মধ্যপ্রদেশ: প্রযুক্তি যত উন্নত হচ্ছে, ততই এআইয়ের ব্যবহার বাড়ছে নানা ক্ষেত্রে। নতুন কিছু শিখে নেওয়া এখন বেশ সহজ হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি সেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে ভয়াবহ অপরাধের ছক কষার মতো অভিযোগও উঠছে। এবার এআইয়ের সাহায্যে ভেজাল মদ তৈরির কৌশল শিখে তা বিক্রির অভিযোগ উঠল মধ্যপ্রদেশে। অভিযোগ, সেই মদ খেয়েই ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস জেলায়। পুলিশ সূত্রে খবর, মূল অভিযুক্ত ২৬ বছরের অজয় রাঠোর। গত ২ অক্টোবর থেকে ৬-৭ অক্টোবরের মধ্যে বাড়িতেই ভেজাল মদ তৈরি করছিলেন অজয়। তাঁর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ গোবিন্দ ও রামেশ্বর নামে আরও দুই ব্যক্তি। গোবিন্দ লোহার পিপলিয়া এবং রামেশ্বর গাধেশ্যা পিপলিয়ার বাসিন্দা। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, ৭ অক্টোবর থেকে ১২ অক্টোবরের মধ্যে ওই মদ বিক্রি করা হয়েছিল।
বুধবার দেওয়াস কোতোয়ালি থানার পুলিশ আধিকারিক শশীকান্ত চৌরাসিয়া জানান, অজয় এআই ব্যবহার করে রাসায়নিক ও জল মিশিয়ে মদ তৈরির পদ্ধতি শিখেছিলেন। তিনি ওই মিশ্রণের সঙ্গে আসল মদ মিশিয়ে তা বিক্রি করতেন। সংগ্রহ করা লাইসেন্সপ্রাপ্ত মদের খালি বোতলে ভেজাল মদ ভরে বাজারে ছড়িয়ে দেওয়া হত। মূলত গ্রামীণ এলাকার ক্রেতাদের কাছে এই মদ বিক্রি করা হতো বলে খবর।
ভেজাল মদ তৈরিতে কী ধরনের রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়েছিল, কোথা থেকে তা এসেছিল সবকিছুই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ইন্দোরের একটি গুদামও সিল করেছে পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, ২৭ সেপ্টেম্বর থেকেই ভেজাল মদ খেয়ে অসুস্থতা ও মৃত্যুর ঘটনা সামনে আসতে শুরু করে। এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ১৩।
Leave a comment