কৃষ্ণনগর: সরকারি জমি থেকে বেআইনিভাবে মাটি কেটে কোটি কোটি টাকায় বিক্রি এবং বনজ সম্পদ ধ্বংস করার গুরুতর অভিযোগে বড়সড় অস্বস্তিতে পড়লেন ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
প্রতিভারা রাস্তায়, অথচ দেশ চুপ! কেন
নদিয়া ও মুর্শিদাবাদের বিস্তৃত ভেস্টেড জমি থেকে মাটি পাচারের নয়া অভিযোগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ মোট ৩০ জনের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলায় এবার সরাসরি পুলিশি তদন্তের চরম নির্দেশ দিল আদালত। অভিযুক্তদের তালিকায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের পাশাপাশি রয়েছেন প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক হাসানুজ্জামান শেখ এবং কালীগঞ্জের বর্তমান তৃণমূল বিধায়ক আলিফা আহমেদের মতো হেভিওয়েট সব নাম। কালীগঞ্জের বাসিন্দা বাপন ঘোষের দায়ের করা এই মামলার ভিত্তিতেই তদন্তের চাকা ঘোরাতে নির্দেশ দিয়েছে কৃষ্ণনগর জেলা দায়রা আদালত।
মামলাকারীর আইনজীবী শীর্ষেন্দু দাস এবং মূল অভিযোগকারী বাপন ঘোষ আদালতে স্পষ্ট দাবি করেন, ২০১৬ সাল থেকে নদিয়ার কালীগঞ্জ ব্লক এবং মুর্শিদাবাদের শক্তিপুর এলাকার প্রায় ৩৩ হাজার বিঘা সরকারি ও ভেস্টেড জমি থেকে অবাধে মাটি কেটে সাবাড় করা হয়েছে। শুধুমাত্র সরকারি জমি ও মাটি বিক্রিই নয়, সেই সঙ্গে কেটে ফেলা হয়েছে হাজার হাজার গাছগাছালি, যার ফলে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারানোর সাথে মারাত্মক পরিবেশগত ক্ষতি হয়েছে পুরো অঞ্চলজুড়ে। দীর্ঘদিন ধরে পুলিশ ও বন দপ্তরে জানিয়েও কোনো সুরাহা মেলেনি, উলটে প্রাণনাশের হুমকি পেতে হয়েছে বলে অভিযোগকারীর দাবি। অবশেষে সমস্ত নথি ও সাক্ষ্য খতিয়ে দেখে বিচারক তরুণ কুমার মণ্ডল পুলিশকে লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের কড়া নির্দেশ প্রদান করেছেন।

বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬

আপনার মতামত লিখুন