25
October
2026
০৮ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার • হেমন্তকাল
সময় লোড হচ্ছে...
Home কলকাতা ED Raids: ২৯০ কোটি টাকার দুর্নীতি! ভুয়ো কোম্পানির রমরমা ফাঁস করতে সাতসকালে লেকটাউন ও হুগলিতে ইডির হানা
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গ

ED Raids: ২৯০ কোটি টাকার দুর্নীতি! ভুয়ো কোম্পানির রমরমা ফাঁস করতে সাতসকালে লেকটাউন ও হুগলিতে ইডির হানা

Share
প্রতীকী ছবি
Share

কলকাতা: ঘুম ভাঙতেই ভোরের আলো ফুটতে না ফুটতেই ফের একবার অ্যাকশন মোডে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। ভুয়ো কোম্পানি খুলে কোটি কোটি টাকা তছরুপের চাঞ্চল্যকর অভিযোগে শুক্রবার ভোরে একেবারে ঘুম ছুটিয়ে দিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এদিন ঝাড়খণ্ডে বিদ্যুৎ প্লান্ট স্থাপনের নামে ব্যাঙ্ক ঋণ দুর্নীতির তদন্তে নেমে লেকটাউনের একটি অভিজাত আবাসন এবং হুগলির উত্তরপাড়ার দুই চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের (সিএ) বাড়িতে হানা দেন ইডি আধিকারিকরা। কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনীর জওয়ানদের কঠোর নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয় সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলি। একই সঙ্গে দুর্গাপুর ও হাওড়াতেও ম্যারাথন তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি।

সূত্রের খবর, ঝাড়খণ্ডে একটি ৬৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্লান্ট তৈরির জন্য একটি বেসরকারি সংস্থা ব্যাংক থেকে বিশাল অঙ্কের ঋণ নিয়েছিল। যার পরিমাণ প্রায় ২৯০ কোটি টাকা। কিন্তু তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, বিদ্যুৎ প্লান্টের উন্নয়নে সেই বিপুল অর্থ ব্যবহার করা তো দূরের কথা, সুকৌশলে সেই টাকা অন্য খাতে পাচার করে দেওয়া হয়েছে। এই আর্থিক তছরুপ ও প্রতারণার মামলার সূত্র ধরেই লেকটাউনের অভিজাত আবাসনের বাসিন্দা তথা পেশায় চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট অশোক সারথির নাম উঠে আসে। শুক্রবার ভোরে তাঁর ফ্ল্যাটে হানা দিয়ে তথ্য যাচাই শুরু করেন তদন্তকারীরা। অন্যদিকে, এই একই মামলার সঙ্গে যুক্ত থাকার সন্দেহে হুগলির উত্তরপাড়ার শিবতলা স্ট্রিটের বাসিন্দা আরও এক চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট সুদীপ্ত ঘোষের বাড়িতেও হানা দেয় ইডির অন্য একটি দল। যদিও দুর্নীতির সঙ্গে তাঁর কোনো যোগ নেই বলে দাবি করেছেন সুদীপ্তবাবু।

এদিন সকালে ইডি হানা দেওয়ার পর থেকেই রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ব্যাঙ্ক জালিয়াতির এই ঘটনায় ঠিক কোন কোন রাঘববোয়ালরা যুক্ত রয়েছে এবং এই পাচার করা ২৯০ কোটি টাকা ঠিক কোথায় কোথায় বিনিয়োগ করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। দুই সিএ-র বাড়ি থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও ডিজিটাল ডিভাইসের সন্ধান মিলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। টানা জেরা ও নথিপত্র ঘেঁটে এই মেগা কেলেঙ্কারির আসল রহস্য ভেদ করতে মরিয়া কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *