Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

ঘাসফুল হাতছাড়া হওয়ার আশঙ্কায় তড়িঘড়ি 'প্ল্যান বি'? উপনির্বাচনের আগেই বদলাতে পারে মমতার দলীয় প্রতীক!

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৩ আগস্ট ২০২৬
ঘাসফুল হাতছাড়া হওয়ার আশঙ্কায় তড়িঘড়ি 'প্ল্যান বি'? উপনির্বাচনের আগেই বদলাতে পারে মমতার দলীয় প্রতীক!
উপনির্বাচনের আগেই বদলাতে পারে মমতার দলীয় প্রতীক। ফাইল ছবি

কলকাতা: নির্বাচন কমিশনে জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে দুই তৃণমূলের দড়ি টানাটানির মাঝেই উপনির্বাচনের দিনক্ষণ যতই এগিয়ে আসছে, ততই জোরালো হচ্ছে এক বড়সড় রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের জল্পনা। জোড়াফুল বা ঘাসফুল চিহ্ন যদি শেষ পর্যন্ত হাতছাড়াও হয়ে যায়, তবে আর কোনো ঝুঁকি না নিয়ে বিকল্প প্রতীক নিয়ে ময়দানে নামার সম্পূর্ণ প্রস্তুতি সেরে রাখছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজনৈতিক সূত্রের খবর, শেষ মুহূর্তে ঘাসফুল না মিললে সূর্যমুখী ফুল প্রতীক হিসেবে বেছে নিতে পারেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, এবং সেই নতুন চিহ্ন নিয়েই লড়তে পারেন আসন্ন উপনির্বাচনে।

সম্প্রতি প্রতীক হারানোর আশঙ্কার কথা খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখেও একাধিকবার শোনা গিয়েছে। তবে তিনি আত্মবিশ্বাসের সুরেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন, ১৯৯৮ সালে তৃণমূল গঠনের সময়ও প্রতীক চেনানোর পর্যাপ্ত সুযোগ না থাকা সত্ত্বেও মানুষ তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। এবারেও প্রয়োজনে নতুন প্রতীক গলায় ঝুলিয়ে বাড়ি বাড়ি ঘুরে তা চেনাতে তাঁর কোনো দ্বিধা থাকবে না। উল্লেখ্য, রেজিনগর ও নন্দীগ্রাম বিধানসভার পাশাপাশি বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে প্রতীক নিয়ে যাতে কোনো আইনি বা প্রশাসনিক বাধা তৈরি না হয়, সেই কারণেই এই 'প্ল্যান বি' তৈরি রাখা হচ্ছে।

অন্যদিকে, ঋতব্রত শিবিরের বিধায়ক প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তাঁরা সম্পূর্ণ বিষয়টিতে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষ সিদ্ধান্তের ওপরই ভরসা রাখছেন। তাঁদের কাছে এই মুহূর্তে প্রতীক বদলের অন্য কোনো ভাবনা নেই। তবে বিষয়টিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি রাজ্যের প্রভাবশালী মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, যদি সত্যি শেষ পর্যন্ত মমতা সূর্যমুখী প্রতীকে লড়াই করেন, তবে তা বঙ্গ রাজনীতির ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।


হিডেন স্টোরিজ নিউজ

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬


ঘাসফুল হাতছাড়া হওয়ার আশঙ্কায় তড়িঘড়ি 'প্ল্যান বি'? উপনির্বাচনের আগেই বদলাতে পারে মমতার দলীয় প্রতীক!

প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬

featured Image
কলকাতা: নির্বাচন কমিশনে জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে দুই তৃণমূলের দড়ি টানাটানির মাঝেই উপনির্বাচনের দিনক্ষণ যতই এগিয়ে আসছে, ততই জোরালো হচ্ছে এক বড়সড় রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের জল্পনা। জোড়াফুল বা ঘাসফুল চিহ্ন যদি শেষ পর্যন্ত হাতছাড়াও হয়ে যায়, তবে আর কোনো ঝুঁকি না নিয়ে বিকল্প প্রতীক নিয়ে ময়দানে নামার সম্পূর্ণ প্রস্তুতি সেরে রাখছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজনৈতিক সূত্রের খবর, শেষ মুহূর্তে ঘাসফুল না মিললে সূর্যমুখী ফুল প্রতীক হিসেবে বেছে নিতে পারেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, এবং সেই নতুন চিহ্ন নিয়েই লড়তে পারেন আসন্ন উপনির্বাচনে।সম্প্রতি প্রতীক হারানোর আশঙ্কার কথা খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখেও একাধিকবার শোনা গিয়েছে। তবে তিনি আত্মবিশ্বাসের সুরেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন, ১৯৯৮ সালে তৃণমূল গঠনের সময়ও প্রতীক চেনানোর পর্যাপ্ত সুযোগ না থাকা সত্ত্বেও মানুষ তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। এবারেও প্রয়োজনে নতুন প্রতীক গলায় ঝুলিয়ে বাড়ি বাড়ি ঘুরে তা চেনাতে তাঁর কোনো দ্বিধা থাকবে না। উল্লেখ্য, রেজিনগর ও নন্দীগ্রাম বিধানসভার পাশাপাশি বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে প্রতীক নিয়ে যাতে কোনো আইনি বা প্রশাসনিক বাধা তৈরি না হয়, সেই কারণেই এই 'প্ল্যান বি' তৈরি রাখা হচ্ছে।অন্যদিকে, ঋতব্রত শিবিরের বিধায়ক প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তাঁরা সম্পূর্ণ বিষয়টিতে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষ সিদ্ধান্তের ওপরই ভরসা রাখছেন। তাঁদের কাছে এই মুহূর্তে প্রতীক বদলের অন্য কোনো ভাবনা নেই। তবে বিষয়টিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি রাজ্যের প্রভাবশালী মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, যদি সত্যি শেষ পর্যন্ত মমতা সূর্যমুখী প্রতীকে লড়াই করেন, তবে তা বঙ্গ রাজনীতির ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত