25
October
2026
০৮ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার • হেমন্তকাল
সময় লোড হচ্ছে...
Home কলকাতা ‘‘এখনই কোনও রিলিফ নয়!’’ ইডির গ্রেফতারি চ্যালেঞ্জ করা মামলায় সুজিতকে স্বস্তি দিল না হাইকোর্ট
কলকাতা

‘‘এখনই কোনও রিলিফ নয়!’’ ইডির গ্রেফতারি চ্যালেঞ্জ করা মামলায় সুজিতকে স্বস্তি দিল না হাইকোর্ট

Share
‘‘এখনই কোনও রিলিফ নয়!’’ ইডির গ্রেফতারি চ্যালেঞ্জ করা মামলায় সুজিতকে স্বস্তি দিল না হাইকোর্ট
ছবি সংগৃহীত
Share

কলকাতা: এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডির গ্রেফতারির বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে নেমে কলকাতা হাইকোর্টে ধাক্কা খেলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসু। কেন্দ্রীয় সংস্থার গ্রেফতারি চ্যালেঞ্জ করে তিনি যে মামলা দায়ের করেছিলেন, তাতে সুজিতকে কোনও অন্তর্বর্তী স্বস্তি দিল না আদালত। শুক্রবার এই মামলার শুনানিতে বিচারপতি শম্পা দত্ত পাল স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, “এখনই কোনও রিলিফ (স্বস্তি) নয়।” আদালত নির্দেশ দিয়েছে, নিয়মিত বেঞ্চেই এই মামলার পরবর্তী শুনানি প্রক্রিয়া চলবে। একইসঙ্গে, সুজিতের গ্রেফতারি প্রসঙ্গে ইডিকে একটি বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং সুজিত বসুকেও এই বিষয়ে নিজের হলফনামা পেশ করতে হবে।  

[TECHTARANGA-POST:9594]

বর্তমানে জেল হেফাজতে থাকা প্রাক্তন মন্ত্রীর পক্ষে আদালতে সওয়াল করেন বিশিষ্ট আইনজীবী সিদ্ধার্থ লুথরা। তিনি আদালতে বলেন, “আমার মক্কেল ইডির এই গ্রেফতারি চ্যালেঞ্জ করছেন। কারণ তিনি এই ঘটনায় অভিযুক্ত নন।” গত বৃহস্পতিবারই সুজিতের আইনজীবী এই বিষয়ে হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করে মামলা দায়েরের অনুমতি পেয়েছিলেন।  

[TECHTARANGA-POST:9593]

উল্লেখ্য, গত ১১ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। গ্রেফতারির আগে ভোটের মরসুমে সুজিতকে একাধিকবার তলব করা হলেও তিনি নির্বাচনী প্রচারের ব্যস্ততার কারণ দেখিয়ে হাজিরা এড়িয়েছিলেন। পরবর্তীতে ভোট মিটলে গত ১ মে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দফতরে হাজিরা দেন তিনি এবং সেবার প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর ১১ মে সুজিত তাঁর পুত্র সমুদ্র বসু ও আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে পুনরায় ইডি দফতরে যান। সেখানে টানা প্রায় সাড়ে ১০ ঘণ্টা ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁর বয়ানে অসঙ্গতি পেয়ে তাঁকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় সংস্থা।  

[TECHTARANGA-POST:9591]

রাজ্যের বহুচর্চিত পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে নেমে দক্ষিণ দমদম পুরসভায় বেআইনিভাবে চাকরিপ্রাপকদের নাম সুপারিশ করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে সুজিত বসুর বিরুদ্ধে। ইডি সূত্রে খবর, সুজিতের সুপারিশ করা সেই বেআইনি তালিকায় কমবেশি ১৫০ জন চাকরিপ্রার্থীর নাম রয়েছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের অনুমান, এই নিয়োগ দুর্নীতির মাধ্যমে উপার্জিত বিপুল অঙ্কের কালো টাকা বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। সেই কারণেই বর্তমানে সুজিত বসু এবং তাঁর ঘনিষ্ঠদের একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত যাবতীয় নথিপত্র ও তথ্য খতিয়ে দেখছেন ইডির আধিকারিকরা।  

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *