Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

তারেকের দিল্লি সফরের বলি কি হাসিনা? বাংলাদেশে ফেরা নিয়ে মোক্ষম চাল প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর!

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তারেকের দিল্লি সফরের বলি কি হাসিনা? বাংলাদেশে ফেরা নিয়ে মোক্ষম চাল প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর!
ফাইল চিত্র

নয়াদিল্লি: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন ভারত সফরের নেপথ্যে কি তবে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের গোপন সমীকরণ লুকিয়ে রয়েছে? আসন্ন ব্রিক্‌স সম্মেলনে তারেকের দিল্লি উপস্থিতির বদলে হাসিনাকে ঢাকার হাতে তুলে দেওয়ার যে শর্ত ঘিরে কূটনৈতিক মহলে তীব্র জল্পনা ছড়িয়েছে, তা সরাসরি উড়িয়ে দিলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং। 'হিন্দুস্তান টাইম্‌স'-কে দেওয়া এক বিস্ফোরক সাক্ষাৎকারে হাসিনা স্পষ্ট জানিয়েছেন, কোনও কূটনৈতিক শর্তের চাপে নয়, বরং স্বদেশের মানুষের পাশে দাঁড়াতেই ডিসেম্বরের মধ্যে তিনি বাংলাদেশে ফেরার সিদ্ধান্তে অনড়।

তারেক রহমানের দিল্লি সফরের সঙ্গে নিজের প্রত্যর্পণের শর্তের তত্ত্ব নস্যাৎ করে হাসিনা পাল্টা ২০০৭ সালের প্রসঙ্গ টেনে আনেন। তাঁর প্রশ্ন, ২০০৭ সালে রাজনীতি না করার অঙ্গীকারনামায় সই করে ব্রিটেনে গিয়েও তারেক যদি দীর্ঘদিন ভার্চুয়ালি দল পরিচালনা ও জনসভা করতে পারেন, তবে তাঁর ক্ষেত্রে এমন শর্ত তোলা হচ্ছে কেন? তিনি কোনও দিন ব্রিটিশ সরকারের কাছে তারেককে সভা করা থেকে বিরত রাখার আবেদন জানাননি বলেও মনে করিয়ে দেন। পাশাপাশি তাঁর দাবি, মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকি বা প্রাণনাশের ভয় তাঁকে অতীতেও থামাতে পারেনি, এখনও পারবে না। ১৯৭৫-এর স্বজন হারানোর ক্ষত কিংবা ২০০৪ সালের ২১ অগস্টের গ্রেনেড হামলার উদাহরণ টেনে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জানান, ক্ষমতার লোভে নয়, বাংলাদেশ বর্তমানে যে চরমপন্থা, নিরাপত্তাহীনতা ও অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে দাঁড়িয়েছে, তার থেকে দেশকে রক্ষা করতেই তিনি ফিরে যাচ্ছেন। নির্দিষ্ট দিনক্ষণ সময়মতোই জানিয়ে দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

আওয়ামী লীগের ওপর জারি থাকা নিষেধাজ্ঞা নিয়েও বর্তমান বিএনপি সরকারকে একহাত নিয়েছেন হাসিনা। তাঁর বক্তব্য, জনগণের দল আওয়ামী লীগকে সাময়িক পদক্ষেপে মুছে ফেলা অসম্ভব। ২০২৪ সালের পর দলের নেতা-কর্মীদের ওপর লক্ষাধিক মামলা ও অত্যাচারের প্রসঙ্গ তুলে তিনি প্রশ্ন তোলেন, গত বছরের ১৫ জুলাইয়ের পর থেকে হওয়া অগ্নিকাণ্ড ও হত্যাকাণ্ডের মূল চক্রীদের কেন আড়াল করা হচ্ছে? যদিও অগস্টে ভারতের মাটিতে হাসিনার সংবাদ সম্মেলন ঘিরে ঢাকার তরফ থেকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছিল, নয়াদিল্লি আগেই স্পষ্ট করেছে যে ওই ব্যক্তিগত কর্মসূচির সঙ্গে ভারত সরকারের কোনও যোগসূত্র নেই।


হিডেন স্টোরিজ নিউজ

বিষয় : BangladeshPolitics TariqueRahman DhakaNews HiddenStoriesNews awamileague SheikhHasina IndiaBangladesh

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬


তারেকের দিল্লি সফরের বলি কি হাসিনা? বাংলাদেশে ফেরা নিয়ে মোক্ষম চাল প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর!

প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image
নয়াদিল্লি: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন ভারত সফরের নেপথ্যে কি তবে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের গোপন সমীকরণ লুকিয়ে রয়েছে? আসন্ন ব্রিক্‌স সম্মেলনে তারেকের দিল্লি উপস্থিতির বদলে হাসিনাকে ঢাকার হাতে তুলে দেওয়ার যে শর্ত ঘিরে কূটনৈতিক মহলে তীব্র জল্পনা ছড়িয়েছে, তা সরাসরি উড়িয়ে দিলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং। 'হিন্দুস্তান টাইম্‌স'-কে দেওয়া এক বিস্ফোরক সাক্ষাৎকারে হাসিনা স্পষ্ট জানিয়েছেন, কোনও কূটনৈতিক শর্তের চাপে নয়, বরং স্বদেশের মানুষের পাশে দাঁড়াতেই ডিসেম্বরের মধ্যে তিনি বাংলাদেশে ফেরার সিদ্ধান্তে অনড়।তারেক রহমানের দিল্লি সফরের সঙ্গে নিজের প্রত্যর্পণের শর্তের তত্ত্ব নস্যাৎ করে হাসিনা পাল্টা ২০০৭ সালের প্রসঙ্গ টেনে আনেন। তাঁর প্রশ্ন, ২০০৭ সালে রাজনীতি না করার অঙ্গীকারনামায় সই করে ব্রিটেনে গিয়েও তারেক যদি দীর্ঘদিন ভার্চুয়ালি দল পরিচালনা ও জনসভা করতে পারেন, তবে তাঁর ক্ষেত্রে এমন শর্ত তোলা হচ্ছে কেন? তিনি কোনও দিন ব্রিটিশ সরকারের কাছে তারেককে সভা করা থেকে বিরত রাখার আবেদন জানাননি বলেও মনে করিয়ে দেন। পাশাপাশি তাঁর দাবি, মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকি বা প্রাণনাশের ভয় তাঁকে অতীতেও থামাতে পারেনি, এখনও পারবে না। ১৯৭৫-এর স্বজন হারানোর ক্ষত কিংবা ২০০৪ সালের ২১ অগস্টের গ্রেনেড হামলার উদাহরণ টেনে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জানান, ক্ষমতার লোভে নয়, বাংলাদেশ বর্তমানে যে চরমপন্থা, নিরাপত্তাহীনতা ও অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে দাঁড়িয়েছে, তার থেকে দেশকে রক্ষা করতেই তিনি ফিরে যাচ্ছেন। নির্দিষ্ট দিনক্ষণ সময়মতোই জানিয়ে দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।আওয়ামী লীগের ওপর জারি থাকা নিষেধাজ্ঞা নিয়েও বর্তমান বিএনপি সরকারকে একহাত নিয়েছেন হাসিনা। তাঁর বক্তব্য, জনগণের দল আওয়ামী লীগকে সাময়িক পদক্ষেপে মুছে ফেলা অসম্ভব। ২০২৪ সালের পর দলের নেতা-কর্মীদের ওপর লক্ষাধিক মামলা ও অত্যাচারের প্রসঙ্গ তুলে তিনি প্রশ্ন তোলেন, গত বছরের ১৫ জুলাইয়ের পর থেকে হওয়া অগ্নিকাণ্ড ও হত্যাকাণ্ডের মূল চক্রীদের কেন আড়াল করা হচ্ছে? যদিও অগস্টে ভারতের মাটিতে হাসিনার সংবাদ সম্মেলন ঘিরে ঢাকার তরফ থেকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছিল, নয়াদিল্লি আগেই স্পষ্ট করেছে যে ওই ব্যক্তিগত কর্মসূচির সঙ্গে ভারত সরকারের কোনও যোগসূত্র নেই।হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত