Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

সরাসরি আর মিলবে না স্বাস্থ্যসাথীর সুবিধা? আয়ুষ্মান কার্ডে গোলমাল হলেই তবে চিকিৎসা, কড়া নিয়ম জারি করল রাজ্য সরকার!

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৩ আগস্ট ২০২৬
সরাসরি আর মিলবে না স্বাস্থ্যসাথীর সুবিধা? আয়ুষ্মান কার্ডে গোলমাল হলেই তবে চিকিৎসা, কড়া নিয়ম জারি করল রাজ্য সরকার!
আয়ুষ্মান কার্ডে সমস্যা থাকলে তবেই রোগীর চিকিৎসা হবে স্বাস্থ্যসাথীতে। ফাইল ছবি

কলকাতা: রাজ্যে ‘স্বাস্থ্যসাথী’ এবং ‘আয়ুষ্মান ভারত’— দুটি বিমা প্রকল্প একসঙ্গে চালু থাকায় হাসপাতালগুলিতে রোগীদের পরিষেবা দেওয়া নিয়ে যে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছিল, তার স্থায়ী সমাধানে এবার কড়া স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর (এসওপি) জারি করল রাজ্য স্বাস্থ্য ভবন। নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, স্বাস্থ্যসাথী কার্ডধারী কোনো রোগী হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পৌঁছালে প্রথমেই খতিয়ে দেখা হবে তিনি আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের আওতাভুক্ত কি না। ট্রানজ্যাকশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (টিএমএস) পোর্টালে প্রার্থীর ইউনিক পরিচয়পত্র বা বায়োমেট্রিক সংক্রান্ত নথি দিয়ে যাচাই করার পর যদি দেখা যায় তাঁর আয়ুষ্মান কার্ড তৈরি রয়েছে, তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে বাধ্যতামূলকভাবে আয়ুষ্মান ভারতের অধীনেই চিকিৎসা শুরু করতে হবে।

স্বাস্থ্য ভবনের নির্দেশিকায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, উপযুক্ত প্রমাণ ছাড়া সরাসরি স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে চিকিৎসা শুরু করা যাবে না। যদি পোর্টালে কোনও কারিগরি সমস্যা বা সার্ভার ডাউন থাকে, একমাত্র তখনই উপযুক্ত প্রমাণ ও স্ক্রিনশট আপলোড করে 'ফেসিং ইস্যু' অপশন বেছে নিলে 'প্রসিড টু স্বাস্থ্যসাথী' বিকল্পটি কার্যকর হবে। তবে কারও নাম আয়ুষ্মানের তালিকায় থাকলেও কার্ড অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকলে, কিংবা রোগী আয়ুষ্মানের যোগ্য না হলে অথবা কোনও তালিকাতেই নাম না থাকলে ‘মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমা যোজনা’-র ফর্ম পূরণ করিয়ে স্বাস্থ্যসাথীর আওতায় পরিষেবা দেওয়া যাবে। এ ছাড়া বায়োমেট্রিক বা কেওয়াইসি অসম্পূর্ণ থাকলে তা দ্রুত সম্পন্ন করার পাশাপাশি ৭০ বছর বা তার বেশি বয়সিদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট নিয়ম মেনে পৃথক নথিভুক্তকরণ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে রাজ্যে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে প্রায় সাড়ে আট কোটি মানুষ নথিভুক্ত রয়েছেন। অন্যদিকে, আয়ুষ্মান ভারতে নথিভুক্ত হওয়া ৩.৪ কোটি মানুষের মধ্যে ১.২৩ কোটির কার্ড ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে গিয়েছে। সেই সঙ্গে প্রায় ৮০ লক্ষ মানুষের জন্য মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমা যোজনার বিকল্প রাখা হয়েছে। সরকারের এই সুনির্দিষ্ট নীতিকে স্বাগত জানিয়েছে অ্যাসোসিয়েশন অফ প্রাইভেট হসপিটালস অ্যান্ড নার্সিংহোম। তাদের মতে, স্বাস্থ্য ভবনের এই নতুন এসওপি কার্যকর হওয়ায় হাসপাতাল এবং সাধারণ রোগীদের মধ্যে দীর্ঘদিনের টানাপোড়েন ও ধোঁয়াশা পুরোপুরি কেটে যাবে।


হিডেন স্টোরিজ নিউজ

বিষয় : AyushmanBharat HiddenStoriesNews SWASTHYASATHI healthdepartment BengalHealthNews WestBengalUpdate HospitalGuidelines

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬


সরাসরি আর মিলবে না স্বাস্থ্যসাথীর সুবিধা? আয়ুষ্মান কার্ডে গোলমাল হলেই তবে চিকিৎসা, কড়া নিয়ম জারি করল রাজ্য সরকার!

প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬

featured Image
কলকাতা: রাজ্যে ‘স্বাস্থ্যসাথী’ এবং ‘আয়ুষ্মান ভারত’— দুটি বিমা প্রকল্প একসঙ্গে চালু থাকায় হাসপাতালগুলিতে রোগীদের পরিষেবা দেওয়া নিয়ে যে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছিল, তার স্থায়ী সমাধানে এবার কড়া স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর (এসওপি) জারি করল রাজ্য স্বাস্থ্য ভবন। নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, স্বাস্থ্যসাথী কার্ডধারী কোনো রোগী হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পৌঁছালে প্রথমেই খতিয়ে দেখা হবে তিনি আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের আওতাভুক্ত কি না। ট্রানজ্যাকশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (টিএমএস) পোর্টালে প্রার্থীর ইউনিক পরিচয়পত্র বা বায়োমেট্রিক সংক্রান্ত নথি দিয়ে যাচাই করার পর যদি দেখা যায় তাঁর আয়ুষ্মান কার্ড তৈরি রয়েছে, তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে বাধ্যতামূলকভাবে আয়ুষ্মান ভারতের অধীনেই চিকিৎসা শুরু করতে হবে।স্বাস্থ্য ভবনের নির্দেশিকায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, উপযুক্ত প্রমাণ ছাড়া সরাসরি স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে চিকিৎসা শুরু করা যাবে না। যদি পোর্টালে কোনও কারিগরি সমস্যা বা সার্ভার ডাউন থাকে, একমাত্র তখনই উপযুক্ত প্রমাণ ও স্ক্রিনশট আপলোড করে 'ফেসিং ইস্যু' অপশন বেছে নিলে 'প্রসিড টু স্বাস্থ্যসাথী' বিকল্পটি কার্যকর হবে। তবে কারও নাম আয়ুষ্মানের তালিকায় থাকলেও কার্ড অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকলে, কিংবা রোগী আয়ুষ্মানের যোগ্য না হলে অথবা কোনও তালিকাতেই নাম না থাকলে ‘মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমা যোজনা’-র ফর্ম পূরণ করিয়ে স্বাস্থ্যসাথীর আওতায় পরিষেবা দেওয়া যাবে। এ ছাড়া বায়োমেট্রিক বা কেওয়াইসি অসম্পূর্ণ থাকলে তা দ্রুত সম্পন্ন করার পাশাপাশি ৭০ বছর বা তার বেশি বয়সিদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট নিয়ম মেনে পৃথক নথিভুক্তকরণ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।বর্তমানে রাজ্যে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে প্রায় সাড়ে আট কোটি মানুষ নথিভুক্ত রয়েছেন। অন্যদিকে, আয়ুষ্মান ভারতে নথিভুক্ত হওয়া ৩.৪ কোটি মানুষের মধ্যে ১.২৩ কোটির কার্ড ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে গিয়েছে। সেই সঙ্গে প্রায় ৮০ লক্ষ মানুষের জন্য মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমা যোজনার বিকল্প রাখা হয়েছে। সরকারের এই সুনির্দিষ্ট নীতিকে স্বাগত জানিয়েছে অ্যাসোসিয়েশন অফ প্রাইভেট হসপিটালস অ্যান্ড নার্সিংহোম। তাদের মতে, স্বাস্থ্য ভবনের এই নতুন এসওপি কার্যকর হওয়ায় হাসপাতাল এবং সাধারণ রোগীদের মধ্যে দীর্ঘদিনের টানাপোড়েন ও ধোঁয়াশা পুরোপুরি কেটে যাবে।হিডেন স্টোরিজ নিউজ

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত