•
Home পশ্চিমবঙ্গ Andul Robbery: ধনতেরাসের ঠিক আগে হাওড়ায় সোনা লুট! বন্দুক ঠেকিয়ে ১ কোটির গয়না সাফ করল সশস্ত্র দুষ্কৃতীরা
পশ্চিমবঙ্গ

Andul Robbery: ধনতেরাসের ঠিক আগে হাওড়ায় সোনা লুট! বন্দুক ঠেকিয়ে ১ কোটির গয়না সাফ করল সশস্ত্র দুষ্কৃতীরা

Share
আন্দুলে সোনার দোকানে ডাকাতি। ছবি- সংগৃহীত
Share

হাওড়া: ধনতেরাসের ঠিক প্রাক্কালে হাওড়ার আন্দুল ঝোরহাট মাড়োয়ারি বাগান এলাকায় এক ভয়াবহ সোনার দোকানে ডাকাতির ঘটনায় গোটা রাজ্যজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বুধবার রাত প্রায় ৯টা নাগাদ সশস্ত্র দুষ্কৃতীরা একটি সোনার দোকানে হানা দিয়ে মালিককে বেধড়ক মারধর করে এবং মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে সর্বস্ব লুঠ করে চম্পট দেয়। রাতের অন্ধকারে ঘটা এই ঘটনায় এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি হয়েছে। আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বুধবার রাতে যখন ওই সোনার দোকানে একা ছিলেন মালিক অনিমেষ সামন্ত, ঠিক সেই মুহূর্তে মোটরবাইকে চেপে তিন জন দুষ্কৃতী দোকানের সামনে এসে পৌঁছয়। তাদের মধ্যে দু’জনের মুখে মাস্ক এবং একজনের মাথায় হেলমেট পরা ছিল, যাতে তাদের মুখ সহজে চেনা না যায়। পূর্বপরিকল্পিত ছক কষে তারা দোকানে প্রবেশ করেই অনিমেষবাবুকে মারধর শুরু করে। এরপর তাঁর মাথায় সরাসরি বন্দুক ঠেকিয়ে দোকান থেকে সমস্ত মূল্যবান সোনা ও রূপোর গয়না হাতিয়ে নেয় এবং মুহূর্তের মধ্যে চম্পট দেয়।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধনতেরাসের উৎসবকে সামনে রেখে ব্যবসায়িক কারণে ওই দোকানে সাধারণ সময়ের তুলনায় সোনা ও রূপোর গয়না অনেকটাই বেশি মজুত করা হয়েছিল। তদন্তকারীদের জোরালো সন্দেহ, দুষ্কৃতীরা আগে থেকেই এই খবরটি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল ছিল এবং সেইমতোই পরিকল্পনা করে হামলা চালায়। ঘটনার আকস্মিকতায় গুরুতর জখম হন দোকান মালিক অনিমেষ সামন্ত। স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় ব্লক হাসপাতালে ভর্তি করান, যেখানে তাঁর চিকিৎসা চলছে। অন্যদিকে, ব্যবসায়ীর পরিবারের দাবি অনুযায়ী লুঠ হওয়া গয়নার বাজারমূল্য প্রায় এক কোটি টাকার কাছাকাছি।

আরও পড়ুন: ছ’বছরের লুকোচুরি শেষ! নাড্ডার কনভয়ে ঢিল মারা অভিষেক ঘনিষ্ঠ সেই ইমরান গ্রেফতার https://hiddenstories.news/2026/11/05/jp-nadda-convoy-attack-imran-hassan-arrested-kolkata-news/

খবর পাওয়া মাত্রই সাঁকরাইল থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে ছুটে যায় এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করে। দোকান ও তার আশেপাশের সংলগ্ন এলাকার সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা, যাতে দুষ্কৃতীদের যাতায়াতের পথ ও তাদের সুনির্দিষ্ট পরিচয় চিহ্নিত করা যায়। উল্লেখ্য, মাত্র কয়েকদিন আগেই একই থানার অন্তর্গত ধুলাগড় এলাকায় ঠিক একই কায়দায় আরেকটি সোনার দোকানে চুরির ঘটনা ঘটেছিল, যেখান থেকেও লক্ষাধিক টাকার গয়না লোপাট হয়। একই থানা এলাকায় পরপর এমন দুর্ধর্ষ অপরাধের ঘটনায় পুলিশি নজরদারি নিয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। এই দুটি ঘটনার পেছনে একই অপরাধী চক্রের হাত রয়েছে কি না, তা এখন খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

Share

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *