Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

শুভেন্দুর বাড়ি, নবান্ন... কোথায় কোথায় রেইকি করেছিল হামিম? জেরায় বিস্ফোরক তথ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৪ আগস্ট ২০২৬
শুভেন্দুর বাড়ি, নবান্ন... কোথায় কোথায় রেইকি করেছিল হামিম? জেরায় বিস্ফোরক তথ্য
ছবি সংগৃহীত

জইশ-ই-মহম্মদের জঙ্গি হামিম মণ্ডলকে জেরা যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে নতুন নতুন তথ্য। শুধু জনসভা বা সফর নয়, মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িও ছিল জঙ্গিদের নজরে, এমনই খবর এসটিএফ সূত্রে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর চিনার পার্কের বাড়িতেও রেইকি চালিয়েছিল হামিম ও তার সহযোগীরা। এমনকি নবান্ন চত্বরেও তারা নজরদারি চালিয়েছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

গত বৃহস্পতিবার জইশ-ই-মহম্মদের সদস্য হামিম মণ্ডলকে বর্ধমান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্ত করে  জানা গিয়েছে, পাক হ্যান্ডলারদের নির্দেশে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর গতিবিধির উপর নজর রাখাই ছিল তার অন্যতম দায়িত্ব। এছাড়াও শুভেন্দুর একাধিক কর্মসূচিতেও উপস্থিত ছিল হামিম। শুধু তাই নয়, চিনার পার্কে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির আশপাশে রেইকি চালানো থেকে শুরু করে সেখানে বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকার পরিকল্পনাও ছিল বলে তদন্তকারীদের অনুমান। এসটিএফের সন্দেহ, হামিম ও তার সহযোগীরা নবান্ন চত্বরেও ঘোরাফেরা করেছিল। সেই কারণে নবান্নের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জেরায় আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এসেছে। এসটিএফের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও হামিমের টার্গেটে ছিলেন হাওড়া উত্তরের বিধায়ক তথা পুর প্রতিমন্ত্রী উমেশ রাই। তদন্তে উঠে এসেছে, তাঁর ছেলেকে ‘হানিট্র্যাপ’-এর মাধ্যমে ফাঁদে ফেলে অপহরণের ছক কষা হয়েছিল।


এই মামলায় ইতিমধ্যেই হামিমের ঘনিষ্ঠ অর্পিতা সরকার এবং আদিত্য সিংকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, অর্পিতার সঙ্গে পাক হ্যান্ডলারদের সরাসরি যোগাযোগ ছিল। তবে হামিম, অর্পিতা ও আদিত্য ছাড়া এই নেটওয়ার্কে আর কারা জড়িত, তাঁদের আর কী কী পরিকল্পনা ছিল সেইসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই ধৃতদের ম্যারাথন জেরা চলছে।

বিষয় : Bengal Politics CM Suvendu Adhikari

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬


শুভেন্দুর বাড়ি, নবান্ন... কোথায় কোথায় রেইকি করেছিল হামিম? জেরায় বিস্ফোরক তথ্য

প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬

featured Image
জইশ-ই-মহম্মদের জঙ্গি হামিম মণ্ডলকে জেরা যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে নতুন নতুন তথ্য। শুধু জনসভা বা সফর নয়, মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িও ছিল জঙ্গিদের নজরে, এমনই খবর এসটিএফ সূত্রে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর চিনার পার্কের বাড়িতেও রেইকি চালিয়েছিল হামিম ও তার সহযোগীরা। এমনকি নবান্ন চত্বরেও তারা নজরদারি চালিয়েছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।গত বৃহস্পতিবার জইশ-ই-মহম্মদের সদস্য হামিম মণ্ডলকে বর্ধমান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্ত করে  জানা গিয়েছে, পাক হ্যান্ডলারদের নির্দেশে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর গতিবিধির উপর নজর রাখাই ছিল তার অন্যতম দায়িত্ব। এছাড়াও শুভেন্দুর একাধিক কর্মসূচিতেও উপস্থিত ছিল হামিম। শুধু তাই নয়, চিনার পার্কে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির আশপাশে রেইকি চালানো থেকে শুরু করে সেখানে বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকার পরিকল্পনাও ছিল বলে তদন্তকারীদের অনুমান। এসটিএফের সন্দেহ, হামিম ও তার সহযোগীরা নবান্ন চত্বরেও ঘোরাফেরা করেছিল। সেই কারণে নবান্নের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জেরায় আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এসেছে। এসটিএফের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও হামিমের টার্গেটে ছিলেন হাওড়া উত্তরের বিধায়ক তথা পুর প্রতিমন্ত্রী উমেশ রাই। তদন্তে উঠে এসেছে, তাঁর ছেলেকে ‘হানিট্র্যাপ’-এর মাধ্যমে ফাঁদে ফেলে অপহরণের ছক কষা হয়েছিল।এই মামলায় ইতিমধ্যেই হামিমের ঘনিষ্ঠ অর্পিতা সরকার এবং আদিত্য সিংকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, অর্পিতার সঙ্গে পাক হ্যান্ডলারদের সরাসরি যোগাযোগ ছিল। তবে হামিম, অর্পিতা ও আদিত্য ছাড়া এই নেটওয়ার্কে আর কারা জড়িত, তাঁদের আর কী কী পরিকল্পনা ছিল সেইসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই ধৃতদের ম্যারাথন জেরা চলছে।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত