Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

শিশুশিল্পী থেকে মহাতারকা: শচীন পিলগাঁওকরের রাজকীয় সিনে-সফরের গল্প

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৭ আগস্ট ২০২৬
শিশুশিল্পী থেকে মহাতারকা: শচীন পিলগাঁওকরের রাজকীয় সিনে-সফরের গল্প
ছবি সংগৃহীত

শুভ জন্মদিন শচীন পিলগাঁওকর: শিশুশিল্পী থেকে সফল পরিচালক, ভারতীয় চলচ্চিত্রের এক বহুমুখী প্রতিভার জার্নি

ভারতীয় চলচ্চিত্র দুনিয়ায় ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে নিজের অভিনয়ের জাদুতে দর্শকদের মুগ্ধ করে রেখেছেন শচীন পিলগাঁওকর। শিশুশিল্পী হিসেবে শুরু করে রোমান্টিক নায়ক এবং পরবর্তীকালে একজন সফল পরিচালক ও প্রযোজক হিসেবে তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন নিজের স্বতন্ত্র পরিচয়। ১৭ আগস্ট বিশিষ্ট এই অভিনেতার জন্মদিন।

মাত্র চার বছর বয়সে মারাঠি ছবি 'হা মাঝা মার্গ একলা' (১৯৬২) দিয়ে তাঁর রূপোলি পর্দায় অভিষেক। এই ছবির জন্য তিনি সেরা শিশুশিল্পী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। পরবর্তীকালে 'মঝলি দিদি',  ও 'জুয়েল থিফ'-এর মতো বহু জনপ্রিয় ছবিতে শিশুশিল্পী হিসেবে কাজ করেন।  

তরুণ বয়সে পা দিয়ে তিনি রাজশ্রী প্রোডাকশন্সের 'গীত গাতা চল' (১৯৭৫), 'আঁখিয়োঁ কে ঝরোখোঁ সে' (১৯৭৮) এবং ব্লকবাস্টার ছবি 'নদীয়া কে পার' (১৯৮২)-এর মাধ্যমে ঘরে ঘরে পরিচিতি লাভ করেন। পাশাপাশি তরুণ মজুমদারের জনপ্রিয় হিন্দি ছবি 'বালিকা বধূ' (১৯৭৬)-তেও তিনি মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসিত হন।

রমেশ সিপ্পির কালজয়ী ছবি 'শোলে'-তে আহমেদ চরিত্র এবং অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে 'সত্তে পে সত্তা' ও 'ত্রিশূল'-এর মতো ছবিতে তাঁর অভিনয় আজও সিনেপ্রেমীদের মনে উজ্জ্বল। আশির দশকে মারাঠি ছবির মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া অন্যতম কারিগর ছিলেন তিনি। 'নভরি মিলে নভরায়ালা', 'অশী হি বনওয়া বনবী', 'মঝা পতি ক্রোড়পতি' এবং 'নভরা মাঝা নবসাচা'-র মতো সুপারহিট ছবি তিনি পরিচালনা ও অভিনয় করেন। নব্বইয়ের দশকে দূরদর্শন ও স্যাটেলাইট টিভির অন্যতম জনপ্রিয় কমেডি ধারাবাহিক তু তু ম্যায়ঁ ম্যায়ঁ পরিচালনা করে তিনি ছোটপর্দাতেও বিপুল সাফল্য পান।

ব্যক্তিগত জীবনে অভিনেত্রী সুপ্রিয়া পিলগাঁওকরের সঙ্গে তাঁর জুটি বাস্তব ও পর্দা—উভয় ক্ষেত্রেই সমান জনপ্রিয়। তাঁদের কন্যা শ্রিয়া পিলগাঁওকরও বর্তমান প্রজন্মের একজন জনপ্রিয় ও দক্ষ অভিনেত্রী।

বিষয় : entertainment news bollywood update SachinPilgaonkar ClassicBollywood

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬


শিশুশিল্পী থেকে মহাতারকা: শচীন পিলগাঁওকরের রাজকীয় সিনে-সফরের গল্প

প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৬

featured Image
শুভ জন্মদিন শচীন পিলগাঁওকর: শিশুশিল্পী থেকে সফল পরিচালক, ভারতীয় চলচ্চিত্রের এক বহুমুখী প্রতিভার জার্নিভারতীয় চলচ্চিত্র দুনিয়ায় ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে নিজের অভিনয়ের জাদুতে দর্শকদের মুগ্ধ করে রেখেছেন শচীন পিলগাঁওকর। শিশুশিল্পী হিসেবে শুরু করে রোমান্টিক নায়ক এবং পরবর্তীকালে একজন সফল পরিচালক ও প্রযোজক হিসেবে তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন নিজের স্বতন্ত্র পরিচয়। ১৭ আগস্ট বিশিষ্ট এই অভিনেতার জন্মদিন।মাত্র চার বছর বয়সে মারাঠি ছবি 'হা মাঝা মার্গ একলা' (১৯৬২) দিয়ে তাঁর রূপোলি পর্দায় অভিষেক। এই ছবির জন্য তিনি সেরা শিশুশিল্পী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। পরবর্তীকালে 'মঝলি দিদি',  ও 'জুয়েল থিফ'-এর মতো বহু জনপ্রিয় ছবিতে শিশুশিল্পী হিসেবে কাজ করেন।  তরুণ বয়সে পা দিয়ে তিনি রাজশ্রী প্রোডাকশন্সের 'গীত গাতা চল' (১৯৭৫), 'আঁখিয়োঁ কে ঝরোখোঁ সে' (১৯৭৮) এবং ব্লকবাস্টার ছবি 'নদীয়া কে পার' (১৯৮২)-এর মাধ্যমে ঘরে ঘরে পরিচিতি লাভ করেন। পাশাপাশি তরুণ মজুমদারের জনপ্রিয় হিন্দি ছবি 'বালিকা বধূ' (১৯৭৬)-তেও তিনি মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসিত হন।রমেশ সিপ্পির কালজয়ী ছবি 'শোলে'-তে আহমেদ চরিত্র এবং অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে 'সত্তে পে সত্তা' ও 'ত্রিশূল'-এর মতো ছবিতে তাঁর অভিনয় আজও সিনেপ্রেমীদের মনে উজ্জ্বল। আশির দশকে মারাঠি ছবির মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া অন্যতম কারিগর ছিলেন তিনি। 'নভরি মিলে নভরায়ালা', 'অশী হি বনওয়া বনবী', 'মঝা পতি ক্রোড়পতি' এবং 'নভরা মাঝা নবসাচা'-র মতো সুপারহিট ছবি তিনি পরিচালনা ও অভিনয় করেন। নব্বইয়ের দশকে দূরদর্শন ও স্যাটেলাইট টিভির অন্যতম জনপ্রিয় কমেডি ধারাবাহিক তু তু ম্যায়ঁ ম্যায়ঁ পরিচালনা করে তিনি ছোটপর্দাতেও বিপুল সাফল্য পান।ব্যক্তিগত জীবনে অভিনেত্রী সুপ্রিয়া পিলগাঁওকরের সঙ্গে তাঁর জুটি বাস্তব ও পর্দা—উভয় ক্ষেত্রেই সমান জনপ্রিয়। তাঁদের কন্যা শ্রিয়া পিলগাঁওকরও বর্তমান প্রজন্মের একজন জনপ্রিয় ও দক্ষ অভিনেত্রী।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত