Hidden Stories (বাংলা)
সর্বশেষ

মুখ ঢাকলেও বাঁচবে না খুনি! কেতন হত্যায় দিল্লি পুলিশের মোক্ষম অস্ত্র ‘গেইট অ্যানালাইসিস’, কী এই বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা?

মুখ ঢাকলেও বাঁচবে না খুনি! কেতন হত্যায় দিল্লি পুলিশের মোক্ষম অস্ত্র ‘গেইট অ্যানালাইসিস’, কী এই বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা?
এ আই নির্মিত ছবি

নয়া দিল্লি: অপরাধ করে সিসিটিভি ক্যামেরার সামনে মুখ লুকিয়ে বা মাস্ক পরে পার পেয়ে যাওয়ার দিন এবার শেষ। কেতন আগরওয়াল হত্যা মামলার তদন্তে নেমে অপরাধীকে সনাক্ত করতে এক অত্যাধুনিক ফরেনসিক প্রযুক্তির সাহায্য নিতে চলেছে দিল্লি পুলিশ ও দেশের শীর্ষ তদন্তকারী সংস্থাগুলি। বিজ্ঞানের পরিভাষায় যার নাম ‘গেইট অ্যানালাইসিস’ বা মানুষের হাঁটার ভঙ্গির নিখুঁত বিশ্লেষণ। তদন্তকারীদের দাবি, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজে সন্দেহভাজনের মুখ স্পষ্ট না দেখা গেলেও, এই প্রযুক্তির মাধ্যমে তাঁর হাঁটার চালচলন এবং শরীরের গতিবিধি পরীক্ষা করে খুনিকে অনায়াসে খাঁচায় পোরা সম্ভব হবে।


বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিটি মানুষের হাঁটার ভঙ্গি বা চলনশৈলী সম্পূর্ণ আলাদা এবং স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য বহন করে। যুক্তরাজ্যের গবেষণা বলছে, জন্মের পর থেকে ধীরে ধীরে এই হাঁটার ধরন গড়ে ওঠে এবং ১৫ থেকে ২০ বছর বয়সের মধ্যে তা স্থায়ী রূপ নেয়। একজন মানুষ কীভাবে পা ফেলছেন, তাঁর হাঁটার গতি কত, হাতের নড়াচড়া, নিতম্বের দোলা কিংবা পায়ের আঙুলের অবস্থান কেমন— এই সব মিলিয়ে প্রায় ২০টিরও বেশি সূক্ষ্ম বিষয়কে এই প্রযুক্তিতে আতশকাচের তলায় রাখা হয়। বিজ্ঞানের পরিভাষায় একে বলা হয় ‘বিহেভিওরাল বায়োমেট্রিক’, যা আঙুলের ছাপ বা চোখের আইরিসের মতোই প্রায় ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ ক্ষেত্রে নির্ভুল তথ্য দিতে সক্ষম।


ফের তাজা বোমা উদ্ধার মুর্শিদাবাদে! জঙ্গলের ব্যাগে মিলল ৬টি বোমা


ফরেনসিক তদন্তে মূলত দু’টি উপায়ে এই গেইট অ্যানালাইসিস করা হয়। প্রথমত, বিশেষজ্ঞরা সিসিটিভি ফুটেজের ফ্রেম ধরে ধরে চাক্ষুষ পর্যবেক্ষণ করেন এবং সন্দেহভাজনের পুরনো পারিবারিক বা সামাজিক মাধ্যমের ভিডিওর সঙ্গে তা মেলান। দ্বিতীয়ত, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-ভিত্তিক সফটওয়্যারের মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন অস্থিসন্ধির নড়াচড়া ট্র্যাক করে একটি ত্রিমাত্রিক বা থ্রি-ডি (3D) গাণিতিক মডেল তৈরি করা হয়। ইংল্যান্ড, আমেরিকা ও ইউরোপের এফবিআই বা ইউরোপোলের মতো সংস্থাগুলি বিগত কয়েক দশক ধরে এই প্রযুক্তির সফল ব্যবহার করছে। এবার ভারতের দিল্লি, মুম্বই ও বেঙ্গালুরু পুলিশও অপরাধ দমনে এই এআই-নির্ভর ল্যাব ও প্রযুক্তির ওপর ভরসা বাড়াচ্ছে, যার প্রথম বড় পরীক্ষা হতে চলেছে কেতন হত্যা মামলায়।

বিষয় : DELHI POLICE CrimeNews ketanagarwalmurder GAITANALYSIS TECHINVESTIGATION

আপনার মতামত লিখুন

Hidden Stories (বাংলা)

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬


মুখ ঢাকলেও বাঁচবে না খুনি! কেতন হত্যায় দিল্লি পুলিশের মোক্ষম অস্ত্র ‘গেইট অ্যানালাইসিস’, কী এই বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা?

প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুন ২০২৬

featured Image
নয়া দিল্লি: অপরাধ করে সিসিটিভি ক্যামেরার সামনে মুখ লুকিয়ে বা মাস্ক পরে পার পেয়ে যাওয়ার দিন এবার শেষ। কেতন আগরওয়াল হত্যা মামলার তদন্তে নেমে অপরাধীকে সনাক্ত করতে এক অত্যাধুনিক ফরেনসিক প্রযুক্তির সাহায্য নিতে চলেছে দিল্লি পুলিশ ও দেশের শীর্ষ তদন্তকারী সংস্থাগুলি। বিজ্ঞানের পরিভাষায় যার নাম ‘গেইট অ্যানালাইসিস’ বা মানুষের হাঁটার ভঙ্গির নিখুঁত বিশ্লেষণ। তদন্তকারীদের দাবি, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজে সন্দেহভাজনের মুখ স্পষ্ট না দেখা গেলেও, এই প্রযুক্তির মাধ্যমে তাঁর হাঁটার চালচলন এবং শরীরের গতিবিধি পরীক্ষা করে খুনিকে অনায়াসে খাঁচায় পোরা সম্ভব হবে।বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিটি মানুষের হাঁটার ভঙ্গি বা চলনশৈলী সম্পূর্ণ আলাদা এবং স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য বহন করে। যুক্তরাজ্যের গবেষণা বলছে, জন্মের পর থেকে ধীরে ধীরে এই হাঁটার ধরন গড়ে ওঠে এবং ১৫ থেকে ২০ বছর বয়সের মধ্যে তা স্থায়ী রূপ নেয়। একজন মানুষ কীভাবে পা ফেলছেন, তাঁর হাঁটার গতি কত, হাতের নড়াচড়া, নিতম্বের দোলা কিংবা পায়ের আঙুলের অবস্থান কেমন— এই সব মিলিয়ে প্রায় ২০টিরও বেশি সূক্ষ্ম বিষয়কে এই প্রযুক্তিতে আতশকাচের তলায় রাখা হয়। বিজ্ঞানের পরিভাষায় একে বলা হয় ‘বিহেভিওরাল বায়োমেট্রিক’, যা আঙুলের ছাপ বা চোখের আইরিসের মতোই প্রায় ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ ক্ষেত্রে নির্ভুল তথ্য দিতে সক্ষম।ফের তাজা বোমা উদ্ধার মুর্শিদাবাদে! জঙ্গলের ব্যাগে মিলল ৬টি বোমাফরেনসিক তদন্তে মূলত দু’টি উপায়ে এই গেইট অ্যানালাইসিস করা হয়। প্রথমত, বিশেষজ্ঞরা সিসিটিভি ফুটেজের ফ্রেম ধরে ধরে চাক্ষুষ পর্যবেক্ষণ করেন এবং সন্দেহভাজনের পুরনো পারিবারিক বা সামাজিক মাধ্যমের ভিডিওর সঙ্গে তা মেলান। দ্বিতীয়ত, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-ভিত্তিক সফটওয়্যারের মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন অস্থিসন্ধির নড়াচড়া ট্র্যাক করে একটি ত্রিমাত্রিক বা থ্রি-ডি (3D) গাণিতিক মডেল তৈরি করা হয়। ইংল্যান্ড, আমেরিকা ও ইউরোপের এফবিআই বা ইউরোপোলের মতো সংস্থাগুলি বিগত কয়েক দশক ধরে এই প্রযুক্তির সফল ব্যবহার করছে। এবার ভারতের দিল্লি, মুম্বই ও বেঙ্গালুরু পুলিশও অপরাধ দমনে এই এআই-নির্ভর ল্যাব ও প্রযুক্তির ওপর ভরসা বাড়াচ্ছে, যার প্রথম বড় পরীক্ষা হতে চলেছে কেতন হত্যা মামলায়।

Hidden Stories (বাংলা)


কপিরাইট © ২০২৬ Hidden Stories (বাংলা) । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দৃষ্টি আকর্ষণ

প্রিয় পাঠক, কারিগরি ত্রুটির জন্য আমাদের ওয়েবসাইটি কয়েকঘণ্টা বন্ধ থাকায় আমরা আন্তরিক দুঃখিত। ভবিষ্যতে এরকম ত্রুটি এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর।

— হিডেন স্টোরিজ পরিবার