।[TECHTARANGA-POST:12173]সোমবার মামলার শুনানিতে এই সময়সীমা স্পষ্ট করে দেয় শীর্ষ আদালত। ‘যোগ্য শিক্ষক শিক্ষিকা অধিকার মঞ্চ’-এর মেহবুব মণ্ডলের বক্তব্য, হাতে থাকা সময় খুব বেশি নয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিয়োগপ্রক্রিয়া শেষ করা না গেলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। নিয়োগপ্রক্রিয়া চলাকালীন যে সমস্যাগুলি সামনে আসছে, সেগুলি দ্রুত মেটাতে সরকারের সব পক্ষকে নিয়ে আলোচনায় বসা উচিত বলেও দাবি করেছেন তিনি। চাকরিহারা ‘যোগ্য’ শিক্ষক চিন্ময় মণ্ডলের বক্তব্যেও একইসঙ্গে স্বস্তি ও উদ্বেগের সুর। তাঁর কথায়, সময়সীমা বাড়ানোর প্রয়োজন ছিল এবং অতিরিক্ত সময় পাওয়ায় তাঁরা কিছুটা সুবিধা পেলেন। কিন্তু এটাই চূড়ান্ত সমাধান নয়। [TECHTARANGA-POST:12172]প্রসঙ্গত, এসএসসির ২০১৬ সালের গোটা প্যানেল বাতিলের পর সুপ্রিম কোর্ট ‘যোগ্য’ শিক্ষকদের নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কাজ চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছিল। একইসঙ্গে নতুন নিয়োগপ্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই প্রক্রিয়া নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করা যায়নি। ফলে ফের সময় চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয় রাজ্য। তবে এই মামলার প্রভাব শুধু শিক্ষক মহলেই সীমাবদ্ধ নয়। ২০১৬ সালের প্যানেল বাতিলের ফলে বহু শিক্ষাকর্মীও চাকরি হারিয়েছেন। তাঁদের অবশ্য কাজ চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে কর্মহীন থাকার পর ২০২৬ সালের মার্চে নতুন করে শিক্ষাকর্মী নিয়োগের পরীক্ষা নিয়েছিল এসএসসি। কিন্তু অগস্টের শেষ দিনেও সেই পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়নি। 

সুপ্রিমের বাড়তি সময়েও মিটল না ‘যোগ্য’দের সমস্যা! চাকরির নিশ্চয়তা চেয়ে শুভেন্দুর দ্বারস্থ শিক্ষকরা