Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

‘আসল তৃণমূল’ বনাম ‘কালীঘাট’! প্রতীক আর নাম চুরি নিয়ে এবার ৪ থানায় দায়ের এফআইআর

‘আসল তৃণমূল’ বনাম ‘কালীঘাট’! প্রতীক আর নাম চুরি নিয়ে এবার ৪ থানায় দায়ের এফআইআর
প্রতীকী ছবি

কলকাতা: জোড়াফুল শিবিরে এবার আড়াআড়ি বিভাজন এবং ক্ষমতার লড়াই পৌঁছাল চরম সীমায়। ‘আসল তৃণমূল’ বনাম ‘কালীঘাট তৃণমূল’-এর এই নজিরবিহীন দ্বন্দ্বে এবার সরাসরি থানার দ্বারস্থ হলো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামীরা। দলের নাম এবং নির্বাচনী প্রতীক ‘জোড়াফুল’ বিনা অনুমতিতে অবৈধভাবে ব্যবহার করার গুরুতর অভিযোগ তুলে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের বিরুদ্ধে একের পর এক থানায় এফআইআর দায়ের করলেন মমতাপন্থী শীর্ষ নেত্রী দোলা সেন। নিউ টাউন, প্রগতি ময়দান, কালীঘাট এবং সাইবার ক্রাইম থানা মিলিয়ে মোট চারটি জায়গায় এই লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে, যা ঘিরে এই মুহূর্তে বাংলার রাজনৈতিক অলিন্দে তোলপাড় শুরু হয়ে গিয়েছে।


মমতাপন্থী নেত্রী দোলা সেনের দায়ের করা অভিযোগপত্রে অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর দাবি করা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, অরূপ রায়, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, জাভেদ খান, সন্দীপন সাহা ও বিপ্লব মিত্রদের মতো দলছুট নেতারা তৃণমূলের অফিশিয়াল নাম ভাঙিয়ে এবং দলীয় প্রতীক ‘নকল’ করে গত ২২ জুন নিউ টাউনের একটি বিলাসবহুল হোটেলে এক গোপন ‘জমায়েত’ করেছিলেন। শুধু তাই নয়, সেই অবৈধ বৈঠক থেকেই সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে একটি সমান্তরাল ‘জাতীয় কর্মসমিতি’ও ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে। যেহেতু ওই বিতর্কিত হোটেলটি নিউ টাউন থানা এলাকার অন্তর্গত, তাই সেখানে প্রথম অভিযোগটি জানানো হয়। পাশাপাশি তৃণমূলের মূল সদর দফতর যেহেতু কালীঘাটে, তাই প্রতীক ও নাম চুরির বিরুদ্ধে কালীঘাট থানাতেও কড়া পদক্ষেপের আর্জি জানানো হয়েছে।


কালীঘাট শিবিরের এই আইনি আক্রমণ শুধু নিউ টাউন বা কালীঘাটেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। গত শনিবার প্রগতি ময়দান থানা এলাকাতেও ঋতব্রত-শিবিরের একটি বৈঠক চলায় সেই থানার পুলিশকেও বিষয়টি লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। এছাড়া অনলাইনের মাধ্যমে লোগো ও প্রতীক জালিয়াতি করার অপরাধে তথ্যপ্রযুক্তি আইন মেনে সাইবার ক্রাইম থানাতেও পৃথক অভিযোগ দায়ের করেছেন দোলা সেন। দল এবং প্রতীক হাতছাড়া হওয়ার এই চরম পরিস্থিতিতে মমতা-শিবির যখন থানা-পুলিশ নিয়ে অল-আউট যুদ্ধে নেমেছে, তখন অপর পক্ষও পিছু হটতে নারাজ। এই বিষয়ে ঋতব্রত-শিবিরের নবগঠিত জাতীয় কর্মসমিতির কোষাধ্যক্ষ তথা বিধায়ক আখরুজ্জামান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, কালীঘাট শিবির যত খুশি থানায় যাক, তাঁরাও এর প্রতিটা জবাব আইনের পথেই হেঁটে আদালতের ভেতরে দেবেন।

বিষয় : MAMTA BANERJEE DOLASEN tmcvvstmc bengalpoliics RITABRATANAMERJEE

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

রোববার, ২৮ জুন ২০২৬


‘আসল তৃণমূল’ বনাম ‘কালীঘাট’! প্রতীক আর নাম চুরি নিয়ে এবার ৪ থানায় দায়ের এফআইআর

প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬

featured Image
কলকাতা: জোড়াফুল শিবিরে এবার আড়াআড়ি বিভাজন এবং ক্ষমতার লড়াই পৌঁছাল চরম সীমায়। ‘আসল তৃণমূল’ বনাম ‘কালীঘাট তৃণমূল’-এর এই নজিরবিহীন দ্বন্দ্বে এবার সরাসরি থানার দ্বারস্থ হলো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামীরা। দলের নাম এবং নির্বাচনী প্রতীক ‘জোড়াফুল’ বিনা অনুমতিতে অবৈধভাবে ব্যবহার করার গুরুতর অভিযোগ তুলে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের বিরুদ্ধে একের পর এক থানায় এফআইআর দায়ের করলেন মমতাপন্থী শীর্ষ নেত্রী দোলা সেন। নিউ টাউন, প্রগতি ময়দান, কালীঘাট এবং সাইবার ক্রাইম থানা মিলিয়ে মোট চারটি জায়গায় এই লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে, যা ঘিরে এই মুহূর্তে বাংলার রাজনৈতিক অলিন্দে তোলপাড় শুরু হয়ে গিয়েছে।মমতাপন্থী নেত্রী দোলা সেনের দায়ের করা অভিযোগপত্রে অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর দাবি করা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, অরূপ রায়, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, জাভেদ খান, সন্দীপন সাহা ও বিপ্লব মিত্রদের মতো দলছুট নেতারা তৃণমূলের অফিশিয়াল নাম ভাঙিয়ে এবং দলীয় প্রতীক ‘নকল’ করে গত ২২ জুন নিউ টাউনের একটি বিলাসবহুল হোটেলে এক গোপন ‘জমায়েত’ করেছিলেন। শুধু তাই নয়, সেই অবৈধ বৈঠক থেকেই সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে একটি সমান্তরাল ‘জাতীয় কর্মসমিতি’ও ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে। যেহেতু ওই বিতর্কিত হোটেলটি নিউ টাউন থানা এলাকার অন্তর্গত, তাই সেখানে প্রথম অভিযোগটি জানানো হয়। পাশাপাশি তৃণমূলের মূল সদর দফতর যেহেতু কালীঘাটে, তাই প্রতীক ও নাম চুরির বিরুদ্ধে কালীঘাট থানাতেও কড়া পদক্ষেপের আর্জি জানানো হয়েছে।কালীঘাট শিবিরের এই আইনি আক্রমণ শুধু নিউ টাউন বা কালীঘাটেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। গত শনিবার প্রগতি ময়দান থানা এলাকাতেও ঋতব্রত-শিবিরের একটি বৈঠক চলায় সেই থানার পুলিশকেও বিষয়টি লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। এছাড়া অনলাইনের মাধ্যমে লোগো ও প্রতীক জালিয়াতি করার অপরাধে তথ্যপ্রযুক্তি আইন মেনে সাইবার ক্রাইম থানাতেও পৃথক অভিযোগ দায়ের করেছেন দোলা সেন। দল এবং প্রতীক হাতছাড়া হওয়ার এই চরম পরিস্থিতিতে মমতা-শিবির যখন থানা-পুলিশ নিয়ে অল-আউট যুদ্ধে নেমেছে, তখন অপর পক্ষও পিছু হটতে নারাজ। এই বিষয়ে ঋতব্রত-শিবিরের নবগঠিত জাতীয় কর্মসমিতির কোষাধ্যক্ষ তথা বিধায়ক আখরুজ্জামান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, কালীঘাট শিবির যত খুশি থানায় যাক, তাঁরাও এর প্রতিটা জবাব আইনের পথেই হেঁটে আদালতের ভেতরে দেবেন।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার