25
October
2026
০৮ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার • হেমন্তকাল
সময় লোড হচ্ছে...
Home Top-News Bhutan Flash Flood: ভুটানে হিমবাহ হ্রদ ভেঙে ভয়াবহ হড়পা বান, সঙ্কোশ নদীর জলস্তর না বাড়ায় স্বস্তিতে উত্তরবঙ্গ
Top-Newsপশ্চিমবঙ্গবিশ্ব

Bhutan Flash Flood: ভুটানে হিমবাহ হ্রদ ভেঙে ভয়াবহ হড়পা বান, সঙ্কোশ নদীর জলস্তর না বাড়ায় স্বস্তিতে উত্তরবঙ্গ

Share
হ্রদ ফেটে হড়পা বান ভুটানে। ছবি-ফেসবুক
Share

আলিপুরদুয়ার: হিমবাহের কোল থেকে নেমে এল সর্বনাশা জলরাশি! বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উত্তর-পশ্চিম ভুটানের গাসা জেলায় হিমবাহের গলা জল জমে তৈরি হওয়া ‘শিন্টাফু’ হ্রদ ভেঙে হঠাৎই নেমে আসে ভয়াবহ হড়পা বান। জলের প্রচণ্ড স্রোতে নিমেষে ভেসে যায় বিখ্যাত ‘গাসা শাচু’ উষ্ণ প্রস্রবণটি। এই বিপর্যয়ের জেরে ভুটানের পুনাখা অঞ্চলে একটি জলসেচ প্রকল্প আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি পুনাখা-গাসা সড়কের একটা বড় অংশ জলের তোড়ে ভেসে গেছে। হ্রদ থেকে সৃষ্ট ‘মো ছু’ নদীতে জলস্তর হঠাৎ বিপদসীমার কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক সীমানা পেরিয়ে ভারতের উত্তরবঙ্গ এবং অসমেও তীব্র বন্যা পরিস্থিতির প্রবল আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।

প্রশাসনের আগাম সতর্কবার্তায় এদিন বিকেল থেকেই ঘুম ছুটেছিল আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ি জেলার সীমান্তবাসী মানুষের। বিশেষ করে আলিপুরদুয়ারের কুমারগ্রাম ব্লকে সঙ্কোশ নদীর তীরবর্তী এলাকাগুলিতে মাইকিং করে শুরু হয় ব্যাপক সতর্কতা প্রচার। জাতীয় সড়ক ও নিরাপদ আশ্রয়ে রাত কাটাতে বাধ্য হন বহু মানুষ। তবে শুক্রবার সকালেই সঙ্কোশ নদীর শান্ত রূপ দেখে দুশ্চিন্তার কালো মেঘ কেটে যায়। নদীর জলস্তর আশানুরূপ না বাড়ায় অবশেষে হাঁপ ছেড়ে বেঁচেছেন কুমারগ্রামের সীমান্তবর্তী এলাকার আতঙ্কিত বাসিন্দারা।

প্রসঙ্গত, ভুটানের যে ১৭টি বিপজ্জনক হিমবাহ হ্রদ চিহ্নিত করা হয়েছে, তার মধ্যে এই শিন্টাফু অন্যতম। এর আগেও ২০২১ সালের ২৬ অগস্ট এই হ্রদের জল উপচে হড়পা বান ডেকে এনেছিল মো ছু নদীতে, যার জেরে নদী তার গতিপথ বদল করেছিল। তবে এবারের ঘটনায় কেন্দ্রের জলসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক এবং রাজ্য সরকারের উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের তৎপরতায় এবং জেলা প্রশাসনের আগাম সতর্কতামূলক পদক্ষেপে বড় ধরনের বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে। সিভিল ডিফেন্স ও পুলিশ প্রশাসনের তরফ থেকেও যেকোনো আপৎকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত রাখা হয়েছিল বাহিনীকে। উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকও পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন। বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে থাকায় ত্রাণশিবির ছেড়ে ঘরের পথে ফিরতে শুরু করেছেন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলা সাধারণ মানুষ।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *