Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

ফোনে পাওয়া যাচ্ছিল না বিপদের রাতে! অগ্নিকাণ্ডের ৩ দিন পর বেহালা থেকে গ্রেফতার 'অভিশপ্ত' শিখা ইনের মালিক

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৩ আগস্ট ২০২৬
ফোনে পাওয়া যাচ্ছিল না বিপদের রাতে! অগ্নিকাণ্ডের ৩ দিন পর বেহালা থেকে গ্রেফতার 'অভিশপ্ত' শিখা ইনের মালিক
অবশেষে জালে 'শিখা ইন'-এর মালিক! ছবি-সংগৃহীত

কলকাতা: ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর দিন তিনেক ধরে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে গা-ঢাকা দিয়েও শেষরক্ষা হল না। নিউ মার্কেটের প্রাণঘাতী হোটেল ‘শিখা ইন’-এর মালিক বীরেশ্বর মিত্রকে অবশেষে গ্রেফতার করল লালবাজারের পুলিশ। শনিবার ডায়মন্ড হারবার রোডের বেহালায় অবস্থিত তাঁর বাড়ি থেকেই তাঁকে জালে তোলেন তদন্তকারীরা। গত মঙ্গলবার গভীর রাতে মির্জা গালিব স্ট্রিটের ওই হোটেলে বিধ্বংসী আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয়েছিল ৯ জন আবাসিকের, যার মধ্যে ৮ জনই ছিলেন চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ভারতে আসা বাংলাদেশি নাগরিক। ঘটনার পর থেকেই এলাকা ছেড়ে বেপাত্তা হয়ে যান বীরেশ্বর।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মির্জা গালিব স্ট্রিটের অত্যন্ত ঘিঞ্জি এলাকায় বীরেশ্বরের দুটি হোটেল ছিল— 'শিখা ইন' এবং ঠিক তার উল্টোদিকে থাকা 'জাপন'। দুর্ঘটনার রাতে জাপন হোটেলের কর্মীরা শিখা ইনে আগুন জ্বলতে দেখে সঙ্গে সঙ্গে মালিককে ফোন করেন। তবে একের পর এক কল এড়িয়ে গিয়ে কিছুক্ষণের মধ্যেই নিজের মোবাইল ফোন সুইচড অফ করে দেন বীরেশ্বর। অন্যদিকে, শিখা ইনের একটি তল মাস পাঁচেক আগে মাসে ৪০ হাজার টাকার চুক্তিতে লিজ নিয়েছিলেন ব্যবসায়ী আবু জাফর। অগ্নিকাণ্ডের পরেই জোড়াসাঁকোর বাড়ি ছেড়ে উত্তরপ্রদেশে সপরিবারে পালানোর চেষ্টা চালালেও এন্টালির এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে আগেই তাঁকে পাকড়াও করেছিল গোয়েন্দারা। এবার মূল মালিক বীরেশ্বর মিত্র ধরা পড়ায় অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ও বেআইনি নির্মাণের বিষয়ে আরও তথ্য সামনে আসবে বলে মনে করছে পুলিশ।


হিডেন স্টোরিজ নিউজ

বিষয় : KOLKATAPOLICE KolkataNews HiddenStoriesNews KOLKATAFIRE BengalCrimeNews NewMarketFire

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬


ফোনে পাওয়া যাচ্ছিল না বিপদের রাতে! অগ্নিকাণ্ডের ৩ দিন পর বেহালা থেকে গ্রেফতার 'অভিশপ্ত' শিখা ইনের মালিক

প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬

featured Image
কলকাতা: ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর দিন তিনেক ধরে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে গা-ঢাকা দিয়েও শেষরক্ষা হল না। নিউ মার্কেটের প্রাণঘাতী হোটেল ‘শিখা ইন’-এর মালিক বীরেশ্বর মিত্রকে অবশেষে গ্রেফতার করল লালবাজারের পুলিশ। শনিবার ডায়মন্ড হারবার রোডের বেহালায় অবস্থিত তাঁর বাড়ি থেকেই তাঁকে জালে তোলেন তদন্তকারীরা। গত মঙ্গলবার গভীর রাতে মির্জা গালিব স্ট্রিটের ওই হোটেলে বিধ্বংসী আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয়েছিল ৯ জন আবাসিকের, যার মধ্যে ৮ জনই ছিলেন চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ভারতে আসা বাংলাদেশি নাগরিক। ঘটনার পর থেকেই এলাকা ছেড়ে বেপাত্তা হয়ে যান বীরেশ্বর।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মির্জা গালিব স্ট্রিটের অত্যন্ত ঘিঞ্জি এলাকায় বীরেশ্বরের দুটি হোটেল ছিল— 'শিখা ইন' এবং ঠিক তার উল্টোদিকে থাকা 'জাপন'। দুর্ঘটনার রাতে জাপন হোটেলের কর্মীরা শিখা ইনে আগুন জ্বলতে দেখে সঙ্গে সঙ্গে মালিককে ফোন করেন। তবে একের পর এক কল এড়িয়ে গিয়ে কিছুক্ষণের মধ্যেই নিজের মোবাইল ফোন সুইচড অফ করে দেন বীরেশ্বর। অন্যদিকে, শিখা ইনের একটি তল মাস পাঁচেক আগে মাসে ৪০ হাজার টাকার চুক্তিতে লিজ নিয়েছিলেন ব্যবসায়ী আবু জাফর। অগ্নিকাণ্ডের পরেই জোড়াসাঁকোর বাড়ি ছেড়ে উত্তরপ্রদেশে সপরিবারে পালানোর চেষ্টা চালালেও এন্টালির এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে আগেই তাঁকে পাকড়াও করেছিল গোয়েন্দারা। এবার মূল মালিক বীরেশ্বর মিত্র ধরা পড়ায় অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ও বেআইনি নির্মাণের বিষয়ে আরও তথ্য সামনে আসবে বলে মনে করছে পুলিশ।হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত