Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

পড়াশোনা করতে বলেছিল বাবা-মা, তাতেই ১১২-তে ফোন কেন? বাড়িতে পুলিশ যেতেই সামনে এল আসল কারণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৬ আগস্ট ২০২৬
পড়াশোনা করতে বলেছিল বাবা-মা, তাতেই ১১২-তে ফোন কেন? বাড়িতে পুলিশ যেতেই সামনে এল আসল কারণ
ছবি সংগৃহীত

বালুরঘাটঃ পড়াশোনায় মন দেওয়ার জন্য বাবা-মা বকাবকি করেছিল। আর তাতেই ১১২ নম্বরে ফোন করে বসল অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রী। বাবা-মা তাকে অকারণে মারধর করছেন বলে জানায় সে। এরপরই দ্রুত তার বাড়িতে পৌঁছে যায় পুলিশ। কিন্তু সেখানে গিয়ে আধিকারিকরা দেখেন অন্য ছবি। 


পুলিশ সূত্রে খবর, ওই নাবালিকা বালুরঘাট থানা এলাকার বাসিন্দা। বাড়িতে তাঁর উপর অত্যাচার হচ্ছে বলে কাঁদতে কাঁদতে ১১২ নম্বরে ফোন করে সে। কন্ট্রোল রুম থেকে খবর দেওয়া হয় বালুরঘাট থানাকে। দেরি না করে মেয়েটির বাড়িতে পৌঁছে যান পুলিশকর্মীরা। বাড়িতে গিয়ে নাবালিকার বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলেন আধিকারিকরা। মেয়ের উপর কেন এভাবে অত্যাচার করা হচ্ছে জানতে চান তাঁরা। এমন আচরণের জন্য আইনি পদক্ষেপ হতে পারে বলেও জানানো হয়। পুলিশের কথা শুনে কার্যত অবাক হয়ে যান দম্পতি। তাঁদের বক্তব্য, মেয়েকে মারধর করা হয়নি। পড়াশোনা করার জন্য বাবা-মা হিসেবে তাঁরা শুধু বকাবকি ও শাসন করেছিলেন। সেই শাসনকেই নাবালিকা অত্যাচার হিসেবে ধরে নিয়ে ফোন করেছে বলে জানতে পারে পুলিশ।


সব শুনে নাবালিকার সঙ্গে কথা বলেন আধিকারিকরা। তাকে পড়াশোনার গুরুত্ব বোঝানো হয়। একইসঙ্গে অভিভাবকদেরও সন্তানকে শাসনের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। বিষয়টি জানানো হয়েছে চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটিকেও। সেখানকার কর্মীদের মতে, নাবালিকাদের মধ্যে নিজেদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিয়ে সচেতনতা বাড়া নিঃসন্দেহে ইতিবাচক। তবে জরুরি হেল্পলাইনে করা প্রতিটি অভিযোগের ক্ষেত্রেই ঘটনার সত্যতা যাচাই করে তবেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।

বিষয় : Balurghat Child Safety

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬


পড়াশোনা করতে বলেছিল বাবা-মা, তাতেই ১১২-তে ফোন কেন? বাড়িতে পুলিশ যেতেই সামনে এল আসল কারণ

প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬

featured Image
বালুরঘাটঃ পড়াশোনায় মন দেওয়ার জন্য বাবা-মা বকাবকি করেছিল। আর তাতেই ১১২ নম্বরে ফোন করে বসল অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রী। বাবা-মা তাকে অকারণে মারধর করছেন বলে জানায় সে। এরপরই দ্রুত তার বাড়িতে পৌঁছে যায় পুলিশ। কিন্তু সেখানে গিয়ে আধিকারিকরা দেখেন অন্য ছবি। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই নাবালিকা বালুরঘাট থানা এলাকার বাসিন্দা। বাড়িতে তাঁর উপর অত্যাচার হচ্ছে বলে কাঁদতে কাঁদতে ১১২ নম্বরে ফোন করে সে। কন্ট্রোল রুম থেকে খবর দেওয়া হয় বালুরঘাট থানাকে। দেরি না করে মেয়েটির বাড়িতে পৌঁছে যান পুলিশকর্মীরা। বাড়িতে গিয়ে নাবালিকার বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলেন আধিকারিকরা। মেয়ের উপর কেন এভাবে অত্যাচার করা হচ্ছে জানতে চান তাঁরা। এমন আচরণের জন্য আইনি পদক্ষেপ হতে পারে বলেও জানানো হয়। পুলিশের কথা শুনে কার্যত অবাক হয়ে যান দম্পতি। তাঁদের বক্তব্য, মেয়েকে মারধর করা হয়নি। পড়াশোনা করার জন্য বাবা-মা হিসেবে তাঁরা শুধু বকাবকি ও শাসন করেছিলেন। সেই শাসনকেই নাবালিকা অত্যাচার হিসেবে ধরে নিয়ে ফোন করেছে বলে জানতে পারে পুলিশ।সব শুনে নাবালিকার সঙ্গে কথা বলেন আধিকারিকরা। তাকে পড়াশোনার গুরুত্ব বোঝানো হয়। একইসঙ্গে অভিভাবকদেরও সন্তানকে শাসনের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। বিষয়টি জানানো হয়েছে চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটিকেও। সেখানকার কর্মীদের মতে, নাবালিকাদের মধ্যে নিজেদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিয়ে সচেতনতা বাড়া নিঃসন্দেহে ইতিবাচক। তবে জরুরি হেল্পলাইনে করা প্রতিটি অভিযোগের ক্ষেত্রেই ঘটনার সত্যতা যাচাই করে তবেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত