Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

যাদবপুরে ‘১০ হাজার কণ্ঠে বন্দে মাতরম’! রাখিবন্ধনে তেরঙ্গা হাতে পথে বিজেপি-এবিভিপি থেকে সাধারণ মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৮ আগস্ট ২০২৬
যাদবপুরে ‘১০ হাজার কণ্ঠে বন্দে মাতরম’! রাখিবন্ধনে তেরঙ্গা হাতে পথে বিজেপি-এবিভিপি থেকে সাধারণ মানুষ
ছবি সংগৃহীত

কলকাতাঃ গত কয়েকদিনের উত্তপ্ত যাদবপুরে শুক্রবার দেখা গেল একেবারে ভিন্ন ছবি। ছাত্র সংঘর্ষের আবহ কাটিয়ে রাখিবন্ধনের দিনে জাতীয় পতাকায় মুড়ে গেল যাদবপুর চত্বর।  ‘১০ হাজার কণ্ঠে বন্দে মাতরম’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে এইট-বি বাসস্ট্যান্ড থেকে যাদবপুর থানা পর্যন্ত রাস্তার দু’ধারে তেরঙ্গা হাতে জমায়েত করেন বহু মানুষ। 


আয়োজিত অনুষ্ঠানে ‘বন্দে মাতরম’ গান গাওয়া হয়। এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য ছিল ঐক্য, দেশপ্রেম ও ভারতমাতার প্রতি শ্রদ্ধার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া। অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে গোটা এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক গেটও সাময়িক ভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল। শুধুমাত্র ১ নম্বর গেট দিয়ে যাতায়াতের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলে জানা যায়। সম্প্রতি ১৯ ও ২০ আগস্ট যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে  পরিস্থিতি। সেই ঘটনার পরেই যাদবপুরকে ঘিরে জাতীয়তাবাদ ও ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে একাধিক মন্তব্য করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেছিলেন, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে এবং বাইরে ‘রাষ্ট্রবাদ প্রতিষ্ঠা’ করা হবে। শুক্রবার বিকেলে রাখিবন্ধনের দিন সেই ঘোষণামতোই অনুষ্ঠান হয়। মূল কর্মসূচির স্থান ছিল এইট-বি বাসস্ট্যান্ডের সামনের রাস্তা। সেখানে একটি বড় এলইডি স্ক্রিন বসানো হয়। স্ক্রিনে লেখা ছিল, ‘ভারতমাতার ঐক্য-দেশপ্রেম-গর্ব। ১০ হাজার কণ্ঠে উচ্চারিত হবে বন্দে মাতরম।’

আয়োজকদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলকে সঙ্গে নিয়ে ‘বন্দে মাতরম’-এর ছ’টি স্তবক গাওয়ার আয়োজন করা হয়েছিল। প্রত্যেকের হাতে হিন্দি ও ইংরেজিতে গানটির কথা লেখা কাগজ তুলে দেওয়া হয়। উদ্দেশ্য ছিল, যাঁরা উপস্থিত ছিলেন, সকলে যাতে একসঙ্গে জাতীয় স্তোত্রটি গাইতে পারেন।

বিষয় : CM Suvendu Adhikari Jadavpur University

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬


যাদবপুরে ‘১০ হাজার কণ্ঠে বন্দে মাতরম’! রাখিবন্ধনে তেরঙ্গা হাতে পথে বিজেপি-এবিভিপি থেকে সাধারণ মানুষ

প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬

featured Image
কলকাতাঃ গত কয়েকদিনের উত্তপ্ত যাদবপুরে শুক্রবার দেখা গেল একেবারে ভিন্ন ছবি। ছাত্র সংঘর্ষের আবহ কাটিয়ে রাখিবন্ধনের দিনে জাতীয় পতাকায় মুড়ে গেল যাদবপুর চত্বর।  ‘১০ হাজার কণ্ঠে বন্দে মাতরম’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে এইট-বি বাসস্ট্যান্ড থেকে যাদবপুর থানা পর্যন্ত রাস্তার দু’ধারে তেরঙ্গা হাতে জমায়েত করেন বহু মানুষ। আয়োজিত অনুষ্ঠানে ‘বন্দে মাতরম’ গান গাওয়া হয়। এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য ছিল ঐক্য, দেশপ্রেম ও ভারতমাতার প্রতি শ্রদ্ধার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া। অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে গোটা এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক গেটও সাময়িক ভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল। শুধুমাত্র ১ নম্বর গেট দিয়ে যাতায়াতের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলে জানা যায়। সম্প্রতি ১৯ ও ২০ আগস্ট যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে  পরিস্থিতি। সেই ঘটনার পরেই যাদবপুরকে ঘিরে জাতীয়তাবাদ ও ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে একাধিক মন্তব্য করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেছিলেন, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে এবং বাইরে ‘রাষ্ট্রবাদ প্রতিষ্ঠা’ করা হবে। শুক্রবার বিকেলে রাখিবন্ধনের দিন সেই ঘোষণামতোই অনুষ্ঠান হয়। মূল কর্মসূচির স্থান ছিল এইট-বি বাসস্ট্যান্ডের সামনের রাস্তা। সেখানে একটি বড় এলইডি স্ক্রিন বসানো হয়। স্ক্রিনে লেখা ছিল, ‘ভারতমাতার ঐক্য-দেশপ্রেম-গর্ব। ১০ হাজার কণ্ঠে উচ্চারিত হবে বন্দে মাতরম।’আয়োজকদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলকে সঙ্গে নিয়ে ‘বন্দে মাতরম’-এর ছ’টি স্তবক গাওয়ার আয়োজন করা হয়েছিল। প্রত্যেকের হাতে হিন্দি ও ইংরেজিতে গানটির কথা লেখা কাগজ তুলে দেওয়া হয়। উদ্দেশ্য ছিল, যাঁরা উপস্থিত ছিলেন, সকলে যাতে একসঙ্গে জাতীয় স্তোত্রটি গাইতে পারেন।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত